করোনাকে কতটা হারাতে পারল দেশ সেই সংকল্পের পরীক্ষা জুন–জুলাই মাসে:‌ ডাঃ ভি কে পাল

করোনাকে কতটা হারাতে পারল দেশ সেই সংকল্পের পরীক্ষা জুন–জুলাই মাসে:‌ ডাঃ ভি কে পাল

অদৃশ্য করোনা ভাইরাসের সঙ্গে দেশের যুদ্ধ চলছে প্রতিদিন। দেশজুড়ে ঘোষণা করা হয়েছে লকডাউনেরও। কিন্তু সামনের রাস্তা আর কত দীর্ঘ হবে তা নিয়ে এই প্রথম কোনও শীর্ষ সরকারি আধিকারিক স্পষ্ট ইঙ্গিত দিলেন। নীতি আয়োগের (‌স্বাস্থ্য)‌ সদস্য ডাঃ ভি কে পাল জানিয়েছেন যে করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে ভারতের যে যুদ্ধের সংকল্প তা পরীক্ষা করা হবে জুন–জুলাই মাসে, লকডাউন কিছুটা আলগা হয়ে যাওয়ার পর।

ভারতের সংকল্পের পরীক্ষা জুন–জুলাইতে

ভারতের সংকল্পের পরীক্ষা জুন–জুলাইতে

ডাঃ পাল বলেন, ‘‌লকডাউন উঠিয়ে নেওয়ার অর্থ হল এই জীবাণুকে পুনরায় উত্থান ও ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ করে দেওয়া এবং এটি একটি পরিমাণে হতে বাধ্য। জীবন ও ক্রিয়াকলাপ স্বাভাবিক হলে ফের নতুন ক্লাস্টার তৈরি হতে পারে।'‌ তিনি বলেন, ‘‌ভাইরাসের সংক্রমণ রোধ করতে হলে আমাদের আরও বেশি করে অনুশীলনের অভ্যাস করতে হবে তবেই এই ভাইরাস পিছুপা হবে। যে অর্থনৈতিক ব্যয় ও কঠিনতাকে সামনে রেখে লকডাউনের জন্য যে লাভগুলি আমরা পেয়েছি তা এত সহজে তুলে নেওয়া যায় না। আমাদের আগে দেখতে হবে যে ভাইরাসের সংক্রমণ কতটা কমেছে এবং নতুনভাবে সংক্রমণ হচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের সংকল্পের পরীক্ষা জুন-জুলাই মাসে।'‌ ভি কে পাল বলেন, ‘‌৩ মে লকডাউন পর্যায়ক্রমে তোলা দরকার কারণ এটি খুবই সুক্ষ্ম একটি বিষয়।'‌

সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত ভি কে পাল

সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত ভি কে পাল

এইমসের প্রাক্তন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ পাল হলেন সরকারের কোভিড-১৯ প্রকল্পের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়িত পরিচালন কমিটির গুরুত্বপূর্ণ একজন। নীতি আয়োগে তাঁর পদের পাশাপাশি তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা প্রকল্পের মূল মাথা। এছাড়াও তিনি কেন্দ্র সরকারের বেশ কিছু প্রকল্প পরিচালনা করছেন।

করোনার প্রতিষেধক তৈরি করবে ভারত

করোনার প্রতিষেধক তৈরি করবে ভারত

ডাঃ পাল বলেন, ‘‌আমাদের ক্ষমতায়িত টাস্কফোর্স নিশ্চিত করেছে যে অদূর ভবিষ্যতে এই দেশ থেকেই করোনার টিকা তৈরির জন্য সমস্ত প্রচেষ্টা করা হয়েছে। প্রতিষেধকের বিকাশ ও উৎপাদনের ক্ষেত্রে ভারত বিশ্বের কাছে নিজেকে তুলে ধরার কোনও সুযোগ হাতছাড়া করতে চায় না।'‌ তিনি আরও বলেন, ‘‌বিভিন্ন থেরাপিউটিক মডালাইটিসের যাচাই করার জন্য আইসিএমআর ক্লিনিক্যাল রিসার্চ নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে। এর মধ্যে রয়েছে কনভ্যালসেন্টস প্লাজমা, প্লাজমার আদানপ্রদান, এবং রেডেমসিভিরের মতো ইত্যাদির ওষুধ যখন পাওয়া যাবে। আইসিএমআর তাদের পরীক্ষাগারগুলিতে করোনার ভাইরাসটি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের গবেষণা চালাচ্ছে।'‌

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+