কাজ হারাতে শুরু করেছেন বহু মানুষ! করোনার দ্বিতীয় স্রোতের তাণ্ডব শুরু কর্মসংস্থানে
কাজ হারাতে শুরু করেছেন বহু মানুষ! করোনার দ্বিতীয় স্রোতের তাণ্ডব শুরু কর্মসংস্থানে
করোনার প্রথম স্রোতে যেভাবে লকডাউন হয়েছে ভারতে, দ্বিতীয় স্রোতে সেই চিত্র দেখা যায়নি। তবে দ্বিতীয় স্রোতে লকডাউনের মতো বিধি বহু রাজ্যে কার্যকর হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দেশের স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে যেমন প্রবল ধাক্কা আসে, তেমনই দেশের আর্থিক ক্ষেত্রেও এর প্রবল প্রভাব পড়ে। একনজরে দেখা যাক, করোনার দ্বিতীয় স্রোতের জেরে দেশে কর্মসংস্থানে কতটা প্রভাব পড়ল।

কর্মহীন বহু!
পরিসংখ্যান বলছে, করোনার দ্বিতীয় স্রোতের জেরে শহরে ১৮ শতাংশ বেকাতরত্ব দেখা দিতে শুরু করেছে। ক্রমাগত বেকারত্বের পরিমাণ বাড়ছে শহরের জনবসতির মধ্যে। যা নিঃসন্দেহে একটি ভয়াবহ ঘটনা বলে মনে করছেন অনেকেই।

এক মাসে হু হু করে পড়েছে কর্মসংস্থান!
মে মাসের ২ তারিখে দেশরে দশরগুলিতে বেকারত্বের হার ছিল ১০.০৮ শতাংশ। এরপর ৩০ মে তা দাঁড়ায় ১৪.৭১ শতাংশে। পরবর্তীকালে মে মাসের শেষ হতেই দেখা যাচ্ছে শহরের জনসংখ্যার বিচারে কার্যত ১৮ শতাংশ মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। মনে করা হচ্ছে বহু শহরে লকডাউনের মতো কিছু পদক্ষেপের জেরে এমন পরিস্থিতি দেখা দিতে শুরু করেছে।

গ্রামের দিকে কী পরিস্থিতি
একদিকে শহরে যেমন কর্মহীনতা বাড়ছে, তেমনই বেকারত্বের অঙ্ক গ্রামের দিকে কমছে। গ্রামে গত সপ্তাহ পর্যন্ত বেকারত্ব ৫ শতাংশ পয়েন্ট নামে, যা আগে ৯.৫৮ শতাংশ ছিল। প্রসঙ্গত এমন করুণ পরিস্থিতিতে বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকদের যোগানও নামছে। গত ১৬ মের তুলনায় তা মে মাসের শেষের দিকে ৩৫.৬৯ শতাংশ নেমেছে। বিভিন্ন বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রামের দিকে কর্মসংস্থানের বিভিন্ন ধরনের ছদ্মবেশী রূপ থাকে। ফলে গ্রামের কর্মসংস্থানের ক্ষেক্রটি সেভাবে স্পষ্ট হয় না।

কেন এত মানুষ কাজ হারাচ্ছেন?
প্রসঙ্গত, বিশেষজ্ঞদের মতে লকডাউনের মতো কিছু পদক্ষেপের জেরে বহু মানুষের চাহিদার ক্ষেত্রে কমতি এসেছে। এই চাহিদার কমতির কারণ স্বাস্থ্য খাতে খরচ বেড়ে যাওয়া হতে পারে। আর তার জেরে উৎপাদন সেক্টরে বড় প্রভাব পড়েছে। ফলে কর্মহীন হচ্ছেন বহু মানুষ। তথ্য প্রযুক্তি বাদে বহু অসংগঠিত ক্ষেত্রে এই চরম প্রভাব দেখা যাচ্ছে। যার ফলে কাজ হারাচ্ছেন মানুষ।












Click it and Unblock the Notifications