করোনা সঙ্কট ও আর্থিক মন্দা ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে মে মাস, জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা
করোনা সঙ্কট ও আর্থিক মন্দা ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে মে মাস, জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা
লকডাউনের সময়সীমা ধার্য হয়েছে ৩ রা মে পর্যন্ত। আর এরই মধ্যে বিশেষজ্ঞদের মতে, মে মাসই করোনা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। কঠোরভাবে ভিড় নিয়ন্ত্রণ না করলে ও গ্রীনজোন বাদে অন্যান্য জায়গায় নাগরিকদের ঘরবন্দি না রাখতে পারলে বিপদ আরও বাড়বে।

লকডাউন চলাকালীন অর্থনীতি চাঙ্গা করতে পদক্ষেপ
সোমবার প্রধানমন্ত্রী রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীদের সাথে বৈঠক করে লকডাউন চলাকালীন যাতে অর্থনীতি সম্পূর্ণ ধ্বসে না পড়ে, তা নজরে রাখার নির্দেশ দেন। বুধবার কেন্দ্রীয় সূত্রে জানান হয়, গ্রীন জোনগুলিতে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দিলেও সম্পূর্ণ ছাড় এখনই নয়।

করোনা রুখতে গুরুত্বপূর্ণ মে মাস
চিকিৎসক সূত্রে খবর, লকডাউনের জেরে রেডজোনগুলিতে আক্রান্তের সংখ্যা কমলেও আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে অরেঞ্জ-গ্রীনজোনে আক্রান্তের সংখ্যা। ফর্টিস নয়ডার ফুসফুস বিশেষজ্ঞ ডঃ রাজেশ কুমার গুপ্তা জানিয়েছেন, "লকডাউনের ফলে সংক্রমণের গতি কমে, ভাইরাস মরে না। ফলে রেডজোনগুলিতে আরও দু'সপ্তাহ লকডাউন প্রয়োজন।" তিনি আরও জানান, "করোনা রুখতে যা করার এই মে মাসেই করতে হবে কারণ হাতে সময় বড় কম।" ফুসফুস বিশেষজ্ঞ ডঃ অরবিন্দ কুমারের কথায়, "ধর্মীয় স্থান থেকে শপিং মল, সবই বন্ধ রাখতে হবে। গ্রীন জোনের অঞ্চলগুলিকে চিহ্নিত করে সেগুলির সীমান্ত বন্ধ রাখতে হবে যাতে রেডজোন থেকে সংক্রমণ ছড়াতে না পারে।"

বিশেষজ্ঞরাও তাকিয়ে মে মাসের দিকে
চিকিৎসক মহলের মতে, করোনাকে এখনও সহজভাবে নেওয়া সময় আসেনি। লকডাউন উঠিয়ে নিলে সংক্রমণ হাতের বাইরে চলে যেতে পারে বলে মত সকলের। ভারতে এখন আক্রান্তের সংখ্যা ৩৩,০৫০ জন ও মৃতের সংখ্যা ১০৭৪। যদিও অন্যান্য উন্নত দেশের থেকে প্রতি ১০০০ জন মৃত পিছু আক্রান্তের সংখ্যায় ভারত অনেকটাই এগিয়ে, ফলত করোনা মোকাবিলায় ভারতের পদক্ষেপ প্রশংসা কুড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। ২৪ শে মার্চ থেকে শুরু হয়ে লকডাউন বর্ধিত হয়েছে ৩ রা মে পর্যন্ত। বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, মে মাস করোনা মোকাবিলার জন্যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে কারণ ভারতে আক্রান্তের হার কমে এসেছে কিছুটা যা নির্ধারণ করবে মে মাসে লকডাউন আবারও বর্ধিত হবে কি না।












Click it and Unblock the Notifications