তিন রাজ্যে মারাত্মক সংক্রমণ! গুজরাতে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ইতিমধ্যে ১৫ শিশুর মৃত্যু
গুজরাত-সহ কয়েকটি রাজ্যে শিশুদের মধ্যে নয়া এক ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা গিয়েছে। যে কারণে নজরদারি চালানো হচ্ছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত এই ভাইরাসে গুজরাতে ১৫ টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ত্রিশের বেশি।
গুজরাতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রুশিকেশ প্যাটেল বলেছেন, এই ভাইরাস গত পাঁচ থেকে ছয় দিনে ছয়টি শিশুর মৃত্যুর কারণ বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। গুজরাত ছাড়াও রাজস্থানে দুই এবং মধ্যপ্রটদেশে একজনের আক্রান্তের খবর পাওয়া গিয়েছে।

গুজরাতের সবরকাঁথা, আরাবলি, মেহসানা, রাজকোট, আহমেদাবাদ শহর, মোরবি, পঞ্চমহল থেকে সংক্রমণের খবর পাওয়া গিয়েছে। রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দাবি রাজ্যে আক্রান্ত সবাই চিকিৎসা পেয়েছেন। নমুনা যাচাই করতে পুনের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজিতে পাঠানো হয়েছে।
- কীসের মাধ্যমে ছড়ায়
চণ্ডীপুরা ভাইরাস হল এক ধরনের আরবোভাইরাস যা Rhabdoviridae পরিবার ভুক্ত। যা প্রাথমিকভাবে ফ্লেবোটোমাইন স্যান্ডফ্লাই এবং কখনও কখনও মশার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। শিশুদের মধ্যেই এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে এই ভাইরাস শিশুদের মধ্যে অসুস্থতা বৃদ্ধি করেছে বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।
- কবে প্রথম শনাক্ত
এই ভাইরাস ভারতে প্রথম শনাক্ত করা হয় ১৯৬৫ সালে। মহারাষ্ট্রের চণ্ডীপুরা গ্রামে প্রথম এই ভাইরাস পাওয়ায়, সেই জায়গার নামানুসারে এই ভাইরাসের নাম রাখা হয়েছে।
- রোগের লক্ষণ
রোগের লক্ষণের মধ্যে রয়েছে বেশি জ্বর, ডায়ারিয়া, বমি, খিঁচুনি। লক্ষণ শুরু হওয়ার ২৪ থেকে ৭২ ঘন্টার মধ্যে রোগীর মৃত্যু হতে পারে। সাধারণভাবে নয় থেকে বারোমাস বয়সী শিশুদের প্রাভাবিত করে। গ্রামীণ এলাকায় বেশি দেখাা যায়। এই ভাইরাস কতটা মহামারীর রূপ নিতে পারে তা এখনও বোঝা যায়নি। ভারতে বিক্ষিপ্তভাবে বিভিন্ন জায়গায় এই ভাইরাসের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গিয়েছে।
দ্রুত সংক্রমণ এবং আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুর হার বেশি হওয়ার কারণে এই রোগ জনস্বাস্থ্যে চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।
- রোগ ঠেকানোর উপায়
ভেক্টর নির্মূল করতে কীটনাশক স্প্রে করা যেতে পারে। পাশাপাশি স্যান্ডফ্লাই নিয়ন্ত্রণ করে ভাইরাসের বিস্তার রোধ করা যেতে পারে। মশারি ব্যবহার এবং লম্বা হাতার পোশাক পরতে হবে। এছাড়াও রোগের ঝুঁকি এবং লক্ষণ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিও রোগ ছড়ানো ঠেকাতে পারে। তবে রোগটি ছোঁয়াচে নয়।
- চিকিৎসা পদ্ধতি
এর নির্দিষ্ট কোনও অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসা বা ভ্যাকসিন নেই। প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ ধরা পড়লে, তা জটিলতা দূর করতে সাহায্য় করে। গুরুতর লক্ষণযুক্ত রোগীদের বিশেষ করে শিশুদের হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হয়। বমি বেশি হলে শরীরে জলের পরিমাণ ঠিক রাখতে নজরদারির প্রয়োজন।
-
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
ভবানীপুরে আজ শক্তি প্রদর্শনে বিজেপি, শুভেন্দুর মনোনয়নে সঙ্গী অমিত শাহ -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
'খুব দ্রুত যুদ্ধ শেষ করব'! ইরান ইস্যুতে কড়া বার্তা মার্কিন প্রেসিডেন্টের, কী বললেন? -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
মালদহের অশান্তি নিয়ে বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুলল মমতা, সুতির সভা থেকে শান্তির বার্তা -
বসন্তের শেষে বাড়ছে পারদ! গরমে কী নাজেহাল হবে শহরবাসী? কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস? জানুন -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ












Click it and Unblock the Notifications