Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

কোটি কোটি টাকার জালিয়াতি মোদী-রাজ্যে! ডায়মন্ড কারখানার ২৩ ইউনিটে আয়কর হানা

আয়কর দফতরের নজর পড়ল এবার গুজরাতের হীরা প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সংস্থার উপর। মোদী-রাজ্য গুজরাতের ডায়মন্ড ফ্যাক্টরির ২৩টি ইউনিটে হানা দেয় আয়কর বিভাগ।

আয়কর দফতরের নজর পড়ল এবার গুজরাতের হীরা প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সংস্থার উপর। মোদী-রাজ্য গুজরাতের ডায়মন্ড ফ্যাক্টরির ২৩টি ইউনিটে হানা দেয় আয়কর বিভাগ। ডায়মন্ড ফ্যাক্টরিতে কোটি কোটি টাকার কর ফাঁকির অভিযোগের তদন্তে অভিযানে নামে আয়কর দফতর। ২২ সেপ্টেম্বর থেকে অভিযান এখনও চলছে বলে জানিয়েছেন আয়কর আধিকারিকরা।

কোটি কোটি টাকার জালিয়াতি মোদী-রাজ্যে! আয়কর হানা

গত ২২ সেপ্টেম্বর হীরা প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সংস্থার ২৩টি ইউনিটে তল্লাশি শুরু করে আয়কর দফতর। গুজরাটের সুরাট, নওসারি, মরবি ও ওয়াঙ্কানে এবং মহারাষ্ট্রের মুম্বইয়েও এই হীরে ব্যবসা চলে। ইউনিট ধরে ধরে অভিযান চালাচ্ছেন আয়কর আধিকারিকরা। অভিযান এখনও চলবে বলে আয়কর দফতরের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আয়কর দফতরের পাওয়া তথ্যের প্রাথমিক বিশ্লেষণ থেকে জানা যায় যে, মূল্যায়নকারী এখন পর্যন্ত প্রায় ৫১৮ কোটি টাকার ছোট পালিশ করা হীরের বেহিসেবি ক্রয় এবং বিক্রয়ের হদিশ পেয়েছে। এ তথ্যও জানা গিয়েছে যে, উৎপাদন কার্যক্রম থেকে প্রায় ৯৫ কোটি ডলারের বেশি হীরের স্ক্র্যাপ বিক্রি করা হয়েছে, যা হিসাবহীন এবং আয়ের হিসাববহির্ভূত।

মূল্যায়নকারী প্রায় ২৭৪২ কোটি ছোট হীরা বিক্রির হিসাব পেয়েছে। যার উল্লেখযোগ্য অংশ নগদে ক্রয় করা হয়েছিল। কিন্তু ক্রয়ের বিলগুলি আবাসনে আসা প্রদানকারীদের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছিল। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অভিযান চলাকালীন ১.৯৫ কোটি টাকা মূল্যের বেহিসাবি নগদ ও গয়না বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং বেআইনিভাবে ১০.৯৮ কোটি মূল্যের ৮৯০০ ক্যারেট অপরিশোধিত হীরের মজুত করে রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
বিপুলসংখ্যক লকার চিহ্নিত করা হয়েছে। কর বিভাগের নীতিনির্ধারক সংস্থা বলেছে, গ্রুপটি হংকং-এ নিবন্ধিত কোম্পানির মাধ্যমে আমদানি এবং বড় হীরের রফতানির ব্যবসা করছে। শুধুমাত্র ভারত থেকে তা নিয়ন্ত্রিত এবং পরিচালিত হয়। মূল্যায়নকারীরা জানতে পেরেছেন, এই সংস্থার মাধ্যমে গত দু-বছরে ১৮৯ কোটি টাকার হীরে ক্রয় এবং ১০৪০ কোটি বিক্রি করা হয়েছে।

আয়করের আধিকারিকরা রিয়েল এস্টেট চুক্তির আর্থিক লেনদেন থেকে জানতে পেরেছেন আরও তথ্য। ৮০ কোটি টাকার বেহিসেবি আয় শনাক্ত করা হয়েছে। টাইলস ব্যবসার সাথে সম্পর্কিত শেয়ারের বিক্রয় লেনদেনগুলিও পরীক্ষা করা হয়েছিল। তা থেকে ৮১ কোটি টাকার বেহিসেবি আয় শনাক্ত করা হয়েছে।

অভিযানকারী দলগুলি কাগজ এবং ডিজিটাল ডেটা বাজেয়াপ্ত করেছে। এইসব বিশ্বস্ত কর্মচারীদের হেফাজতে গোপন স্থানে রাখা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে হিসাববিহীন ক্রয়-বিক্রয়ের প্রমাণ। আবাসনে প্রবেশে নগদ প্রাপ্তি, সংস্থাগুলির মাধ্যমে নগদ ও স্টক স্থানান্তর, সম্পত্তি এবং স্টক ক্রয়ের মতো অগণিত আয়ের বিনিয়োগের প্রমাণ রয়েছে গত পাঁচ বছর ধরে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+