কুম্ভের সঙ্গে করোনাকে জোড়া হিন্দুত্বের অপমান! ধর্মগুরুদের ক্ষোভ প্রকাশে বাড়ছে রাজনৈতিক তরজা
কুম্ভের সঙ্গে করোনাকে জোড়া হিন্দুত্বের অপমান! ধর্মগুরুদের ক্ষোভ প্রকাশে বাড়ছে রাজনৈতিক তরজা
করোনা দ্বিতীয় ঢেউয়ে কার্যত দিশাহীন ভারত। বর্তমানে আক্রান্তের সংখ্যায় খানিক পারাপতন লক্ষ্য করা গেলেও জারি রয়েছে মৃত্যুমিছিল। এদিকে গোটা উত্তর ভারতের করোনা পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক। এদিকে এর জন্য অনেকেই আবার হরিদ্বারের কুম্ভমেলাকে কাঠগড়ায় তোলেন। এবার তাতেই তেলেবেগুনে রেগে উঠল একাধিক হিন্দু সংগঠন।

কুম্ভ নিয়ে বাড়ছে রাজনৈতিক তরজা
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, করোনার বাড়বাড়ন্তের জেরে যখন গোটা দেশে কড়া বিধিনিষেধের কথা বলছিল কেন্দ্র তখন কার্যত সেবহের তোয়াক্কা না করেই চলে কুম্ভমেলা। এমনকী সমস্ত করোনা বিধিকে বুড়ে আঙুল দেখিয়ে শাহি স্নান উপলক্ষে ১২ এপ্রিল হরিদ্বারে প্রায় ৩৫ লক্ষের বেশি মানুষের জমায়েত হয় বলে জানা যায়। সরকারি পরিসংখ্যান বলছে এপ্রিলের ১৪ তারিখ পর্যন্ত যা ছিল ১৩.৫১ লক্ষ।

কুম্ভের পরেই উত্তরাখণ্ডে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ১৮০০ শতাংশ বেড়ে যায়
এদিকে এই কুম্ভমেলার জেরে গত মাসেই উত্তরাখণ্ডে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বেড়ে যায় প্রায় ১৮০০ শতাংশ। এমনকী দেশে করোনার বাড়বাড়ন্তের জন্য কুম্ভ-রমজানকেই কাঠগড়ায় তোলেন খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। যদিও সরব হলেও বিধি লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ তৎপরতা দেখা যায়নি কেন্দ্রের তরফে। যা নিয়ে শুরু থেকেই সরব বিরোধীরা।

ভাবাবেগে আঘাত হানতেই কুম্ভমেলা ও হিন্দুত্বকে কাঠগড়ায় তোলা হচ্ছে
এদিকে হিন্দু সংগঠনগুলির দাবি ধর্মী ভাবাবেগে আঘাত হানতেই কুম্ভমেলা ও হিন্দুত্বকে কাঠগড়ায় তোলা হচ্ছে। এর পিছনে রয়েছে গভীর ষড়যন্ত্র। এটা হিন্দু ধর্মের অপমান বলেও তাদের দাবি। জুনা আখড়ার স্বামী আবেদেশানন্দ গিরি বলেছেন কুম্ভ ভারতের মূল্যবোধ, সংস্কৃতি এবং এর সংবেদনশীলতার প্রতীক। এর সঙ্গে করোনাকে জুড়ে দেওয়ার চেষ্টা আদপে তাদের উপরেই আক্রমণ।

টুলকিটকে অস্ত্র করেছে কংগ্রেস, দাবি রামদেবের
অন্যদিকে নয়া টুলকিট কাণ্ডের জেরে এই বিষয়ে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন যোগগুরু রামদেবও। 'টুলকিটের' সাহায্যে যে ভাবে অপ্রচার চালানো হয়েছে তা সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলেই মনে করছেন তিনি। আর এই ঘটনার মূল কাণ্ডারী কংগ্রেস।। তারাই গোপনে টুলকিটকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছে বলে দাবি এই বিতর্কিত যোগগুরুর।

মহাকুম্ভই ‘সুপার স্প্রেডার’
বর্তমানে কংগ্রেসের লোগো দেওয়া যে টুলকিট নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতর চলছে তা নিয়ে গেরুয়া শিবিরের দাবি মোদী সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতেই এই কাজ করা হয়েছে। তাই দলীয় কর্মীদেক ভারতীয় স্ট্রেনকে 'মোদি স্ট্রেন' লেখার নির্দেশ দিয়েছে। এমনকী হিন্দুদের ধর্মীয় ভাববেগে আঘাত হানতেই মহাকুম্ভকে 'সুপার স্প্রেডার' হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে কংগ্রেস।












Click it and Unblock the Notifications