স্পা মাসাজের জন্য খোঁজ নিতেই মহিলা কমিশনারের কাছে চাঞ্চল্যকর তথ্য ধরা পড়ল
দিল্লি মহিলা কমিশনারের কাছে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য
সোশ্যাল মিডিয়া এমন এক প্ল্যাটফর্ম, যেখানে একদিকে এটি একে-অপরের সঙ্গে সংযোগ করায় আবার অন্যদিকে এটি বেআইনি কাজ করার অন্যতম প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়ে গিয়েছে। সেরকমই প্রমাণ পাওয়া গেল দিল্লির রাজ্য মহিলা আয়োগের কমিশনার স্বাতী মালিওয়ালের সঙ্গে হওয়া এক ঘটনার মধ্যে দিয়ে। তাঁর সঙ্গে ঘটে যাওয়া এই ঘটনা শুধু খারাপ ঘটনাই নয়, বরং আমরা কোন পথে যাচ্ছি তা ভাবতে হবে। আসলে স্বাতী মালিওয়াল জাস্ট ডায়ালে ফোন করে স্পা মাসাজের সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে চেয়েছিলেন, এরপর তাঁকে ১৫০-এর বেশি কলগার্লসের রেট জানানো হয়। যা শোনার পর রীতিমতো চমকে যান মহিলা কমিশনের কমিশনার।

স্বাতী মালিওয়ালের টুইট
এই খবর স্বাতী মালিওয়াল নিজে টুইট করে দিয়েছেন। স্বাতী মালিওয়াল তাঁর টুইটে বলেছেন, 'আমরা জাস্ট ডায়ালে ফোন করে নকল স্পা মাসাজ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করি, তখন আমাদের ফোনে এমন ৫০টি মেসেজ আসে যাতে ১৫০ টিরও বেশি মেয়ের রেট বলা হয়েছিল। আমি জাস্ট ডায়াল এবং দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চে সমন জারি করছি, এই ব্যবসার প্রচারে জাস্ট ডায়ালের ভূমিকা কী?

জাস্ট ডায়াল ও দিল্লি পুলিশকে সমন
দিল্লি রাজ্য মহিলা কমিশনের কমিশনার স্বাতী মালিওয়াল জানিয়েছেন যে এই মামলার তদন্ত দিল্লি পুলিশকেই করতে হবে তাই তাদেরকেই নোটিস পাঠানো হয়েছে। এই মামলায় জাস্ট ডায়াল নিজেই একটি পার্টি। স্বাতী মালিওয়াল বলেন, 'যতটুকু সম্ভব ব্যবস্থা নেব। দোষীদের শাস্তি হওয়া উচিত। এটা সহ্য করা হবে না।'

স্পা ও মাসাজ সেন্টার
জানা গিয়েছে যে দিল্লিতে স্পা ও ম্যাসাজ সেন্টরের নামে অনেক জায়গায় অবৈধ ব্যবসা চালানো হয়। পুলিশ সময় সময় এই জায়গাগুলিতে তল্লাশিও চাজানা গিয়েছে যে দিল্লিতে স্পা ও মাসাজ সেন্টরের নামে অনেক জায়গায় অবৈধ ব্যবসা চালানো হয়। পুলিশ সময় সময় এই জায়গাগুলিতে তল্লাশিও চালায়। প্রসঙ্গত, এই মাসাজ সেন্টারগুলিতে অল্প বয়স্ক বিভিন্ন মেয়েরা শুধুমাত্র অর্থ উপার্জনের কারণে কাজ করেন। গ্রাহকদের ফোনে ও হোয়াটসঅ্যাপে এইসব মেয়েরা নিজেদের রেট জানান এবং তারপর গ্রাহকরা তাঁদের পছন্দ অনুযায়ী মেয়ে বাছাই করেন। এরপর মাসাজ সেন্টারে বা গ্রাহকের বাড়িতেও এই মেয়েরা পরিষেবা দিতে আসেন। পরিষেবার আড়ালে চলে অবৈধ যৌনতা। যা বন্ধ করার জন্য কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে মহিলা কমিশনার। লায়। প্রসঙ্গত, এই ম্যাসাজ সেন্টারগুলিতে অল্প বয়স্ক বিভিন্ন মেয়েরা শুধুমাত্র অর্থ উপার্জনের কারণে কাজ করেন। গ্রাহকদের ফোনে ও হোয়াটসঅ্যাপে এইসব মেয়েরা নিজেদের রেট জানান এবং তারপর গ্রাহকরা তাঁদের পছন্দ অনুযায়ী মেয়ে বাছাই করেন। এরপর ম্যাসাজ সেন্টারে বা গ্রাহকের বাড়িতেও এই মেয়েরা পরিষেবা দিতে আসেন। পরিষেবার আড়ালে চলে অবৈধ যৌনতা। যা বন্ধ করার জন্য কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে মহিলা কমিশনার।
প্রতীকী ছবি












Click it and Unblock the Notifications