করোনা কি মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেস সরকার বাঁচাতে পারল? সুপ্রিম শুনানির দিকে তাকিয়ে বিজেপি
করোনা ভাইরাস আপাতত দশ দিনের জন্য মধ্যপ্রদেশের কমলনাথ সরকারকে বাঁচাতে সক্ষম হয়েছে। তবে কংগ্রেসের এই 'চালের' বিরুদ্ধে এবার সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছে বিজেপি। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান সহ বিজেপির ১০ বিধায়ক ফ্লোর টেস্ট দ্রুত সম্পন্ন করতে সুপ্রিমকোর্টের কাছে দ্বারস্থ হয়েছিল সোমবারই। সেই মামলারই শুনানি আজ, বুধবার।

করোনা ভাইরাসের অজুহাতে ছুটি মধ্যপ্রদেশ বিধানসভা
মধ্যপ্রদেশের রাজ্যপাল লালাজি ট্যান্ডনের নির্দেশে সোমবারই মধ্যপ্রদেশের বিধানসভায় শক্তি পরীক্ষা ছিল মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথের। তবে করোনা ভাইরাসের করাণ দেখিয়ে ২৬ মার্চ পর্যন্ত মুলতুবি করা হয় অধিবেশন। আর এর জেরে পিছিয়ে যায় আস্থা ভোটও।

সুপ্রিমকোর্টের দ্বারস্থ বিজেপি
উল্লেখ্য, সোমবার আস্থা ভোট হওয়ার কথা থাকলেও তাজ্জব কথা যে বিধানসভার কার্যপ্রণালীতে কিন্তু এই বিষয়টি 'লিস্টেড' বা তালিকাভুক্ত ছিল না। যা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে যে, তবে কি কংগ্রেস আগের থেকেই আস্থা ভোট পিছিয়ে দেওয়ার কৌশল ঠিক করে রেখেছিল? আর এই অভিযোগ নিয়েই এবার সুপ্রিমকোর্টের দ্বারস্থ হয় বিজেপি।

রাজ্যপালের কাছে বিজেপির দাবি
এর আগে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে বিজেপির ১০৬ জন বিধায়ক দাবি করেন যে কংগ্রেস সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আস্থা ভোট করে নতুন সরকার গঠন করার প্রক্রিয়া শুরু হোক। এরপরই রাজ্যের রাজ্যপাল বিধানসভার অধ্যক্ষকে নির্দেশ দেন আস্থা ভোটের জন্য।

রাজ্যপাল-কংগ্রেস তরজা
তবে রাজ্যপালের এই নির্দেশকে ভালো চোখে দেখেনি কংগ্রেস। আস্থা ভোট নিয়ে দোনামনা দেখা যায় কংগ্রেসের অন্দরে। রাজ্যপালের নির্দেশকে অসাংবিধানিক আখ্যা দিয়ে কংগ্রেস বিধায়করা এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে বলেন কমলনাথকেই। এরপর একই সুরে কমলনাথ রাজ্যপালকে চিঠি লিখে জানিয়ে দেন, বিধানসভার অধ্যক্ষের উপর রাজ্যপালের কোনও কর্তৃত্ব নেই।












Click it and Unblock the Notifications