বাস কিনতে বেনিয়মের অভিযোগ, দিল্লির পরিবহণ দফতরের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের অনুমোদন
বাস কিনতে বেনিয়মের অভিযোগ, দিল্লির পরিবহণ দফতরের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের অনুমোদন
নতুন করে দিল্লি সরকারের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের অনুরোধের অনুমোদন দিলেন লেফটেন্যান্ট গভর্নর ভি কে সাক্সেনা। জুন মাসে টেন্ডার ও বাস কেনার ক্ষেত্রে বেনিয়মের অভিযোগের ভিত্তিতে মুখ্যসচিব নরেশ কুমার দিল্লি সরকারের পরিবহর দফতরের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের অনুরোধ করেছিলেন। তিনি দিল্লি সরকারের পরিবহণ দফতরের ১০০০টি লো ফ্লোর বাস কেনার ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে এসেছিলেন।

দিল্লির পরিবহণ দফতরের বিরুদ্ধে অভিযোগ
জুন মাসে ডিটিসি বাসের টেন্ডারিং ও ক্রয়ের ক্ষেত্রে কমিটির চেয়ারম্যান তথা দিল্লি পরিবহণ মন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়। লেফটেন্যান্ট গভর্নর অগাস্ট মাসে মুখ্য সচিবের কাছ থেকে একটি রিপোর্ট পান। সেখানে দিল্লির পরিবহণ দফতরের বিরুদ্ধে টেন্ডারিং ও বাস কেনার ক্ষেত্রে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে আসা হয়। রিপোর্টে বলা হয়, টেন্ডারিং ও বাস কেনার ক্ষেত্রে সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশনের নিয়মগুলো লঙ্ঘন করা হয়েছে। এছাড়াও ডিআইএমটিএস বা দিল্লি ইন্টিগ্রেটেড মাল্টি-মোডাল ট্রানজিট সিস্টেমকে পরামর্শদাতা হিসেবে নিয়োগ করা হয়, যার জেরে এই দুর্নীতি অনেকটাই সহজ হয়েছে। এছাড়াও দিল্লির ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশন কমিশনের একটি প্রতিবেদনে অসঙ্গতি রয়েছে বলে অভিযোগে জানানো হয়।

অভিযোগ অস্বীকার আপ সরকারের
পাল্টা দিল্লি সরকার দাবি করেছে, লেফটেনন্ট গভর্নর ভিকে সাক্সেনার বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। সেখান থেকে সাধারণ মানুষের দৃষ্টি ঘোরানোর জন্যই তিনি দিল্লি সরকারের বিরুদ্ধে একের পর এক তদন্তের অনুমোদন দিচ্ছেন। এর আগে দিল্লির তিনজন মন্ত্রীর (মুখ্যমন্ত্রী, উপমুখ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর) বিরুদ্ধে অযৌক্তিক অভিযোগ নিয়ে এসেছিলেন। এখন কাঠগোড়ায় দিল্লি সরকারের চতুর্থ মন্ত্রীকে আনার চেষ্টা করছে লেফটেন্যান্ট গভর্নর ভিকে সাক্সেনা। দিল্লি সরকার সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, যে টেন্ডার ও বাস কেনার অভিযোগ করা হচ্ছে, তা মিথ্যা। এই বাসগুলো কখনই কেনা হয়নি। টেন্ডারটি বাতিল করা হয়েছিল। দিল্লিতে একজন শিক্ষিত লেফটেন্যান্ট গভর্নরের প্রয়োজন।

আফগারি দফতরের বিরুদ্ধে তদন্ত
এর আগে দিল্লি সরকারের নয়া আফগারি নীতির বাস্তবায়নে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে আসা হয়েছিল। কাঠগোড়ায় তোলা হয়েছিল দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী তথা আফগারি মন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়াকে। তাঁর বাড়িতে সিবিআই ১৪ ঘণ্টা তল্লাশি চালায়। পাশাপাশি তাঁর ব্যাঙ্কের লকারে তল্লাশি চালায়। ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখান দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তিনি বলেন, সিবিআই সিসোদিয়ার বাড়ি ও ব্যাঙ্কের লকার থেকে এক টাকারও অবৈধ সম্পত্তি খুঁজে পায়নি।

বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ
আপের তরফে অভিযোগ করা হয়, গুজরাত নির্বাচনকে সামনে রেখে বিজেপি দিল্লিতে সরকার পতনের চেষ্টা করছে। সেই কারণেই সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্ত শুরু করা হয়। আপের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, দিল্লি সরকারের পতনের জন্য আপ বিধায়ক কেনার চেষ্টা করছে বিজেপি।












Click it and Unblock the Notifications