Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

ভারতে কখনই চিনের মতো কোভিডের তরঙ্গ নয়! বিশেষজ্ঞরা তুলে ধরছেন কয়েকটি কারণ

ভারতের প্রতিবেশী চিনে কোভিড ব্যাপকভাবে ছড়াচ্ছে। কমবেশি একই পরিস্থিতি জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রাজিল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। সেই পরিস্থিতিতে বুধবার দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মান্ডভিয়া পর্যালোচনা বৈঠক করেন। আর ব

ভারতের প্রতিবেশী চিনে কোভিড ব্যাপকভাবে ছড়াচ্ছে। কমবেশি একই পরিস্থিতি জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রাজিল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে।

সেই পরিস্থিতিতে বুধবার দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মান্ডভিয়া পর্যালোচনা বৈঠক করেন। আর বৃহস্পতিবার পর্যালোচনা বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। পরিস্থিতির পর্যালোচনা করছে বিভিন্ন রাজ্যগুলিও। এই দেশের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারত সম্ভবত চিনের থেকে বেশি সুরক্ষিত রয়েছে।

 ভারতের ভ্যাকসিন চিনের তুলনায় ভাল

ভারতের ভ্যাকসিন চিনের তুলনায় ভাল

ভারতে সব থেকে বেশি ব্যবহার করা ভ্যাকসিন তৈরি করেছে সিরাম ইনস্টিটিউট। অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনিকার ফর্মুলেশনে যা তৈরি হয়েছে। এছাড়াও অন্য ভ্যাকসিনটি হল কোভ্যাক্সিন। চিনের ভ্যাকসিন হয় করোনাভ্যাক না হয় সিনোফার্ম। পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, যেখানে ভারতে দুই টিকাই সুরক্ষা দিচ্ছে, সেখানে করোনাভ্যাক বয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে গুরুতর সংক্রমণে কম কার্যকারিতা দেখিয়েছে। চিনের ক্ষেত্রে বিষয়টি জটিল হয়েছে, কারণ বয়সভিত্তিক ভ্যাকসিন কভারেজ ভারতের বিপরীত।
পশ্চিমী দেশগুলিতে যে mRNA ভ্যাকসিন রয়েছে, তা চিনের করোনাভ্যাকের থেকে বেশি কার্যকরী। এপ্রসঙ্গে বলে রাখা ভাল চিনের মতো কঠোর লকডাউন ছাড়াই পশ্চিমের দেশগুলি করোনার মোকাবিলা করেছে।

ভারতের আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই

ভারতের আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই

চিনের কোভিড তরঙ্গে ভারতের আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। কেননা চিনের কঠোর লকডাউনে অনেকেই ঘর থেকে বেরোননি। ফলে তাঁরা রোগের সংস্পর্শে আসতে পারেননি বলেই ধরে নেওয়া হচ্ছে। চিনের সরকারি হিসেব অনুযায়ী ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত ২০ লক্ষ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তুলনায় ভারতে আক্রান্তের সংখ্যাটা ৪.৫ কোটি। পরিষ্কার করে বলতে গেলে চিনের তুলনায় ভারতের বেশি মানুষ প্রাকৃতিকভাবে সংক্রমিত হয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়েছেন।

চিনের ভ্যারিয়েন্ট আগে থেকেই ভারতে রয়েছে

চিনের ভ্যারিয়েন্ট আগে থেকেই ভারতে রয়েছে

আপাতত চিনে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ওমিক্রনের ভ্যারিয়েন্ট BF.7। ভারতে যার উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে গত জুলাই থেকে। তবে গত ৩০ নভেম্বরের তথ্য অনুসারে ভারতে আপাতত BF.7 ভ্যারিয়েন্টে কেউ আক্রান্ন নন। যেহেতু গত ডিসেম্বর মাস থেকে ভারতে ওমিক্রনের ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ ঘটেছে, সেই কারণে ভারতবাসী চিনের থেকে বেশি সুরক্ষিত গতে পারেন। তবে ভারত আপাতত সুরক্ষিত থাকলেও, পরে সুরক্ষিত থাকবে, এমন নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছেন না বিশেষজ্ঞরা। ভারতে ওমিক্রনের তরঙ্গ শুরু হওয়ার সময় সাধারণ মানুষ ভ্যাকসিন নিয়েছেন। এমন কী বুস্টার ডোজও নিয়েছেন। কিন্তু ইতিমধ্যে তারপর বেশ কিছু সময় অতিক্রান্ত। ফলে বিশেষজ্ঞরা বলছে, এব্যাপারে নতুন করে আপডেট হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। হতে পারে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রতিবছরেই একটি করে ভ্যাকসিন নিতে হতে পারে।

বুস্টারে পিছিয়ে ভারত

বুস্টারে পিছিয়ে ভারত

কিছু দিকে এগিয়ে থাকলে, পিছিয়ে থাকার দিকও রয়েছে। তবে বুস্টার ডোজ নেওয়ার ক্ষেত্রে ভারত পিছিয়ে রয়েছে বিশ্বের অন্য দেশগুলির তুলনায়। এই মুহূর্তে ভারত বেশি জনসংখ্যার দেশগুলির মধ্যে বুস্টার ডোজের ক্ষেত্রে ১০ ম স্থানে রয়েছে। যেখানে ব্রাজিলে ১০০ জনে ৫৭ জন এবং আমেরিকায় ৪০ জন বুস্টার ডোজ নিয়েছেন, সেখানে ভারতে নিয়েছেন মাত্রা ১৬ জন। গত ৩১ অক্টোবরের নিরিখে দেশের ৯৪ কোটি প্রাপ্ত বয়স্কের মধ্যে ৭১.৯ কোটি তখনও বুস্টার ডোজ নেননি।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+