আইনি পদ্ধতিতে এনকাউন্টার হলে বেশি খুশি হতাম, দাবি জাতীয় মহিলা কমিশনারের
আইনি পদ্ধতিতে এনকাউন্টার হলে বেশি খুশি হতাম, দাবি জাতীয় মহিলা কমিশনারের
হায়দরাবাদ মহিলা পশু চিকিৎসকের ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত চারজনই বৃহস্পতিবার পুলিশি এনকাউন্টারে মারা যায়। গোটা দেশের অধিকাংশরাই পুলিশের এই পদক্ষেপে বেশ খুশি হলেও, জাতীয় মহিলা কমিশনের (এনসিডব্লিউ) চেয়ারপার্সন রেখা শর্মা জানিয়েছেন যে এনসিডব্লিউ সবসময় দ্রুত বিচার ও মৃত্যুদণ্ডই চেয়েছে। তবে তা আইনি পদ্ধতিতে। নিজের হাতে আইন তুলে নয়।

শুক্রবার ভোররাতে হায়দরাবাদ ধর্ষণ কাণ্ডের চারজন অভিযুক্ত পুলিশি হেফাজত থেকে পালাতে গিয়ে এনকাউন্টারে মারা যায়। রেখা শর্মা এ প্রসঙ্গে বলেন, 'একজন সাধারণ নাগরিক হিসাবে আমার আনন্দ হচ্ছে যে এটাই তো আমরা চেয়েছিলাম। কিন্তু এই মৃত্যুটা যদি আইনি পদ্ধতির মধ্য দিয়ে হতো, তাহলে আরও বেশি খুশি হতাম। এটা হওয়া উচিত কিন্তু যথাযথভাবে।’ তিনি আরও বলেন, 'আমরা সবসময়ই দাবি জানিয়ে এসেছি অভিযুক্তদের মৃত্যুদণ্ডের ও দ্রুত বিচারের। কিন্তু অভিযুক্তদের এনকাউন্টারে হত্যা করা হয়েছে। তাই কোন পরিস্থিতিতে এনকাউন্টার করা যায় তা পুলিশের চেয়ে ভালো বিচার কেউ করতে পারে না।’ এনসিডব্লিউ চেয়ারপার্সনের মতে, এনকাউন্টার সবসময় ঠিক সিদ্ধান্ত হয় না, কিন্তু এই মামলায় অভিযুক্তরা পুলিশের অস্ত্র নিয়ে পালাচ্ছিল, তাই এরকম পরিস্থিতিতে পুলিশ এনকাউন্টারের সিদ্ধান্তকেই সঠিক বলে মনে করেছে।
বৃহস্পতিবার উন্নাওয়ের এক ধর্ষিতাকে জীবন্ত পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এ বিষয়ে রেখা শর্মা কি ভাবছেন তা প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, 'সাত বা ১০ দিনের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের উচিত এই মামলাটি শোনার। কিন্তু এই ঘটনার তদন্ত এখনও বাকি আছে। আমি বিশ্বাস করি পুলিশ ভুল করেছে। কারণ তারা অভিযুক্তদের জামিনের কোনও বিরোধিতা করেনি।’ তিনি আরও বলেন, 'জামিন দেওয়ার সময় আমাদের বিচার পদ্ধতিরও ভাবা উচিত। এ ধরনের অপরাধে ক্ষেত্রে দৃঢ় ও শক্তভাবে অপরাধীর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো দরকার। এ ধরনের অপরাধে জামিন না দেওয়াই শ্রেয়।’












Click it and Unblock the Notifications