বিজেপি শাসিত রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী বদল! লোকসভার আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সওয়ালে 'চাপে' মোদী-শাহ জুটি
আজ হোক বা কাল, গোয়ায় নেতৃত্ব পরিবর্তনের কথা চিন্তা করতে হবে দলের নেতৃত্বকে। এমনটাই বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রীপদ নায়েক। গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর পারিকর গুরুতর অসুস্থ।
আজ হোক বা কাল, গোয়ায় নেতৃত্ব পরিবর্তনের কথা চিন্তা করতে হবে দলের নেতৃত্বকে। এমনটাই বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রীপদ নায়েক। গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর পারিকর গুরুতর অসুস্থ। অগ্নাশয়ের ক্যানসারের তিনি ভুগছেন বলে সূত্রের খবর। দীর্ঘ দেশের বাইরে চিকিৎসার পর দিল্লির এইমসে ভর্তি ছিলেন তিনি। ১৪ অক্টোবর রাজ্যে ফিরেছেন পারিকর। এরই কিছু দিনের মধ্যে রাজ্য থেকে নির্বাচিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এমন মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

কেন্দ্রীয় আযুষমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা শ্রীপদ নায়েক বলেন, রাজ্যে দলের নেতৃত্বে পরিবর্তন আজ কিংবা কাল করতেই হবে। তিনি বলেন, সবাই জানেন মুখ্যমন্ত্রীর স্বাস্থ্যের অবস্থা ভাল নয়। তিনি কোন পরিস্থিতিতে কাজ করছেন তা অনেকেই জানেন। এই মূহূর্তে গোয়ার দোনাপাওলার বাসভবনে সম্পূর্ণ বিশ্রামে রয়েছেন মনোহর পারিকর। সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, জুন মাস থেকে নিজের অফিসে অনুপস্থিত রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
আন্তর্জাতিক যোগা দিবস নিয়ে অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রীপদ নায়েক ছিলেন রাজধানী পানাজিতে। সেখানে প্রশ্নের উত্তরে মন্তব্য করেন তিনি।
গোয়ায় বিজেপির সঙ্গী মহারাষ্ট্রবাদী গোমন্তক পার্টি ( এমজিপি) এবং গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টি (জিএফপি) ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, যতদিন মনোহর পারিকর মুখ্যমন্ত্রী রয়েছেন, ততদিন তারা সমর্থন দিচ্ছেন।
৪০ আসনের গোয়া বিধানসভায় বিজেপির সদস্য সংখ্যা ১৪। বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারকে সমর্থন করছে এমজিপি এবং জিএফপি-র ৩ জন করে বিধায়ক। এছাড়াও ৩ নির্দল বিধায়ক মনোহর পারিকরের সরকারকে সমর্থন করছে। ফলে সরকারে টিকে থাকতে গেলে ২১ বিধায়কের সমর্থন জরুরি। সেই পরিস্থিতিতে মহারাষ্ট্রবাদী গোমন্তক পার্টি ( এমজিপি) এবং গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টি (জিএফপি)র সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ।
তবে রাজ্যে নেতৃত্ব পরিবর্তনের দাবি উঠলেও, বিজেপির তরফে তা বারবার অস্বীকার করা হচ্ছে। শ্রীপদ নায়েকই হলেন রাজ্য থেকে বিজেপির প্রথম নেতা, যিনি নেতৃত্ব পরিবর্তনের দাবি করলেন।












Click it and Unblock the Notifications