অরুণাচল নিয়ে চিনকে ফের মোক্ষম জবাব ভারতের! বেঙ্কাইয়া নাইডুর সফর নিয়ে চরমে কূটনীতি
লাদাখের পর উত্তরাখণ্ড ও সম্প্রতি অরুণাচল প্রদেশে লালফৌজ নিজের জওয়ান পাঠিয়ে কার্যত সংঘাতের আবহ টিকিয়ে রাখার পক্ষেই রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। একদিকে সদ্য উত্তরাখণ্ডের বারহোতিতে ১০০ জন চিনা জওয়ান ঘোড়া ছুটিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করতে চেয়েছিল বলে জানা যায়। এরপর অরুণাচল প্রদেশ সীমান্তেও একই ঘটনা ঘটেছে বলে খবর। এরপর দুই পক্ষের সেনার মধ্যে সম্পর্ক সেভাবে ভালো নেই। এদিকে দুটি ভিন্ন পরিস্থিতিতে দুই পক্ষের সেনার মধ্যস্থতায় সীমান্তে খানিকটা স্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, এবার অরুণাচল প্রদেশ নিয়ে ফের একবার রক্তচক্ষু দেখাতে শুরু করেছে চিন।

চিন জানিয়েছে, 'চিনা সরকার কোনও দিনই অরুণাচল প্রদেশকে ভারতের অংশ বলে মনে করেনি।' একই সঙ্গে চিনের দাবি, অরুণাচল প্রদেশে কোনও ভারতীয় নেতার সফর মানতে চাইছে না চিন। উল্লেখ্য, সামনেই দেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট বেঙ্কাইয়া নাইডুর সফর রয়েছে। আর সই সফরেরই বিরোধিতায় রয়েছে চিন। চিনের দাবি অবৈধভাবে ভারত অরুণাচল প্রদেশ দখলে রেখেছে। পাশাপাশি চিনের হুঁশিয়ারি, যে অরুণাচল নিয়ে ভারতের কোনও পদক্ষেপ যদি ভয়াবহ হয়, তাহলে তা পরিস্থিতি আরও বিপাকে ফেলে দিতে পারে। চিনের দাবি, অরুণাচল সীমান্তে যাতে শান্তি বজায় থাকে, তার জন্য ভারতের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। এরপরই এর মোক্ষম জবাব দেয় ভারত। ভারতের তরফে সাফ ভাষায় বলে দেওয়া হয়েছে, 'অরুণাচল প্রদেশ হল ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ।' বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি বলেন, 'ভারতের যে কোনও মন্ত্রীই অরুণাচল প্রদেশে সফর করেন, যেমন তাঁরা বাকি রাজ্যে সফর করে থাকেন। ' এর সঙ্গেই অরিন্দম বাগচি জানিয়েছেন যে, আশা করা হবে, চিন যে এই বিষয়ে নিয়ে ভাবনার থেকেও বেশি লাদাখের সীমান্ত পরিস্থিতি আরও সুন্দর করতে উদ্যোগ নেন। পরিস্থিতি যেন সেখানে স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ হয়, সেদিকে তাকানোর দিকে খেয়াল রাখার বার্তা দিয়েছে ভারেতর বিদেশমন্ত্রক।
এর আগে , লাদাখ পরিস্থিতি নিয়ে সদ্য ভারত ও চিন দুই পক্ষের মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে সেনা পর্যায়ের আলোচনা। এর আগে উত্তরাখণ্ডের বারাহোতিতে ১০০ জন সেনা নিয়ে প্রবেশ করে লালফৌজ বলে খবর। মুহূর্তে তাদের মোক্ষম জবাব দিয়ে দেশের মাটি ছাড়া করে ভারতীয় সেনা। এদিকে, ততক্ষণে উত্তরাখণ্ডর একটি ব্রিজ ক্ষতিগ্রস্ত করে দিয়ে যায় ওই লালফৌজ সেনারা। এরপর খবর আসে অরুণাচল প্রদেশ থেকে। সেখানে ২০০ জন চিনা সেনার জওয়ার প্রবেশ করে যায় বলে খবর । এরপর বহু চিনা সেনাকে বহুক্ষণ ভারতের জওয়ানরা আটকে রাখেন বলে খবর। তারপর দুই তরফের সেনা পর্যায়ে বৈঠক হওয়ার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। অশান্তির আবহে ছেদ পড়ে প্রাথমিকভাবে বলে জানা যায়। তবে এরপর অরুণাচল নিয়ে চিনে বক্তব্য নিয়ে রীতিমতো তোলপাড় শুরু হয়ে যায়।












Click it and Unblock the Notifications