গান্ধীজির মৃত্যু দিবসে কৃষক আন্দোলনে নতুন জোয়ার, গাজিপুর সীমান্তে বন্ধ ইন্টারনেট, উত্তেজনা দিল্লি সীমান্তে
গান্ধীজির মৃত্যু দিবসে কৃষক আন্দোলনে নতুন জোয়ার, গাজিপুর সীমান্তে বন্ধ ইন্টারনেট, উত্তেজনা দিল্লি সীমান্তে
নতুন করে কৃষক আন্দোলনে শান দিতে শুরু করেছেন বিক্ষুব্ধ কৃষকরা। মহাত্মা গান্ধীর মৃত্যু দিবসকে সামনে রেখে তাঁরা সাদ্ভাবনা দিবস উদযাপন করছেন। দিনভর অনশন করবেন কৃষকরা। এবার শান্তিপূর্ণ অবস্থান বিক্ষোভেই জোর দিচ্ছেন কৃষকরা। গতকালের পর গাজিপুর সীমান্তে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পাঞ্জাব-হরিয়ানা থেকে আরও কৃষকরা দিল্লির সীমান্তে কৃষকদের অবস্থান বিক্ষোভের স্থলে রওনা হয়েছে। লালকেল্লা অভিযানের পর কৃষকদের আন্দোলন নিয়ে যে তীব্র নিন্দার ঝড় উঠেছিল তার পর কৃষক আন্দোলন ঝিমিয়ে পড়বে এমনই মনে করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার।

অনশনে কৃষকরা
গান্ধীজির মৃত্যু দিবসকে সামনে রেখে নতুন করে আন্দোলনে শান দিচ্ছেন কৃষকরা। দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভে নতুন করে শক্তি সঞ্চয় করতে শুরু করেছেন তাঁরা। গান্ধীজির প্রয়ান দিবসে সদ্ভাবনা দিবস হিসেবে উদযাপন করতে দিনভর অনশন করবেন কৃষকরা। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অনশন করবেন আন্দোলনরত কৃষকরা। সেই আন্দোলনে সামিল হতে ফের পাঞ্জাব-হরিয়ানা থেকে আরও কৃষকরা আসতে শুরু করেছেন অবস্থান বিক্ষোভ স্থলে।

বন্ধ ইন্টারনেট
লালকেল্লায় কৃষকদের অভিযানের পর গোটা দেশেই নিন্দার মুখে পড়েছিলেন কৃষকরা। সেই সুযোগ নিয়ে উত্তর প্রদেশ সরকার গাজিপুর সীমান্ত থেকে অবস্থানরত কৃষকদের উৎখাতের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তাই নিয়ে গতকাল বিকেল থেকে পুলিশের সঙ্গে ধুন্ধুমার কাণ্ড বাধে কৃষকদের। অবস্থান বিক্ষোভে অনড় কৃষকরা। উত্তেজনা থাকায় গাজিপুর সীমান্ত এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে রাখা হয়েছে।

শক্তি বাড়াচ্ছে কৃষক আন্দোলন
লালকেল্লা অভিযানের পর কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। সংসদের যৌথ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ প্রকাশ্যে কৃষকদের লালকেল্লা অভিযানের তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি বলেছেন জাতীয় পতাকার অবমাননা মেনে নেওয়া যায় না। তারপর থেকে নিন্দার ঝড় উঠেছে। কিন্তু দমতে রাজি নন কৃষকরা। উল্টে আরও শক্তি বাড়াতে শুরু করেেছন তাঁরা। ভাতিন্ডার ভির কুন্ড পঞ্চায়েত গ্রামের প্রত্যেক বাড়ি থেকে একজনকে কৃষক আন্দোলনে পাঠাতে শুরু করেছে।

সিঙ্গু সীমান্তে অশান্তি
গতকাল থেকে সিঙ্ঘু সীমান্তে স্থানীয়দের সঙ্গে বিক্ষোভ রত কৃষকদের বিবাদ বেধেছে। স্থানীয়রা কৃষকদের সেখান থেকে সরে যাওয়ার দাবিতে সরব হয়েছে। দীর্ঘ দেড়মাস ধরে কৃষকদের অবস্থান বিক্ষোভের কারণে তাঁদের রুটি-রুজিতে সমস্যা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। এই নিয়ে কৃষকদের সেখান থেকে সরে যাওয়ার জন্য বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছেন স্থানীয়রা। পাল্টা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছেন কৃষকরাও। তাঁরা অবস্থান বিক্ষোভে অনড়। এলাকা ছেড়ে যেতে নারাজ।












Click it and Unblock the Notifications