২৩১ দিনে দেশে সবচেয়ে কম রয়েছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, দুর্গাপুজো মিটতেই গ্রাফ কোনদিকে
করোনা পরিস্থিতি নিয়ে পুজোর মরশুমে উদ্বেগ থেকেই গিয়েছে। তবে তার মধ্যে স্বস্তির খবর দিয়ে যাচ্ছে দেশের করোনা গ্রাফ। শেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা গ্রাফ যেদিকে গিয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে ১৩ হাজার ০৫৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন করোনায়। সুস্থ হয়েছেন ১৯ হজার ৪৭০ জন। এদিকে শেষ একদিনে ১৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে, ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের দাপটে যখন পরিস্থিতি কার্যত ভয়ঙ্কর হয়েছে, তখন ইউকের মতো দেশে করোনা দানবীয় আকার নিতে শুরু করেছে। এদিকে, বিদেশের বুকে পরিস্থিতি ভয়াবহ হলেও ভারতে সেভাবে উদ্বেগের খবর নেই। গত কয়েকদিন ধরেই দেখা যাচ্ছে, উৎসবের মরশুম পার করেও দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজারের অনেক নিচে। গত কয়েকদিন করোনায় টানা ১৫ হাজারের নিচে রয়েছে আক্রান্তের সংখ্যা। যা নিঃসন্দেহে একটি বড় দিক। এদিকে, দুর্গাপুজোর সময় যেভাবে বহু জায়গায় কোভিড বিধিকে কার্যত শিকেয়ে তুলে ভিড় ও জমায়েত দেখা গিয়েছে, তাতে রীতিমতো ভয় পেয়েছেন অনেকেই। এই পরিস্থিতিতে দেশে সর্বমোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩,৪০,৯৪,৩৭৩ জন। করোনার জেরে অ্যাক্টিভ কেস ১,৮৩,১১৮ জন । গত ২২৭ দিনে অ্যাক্টিভ কেস করোনার সবচেয়ে কম এদিন। সংখ্যার বিচারে তা ১,৮৩,১১৮ জন। দেশে মোট সুস্থ হয়েছেন ৩,৩৪,৫৮,৮০১ জন। এই জায়গা থেকে দুর্গাপুজোর ১৪ দিন পর গ্রাফ কোনদিকে যায় সেদিকে নজর রয়েছে গোটাা দেশের।
উল্লেখ্য, কেরলে ওনাম উৎসবের পর থেকে রীতিমতো হু হু করে বেড়ে গিয়েছিল সেখানের করোনা গ্রাফ। সেখানে উৎসবের গ্রাফ উঠতেই দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যার ৫০ শতাংশের জন্যই দায়ী হয়ে গিয়েছিল কেরল। তবে ধীরে ধীরে কেরলের করোনা গ্রাফ নামতে থাকায় দেশে খানিকটা স্বস্তি ফিরেছে। এদিকে, গতকালের রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৯,৫৮২ জন। অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা এখন ১,৮৯,৬৯৪ জন। এদিকে করোনা পরিস্থিতির মাঝে যাতে আর ভ্যালু কমতির দিকে চলে যায়, তার জন্য ভ্যাকসিনেশন খুবই জরুরি। আর এই ভ্যাকসিনেশনের গতি যাতে কোনও মতেই মন্থর না হয়ে যায় , তার জন্য চেষ্টায় রয়েছে দেশ। উল্লেখ্য, গণেশ চতুর্থীর পর মহারাষ্ট্রে ও কেরলে কমতে দেখা যাচ্ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। যার ফলে দেশের সাার্বিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যায় কমতি দেখা গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications