করোনা মোকাবিলায় প্রয়োজন ৭৫০০০ ভেন্টিলেটর, হাতে রয়েছে মাত্র ১৯,৩৯৮টি
করোনা মোকাবিলায় প্রয়োজন ৭৫০০০ ভেন্টিলেটর, হাতে রয়েছে মাত্র ১৯,৩৯৮টি
করোনা সংক্রমণ বাড়ছে গোটা দেশে। এই পরিস্থিতিতে আরও বেশি করে ভেন্টিলেটর এবং পিপিই প্রয়োজন। গোটা দেশে করোনা মোকাবিলায় ৭৫০০০ ভেন্টিলেটর প্রয়োজন। এদিকে হাতে রয়েছে মাত্র ১৯৩৯৮টি ভেন্টিলেটর। একই সংকট তৈরি হয়েছে পিপিই নিয়েও ২ কোটি পিপিই কিটের প্রয়োজন রয়েেছে।

চাহিদার তুলনায় ভেন্টিলেটরের যোগান কম
ভারতে করোনা সংকট ক্রমশ বাড়ছে। আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ছে। এই ভাইরাসে চিিকৎসায় সবচেয়ে জরুরি ভেন্টিলেটর। কারণ করোনা আক্রান্ত রোগীর শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। সেই শ্বাসকষ্ট কমাতেই ভেন্টিলেটরের প্রয়োজন পড়ে। ৭৫০০০ ভেন্টিলেটর হলে কাজের সুবিধা হয়। অথচ এখন মাত্র ১৯৩৯৮িট ভেন্টিলেটর। পরিস্থিতি সামাল দিতে তাই ৬০,৮৮৪িট ভেন্টিলেটরের অর্ডার দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন এমপাওয়ার গ্রুপের চেয়ারম্যান।

পিপিই কিটের চাহিদা বাড়ছে
করোনা মোকাবিলায় চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীদের পিপিই অত্যন্ত জরুরি। পর্যাপ্ত পিপিই না থাকার কারণে অনেক চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন। এই মুহূর্তে ২.০১ কোটি পিপিই কিটের প্রয়োজন দেশে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে ২.২২ কোটি পিপিই কিটের অর্ডার দেওয়া হয়েছে। দেশিয় বাজার থেকে ১.৪২ কোটি কিট তৈরি করানো হয়েছে। দিনে ১.৮৭ লাখ পিপিই কিট তৈরি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন এমপাওয়ার্ড গ্রুপের চেয়ারম্যান।

আরটি পিসিআরের চাহিদাও বাড়ছে
করোনা মোকাবিলায় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ িজনিস আরটি পিসিআর কিট। গোটা দেশে প্রায় ৩৫ লাখ এই কিটের প্রয়োজন। আইসিএমআর ইতিমধ্যেই ২১.৩৫ লাখ কিটের অর্ডার দিয়েছেন। এখনও পর্যন্ত ১৩.৭৫ লাখ কিট হাতে পাওয়া গিয়েছে। আরও আরটি-পিসিআর কিটের প্রয়োজন।












Click it and Unblock the Notifications