চিনের খুব কাছ দিয়ে বিমান ওড়াচ্ছে ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্স! ঘুম উড়েছে বেজিংয়ের
সীমান্তের ওপারে একদিকে নির্মান কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বেজিং। যদিও লাগাতার ভারতের তরফে বারবার এই বিষয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়েছে। আর এই বিতর্কের মধ্যেই গত কয়েকদিন আগে একেবারে ভারতের গা ঘেঁষে যুদ্ধবিমান উড়িয়েছে। আর এরপর থেকে
সীমান্তের ওপারে একদিকে নির্মান কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বেজিং। যদিও লাগাতার ভারতের তরফে বারবার এই বিষয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়েছে। আর এই বিতর্কের মধ্যেই গত কয়েকদিন আগে একেবারে ভারতের গা ঘেঁষে যুদ্ধবিমান উড়িয়েছে। আর এরপর থেকে পালটা তৎপরতা শুরু করেছে ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্স। একেবারে সীমান্ত বরাবর যুদ্ধ বিমান ওড়াচ্ছে ভারত।

আর তা নিয়েই এবার আপত্তি জানাল কমিউনিস্ট চিন।
শুধু তাই নয়, সীমান্ত বরাবর নির্মান কাজেও গতি আনছে ভারত। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, গত কয়েকদিন ধরে LAC-তে নির্মাণ কাজের জন্য সামগ্রী, সরঞ্জাম নিয়ে আসতে হেলিকপ্টার ব্যবহার করছে ভারত। এমনকি নির্মাণ কাজে শ্রমিক নিয়ে আসতেও কপ্টারের ব্যবহার করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, ভারতীয় সীমান্তের মধ্যে কিন্তু LAC-এর খুব কাছে ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে। আর তাতেই ঘুম উড়েছে চিনের। ভারতের এহেন কার্যকলাপে আপত্তি জানিয়েছে বিবৃতি দিয়েছে কমিউনিস্ট চিন।
জানা যাচ্ছে, চিনের এহেন আপত্তির পরেই এই বিষয়ে কমান্ডার স্তরে আলোচনা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। জুন মাসের শেষের দিকে এলএসিতে চিনা বিমানকে উড়তে দেখা গিয়েছিল। যা ভারতের তরফে কড়া ভাষায় প্রতিবাদ জানানো হয়েছিল। গুরতবপূর্ণ যে ভারত এবং চিনের মধ্যে ১৬তম সামরিক স্তরের বৈঠক হয়েছে। আর সেই সময় উভয় দেশই আলোচনা করেছিল যে তারা আকাশে যে কোনও কার্যকলাপ সম্পর্কে একে অপরকে অবহিত করবে।
বলে রাখা প্রয়োজন, আগামি কয়েকটা মাস। শীত এসে যাবে। এই অবস্থায় ভারত এবং চিন দুই দেশই সীমান্তে পরিকাঠামো ঢেলে সাজাতে উদ্যোগ নিয়েছে। এমনকি দ্রুত কাজ শেষ করতে চাইছে। এক আধিকারিক জানিয়েছে, ভারত সীমান্তের কাছে রাস্তা এবং অন্য পরিকাঠামো নির্মাণ করছে। ফলে সেই কাজ শীতের আগেই শেষ করতে চায় ভারত। আর সেই লক্ষ্যেই কাজ চলছে। অন্যদিকে চিনের তরফে নানা কাজ চালানো। ব্রিজ, রাস্তা সহ একাধিক কাজ করা হচ্ছে। যা নিয়ে নতুন করে একটা উত্তেজনার পরিস্থিতি ভারত-চিন সীমান্তে তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছে সামরিক পর্যবেক্ষকরা।
তবে এর মধ্য একটা রহস্য তৈরি হয়েছে। চিনের দিকে 'শিয়াওকাং' সীমান্ত প্রতিরক্ষা হিসাবে একাধিক গ্রাম তৈরি করা হয়। কিন্তু সেগুলি নির্মাণের পর এক বছরেরও বেশি সময় ধরে খালি রয়েছে। আর সেটাই চিন্তার কারন হয়ে উঠছে ভারতের কাছে। সামরিক ক্ষেত্রে এই গ্রামগুলিকে কি ব্যবহার করতে পারে চিন। যদিও এই মুহূর্তে কড়া নজর রাখছে প্রতরক্ষামন্ত্রক.












Click it and Unblock the Notifications