সমঝোতা চূড়ান্ত! মহারাষ্ট্রে কত আসনে লড়াই করতে পারে বিজেপি?
নভেম্বর মাসে মহারাষ্ট্রে বিধানসভা নির্বাচন। সেই নিয়ে শাসক শিবিরে প্রস্তুতি তুঙ্গে। আসন বণ্টন নিয়েও চূড়ান্ত পর্ব চলছে বলে খবর। প্রাথমিকভাবে মহারাষ্ট্রের শাসক শিবিরে আসন বণ্টন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়ে গিয়েছে। এখন শিলমোহর দেওয়া বাকি। এমন কথাও শোনা গিয়েছে।
মহারাষ্ট্রে মহাদ্যুতি জোট ক্ষমতায় আছে৷ বিজেপি, একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বাধীন শিবসেনা ও অজিত পাওয়ারের নেতৃত্বাধীন জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টি (এনসিপি) জোটবদ্ধ। তাদের মধ্যে আসন বণ্টন সম্পূর্ণ বলে খবর।

তবে এই মহারাষ্ট্র নির্বাচনে জোটের মধ্যে সব থেকে বেশি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে বিজেপি। সূত্র মোতাবেক, বিজেপি ১৫০ থেকে ১৫৫ টি আসনে লড়াই করবে। শিবসেনা লড়বে ৯০ থেকে ৯৫ টি আসনে। এছাড়াও অজিত পাওয়ারের নেতৃত্বাধীন জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টি (এনসিপি) লড়বে ৪০ থেকে ৪৫ টি আসনে।
আসন ভাগাভাগি চূড়ান্ত করতে জোটের নেতাদের মধ্যে কয়েক দফা বৈঠক হয়েছে। ভোটের তারিখ ঘোষণা এখনও হয়নি। আর আগে জোটের আসন ভাগাভাগি সম্পূর্ণ। সেই বিষয়ে ঘোষণা করার মতো অবস্থানও থাকবে৷ অধিকাংশ আসনের বণ্টন শেষ হয়েছে। প্রায় ২৫ টি আসনের জন্য কয়েক দফা আলোচনার প্রয়োজন হবে। এমনই খবর পাওয়া যাচ্ছে।
এবার বিরোধীদের চাপ যথেষ্ট বেশি৷ লোকসভা নির্বাচনে বিরোধীরা ভালো ফল করেছে মহারাষ্ট্রে। সেজন্য প্রত্যেকটি আসন নিয়েই চুলচেড়া আলোচনা হচ্ছে৷ বিরোধীদের সামনে কোনও সামান্য ঢিলেমিও করতে দিতে চাইছে না শাসক শিবির। প্রার্থীরা কতটা জেতার ক্ষমতা রাখেন? সেই বিষয়টি নজর রাখা হচ্ছে৷ পাঁচ থেকে দশ শতাংশ আসনে পরিবর্তন হতে পারে। সেই কথাও জানা গিয়েছে৷
২০১৯ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় মহারাষ্ট্রের অন্য রাজনৈতিক ছবি ছিল৷ শিবসেনা প্রধান ছিলেন উদ্ভব ঠাকরে। একনাথ শিন্ডে ছিলেন উদ্ভবের সৈনিক৷ অন্যদিকে অজিত পাওয়ার এনসিপি নেতা শরোদ পাওয়ারের সঙ্গে ছিলেন। কাকা - ভাইপোর রাজনৈতিক বিচ্ছেদ হয়। শিন্ডেও সাংসদ, বিধায়কদের নিয়ে শিবসেনা ভেঙে বেরিয়ে আসেন। নতুন সমীকরণ তৈরি হয়৷
বিরোধীরা ধাক্কা সামলে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন। এবার কোন সমীকরণ বাজি মাত করবে? সেই গুঞ্জন চলছেই।












Click it and Unblock the Notifications