Cyclone Biparjoy: আছড়ে পড়তে চলেছে ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়! গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু তথ্য একনজরে
বৃহস্পতিবার সন্ধের মধ্যে আছড়ে পড়তে চলেছে ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয় (Cyclone Biparjoy)। এই ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে উপকূল এলাকায় বৃষ্টির তীব্র বাড়বে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। ইতিমধ্যে রাজ্য সরকার প্রায় একলক্ষ মানুষকে স্থানান্তরিত করেছে। রাজ্যের বেশ কয়েকটি জেলায় লাল ও কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
আবহাওয়া দফতরের দেওয়া তথ্য অনুসারে, বিকেল চারটে থেকে রাত আটটার মধ্যে এই ঘূর্ণিঝড় সৌরাষ্ট্র ও কচ্ছ এবং পাকিস্তানের করাচির মধ্যবর্তী মাণ্ডভির জাখাউ বন্দরের কাছে ল্যান্ডফল করবে। এই ঘূর্ণিঝড়কে আবহাওয়া দফতরের ( Cyclone Biparjoy) তরফে ক্যাটেগরি থ্রির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের ( Cyclone Biparjoy) সর্বোচ্চ বেগ হতে পারে ঘন্টায় ১১৫-১২৫ কিমি। বিকেলে এর গতিবেগ কিছুটা বাড়তেও পারে। পাশাপাশি এটি উপকূলের কাছাকাছি আসতেই বৃষ্টির তীব্রতা বাড়বে। যে কারণে দ্বারকা এবং জামনগর জেলার বিভিন্ন জায়গায় অতিভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।
প্রশাসনের তরফে উপকূল থেকে ১০ কিমির মধ্যে প্রায় ১২০ টি গ্রামের মানুষদের সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে। উপকূলের আটটি জেলা কচ্ছ, জামনগর, মোরবি, রাজকোট, দ্বারকা, জুনাগর, পোরবন্দর ও গির সোমনবাথের অস্থায়ী ত্রাণ শিবিরে রাখা হয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল ঘূর্ণিঝড়ের প্রস্তুতি (Cyclone Biparjoy) নিয়ে এদিনও পর্যালোচনা বৈঠক করেন।

পরিস্থিতির মোকাবিলায় এনডিআরএফ-এর আঠারোটি দল এবং এসডিআরএফের ১২ টি, রাজ্য সড়ক বিভাগের ১১৫ টি, বিদ্যুৎ বিভাগের ৩৯৭ টি দলকে উপকূলের বিভিন্ন জেলায় মোতায়েন করা হয়েছে। অন্যদিকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরপে জানানো হয়েছে গুজরাতের জনগণকে সাহায্য করতে তৈরি সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী, নৌবাহিনী ও উপকূলরক্ষী বাহিনীর জওয়ানরা।
পশ্চিম রেলের তরফে যাত্রী নিরাপত্তার কারণে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ৭৬ টি ট্রেন বাতিলক করার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। দ্বারকার দ্বারকাধীশ মন্দির এবং গির সোমনাথের সোমনাথ মন্দির এদিন ভক্তদের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে (Cyclone Biparjoy)।

ঝড়ের পাশাপাশি জোয়ারের কারণে সমুদ্রের ঢেউ ২-৩ মিটার উঁচু হতে পারে। কোনও কোনও জায়গায় তা ৩-৬ মিটার পর্যন্ত উঠতে পারে। যে কারণে উপকূলের মানুষজন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন এবং উপকূলের নিচু এলাকাগুলি প্লাবিত হতে পারে। এব্যাপারে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
আবহাওয়া দফতরের তরফে মৎস্যজীবীদের ১৬ জুন পর্যন্ত সমুদ্রে যাওয়ার ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ২০২১-এর মে মাসে তাউকাটের পরে দুবছরের মধ্যে রাজ্যে এটি দ্বিতীয় বড় ঘূর্ণিঝড় ( Cyclone Biparjoy)।












Click it and Unblock the Notifications