কংগ্রেস-সিপিএম জোট করে লড়বে বিধানসভা নির্বাচনে! বিজেপিকে হারাতে বদল সমীকরণে
ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচন দুয়ারে কড়া নাড়ছে। ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নির্বাচন হওয়ার কথা। যে কোনও দিন ঘোষণা হয়ে যেতে পারে ভোটের দিনক্ষণ। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, এবার ত্রিপুরায় কি কংগ্রেস ও সিপিএম জোট করে লড়বে?
ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচন দুয়ারে কড়া নাড়ছে। ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নির্বাচন হওয়ার কথা। যে কোনও দিন ঘোষণা হয়ে যেতে পারে ভোটের দিনক্ষণ। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, এবার ত্রিপুরায় কি কংগ্রেস ও সিপিএম জোট করে লড়বে? তৃণমূল বা টিপ্রার অবস্থানই বা কী হবে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা।
কংগ্রেস হাইকম্যান্ড চাইছে বিজেপির বিরুদ্ধে সিপিএমের সঙ্গে জোট করে ত্রিপুরায় লড়াই করতে। সম্প্রতি ত্রিপুরার দায়িত্বপ্রাপ্ত এআইসিসি প্রতিনিধি দীপা দাশমুন্সি এ বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছেন। সম্মতি রয়েছে কংগ্রেসে ঘরওয়াপসি হওয়া ত্রিপুরার অন্যতম প্রধান নেতা সুদীপ রায় বর্মনেরও।

কিন্তু তবু কংগ্রসের একাংশ এখনও দ্বিধাবিভক্ত। কারণ এতদিন সিপিএমের সঙ্গেই তাঁদের আদর্শগত লড়াই ছিল। সিপিএম শাসনের অবসান ঘটাতে গত নির্বাচনেও তাঁরা লড়েছিলেন। এই অবস্থায় কংগ্রেসের একাংশ একা লড়াপ পক্ষপাতী। কিন্তু বাধ সেধেছে বিজেপি।
কংগ্রেস হাইকম্যান্ড এবং প্রদেশ কংগ্রেসের সিংহভাগ মনে করছে, বিজেপিকে হারাতে হলে সিপিএমের সঙ্গে জোট করে লড়াই শ্রেয়। বিরোধী ভোট ভাগ করা যাবে না। প্রকারান্তরে কংগ্রেস চাইছে অন্যদেরও তাঁদের জোটে শামিল করতে। কিন্তু সিপিএমকে সঙ্গে নিলে টিপ্রা যদিও বা কংগ্রেসের জোটে শামিল হয়, তৃণমূল কোনওমতেই আসবে না।
কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন এই প্রথন সিপিএমের সঙ্গে জোট নিয়ে মুখ খুলেছেন। তিনি বলেছেন, সিপিএমের সঙ্গে যাতে কোনও নতুন করে সংঘাতের আবহ তৈরি না হয়, তার জন্য একসঙ্গে চলার দরকার। বিজেপিকে হারাতে গেলে সিপিএণকে সঙ্গে নিয়েই তাদের চলতে হবে। তা না হলে সমস্ত লড়াই বৃথা হতে পারে।
কংগ্রেসের সঙ্গে জোটকে চূড়ান্ত করতে সিপিএমও তৎপর। সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি শীঘ্রই রাজ্যে এসে রাজ্য কমিটির নেতাদের সঙ্গে কথা বলে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে চাইছেন। মানিক সরকারও জোটের পক্ষে। তিনিও জোটের বিরোধিতা করেননি।
ত্রিপুরায় বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই এক নতুন সমীকরণের জন্ম হয়েছে। বিজেপির বিরুদ্ধে কংগ্রেস তেকে সিপিএম, তৃণমূল এবং টিপ্রা এককাট্টা। সব দলেরই একটাই অ্যাজেন্ডা বিজেপি শাসনের অবসান। ফসে সিপিএমের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের লড়াই এখন গৌণ হয়ে গিয়েছে। এখন বিজেপিকে মহাশত্রু ভেবে কংগ্রেস ও সিপিএম হাত ধরাধরি করে চলতে চাইছে।
কংগ্রেস ও সিপিএম যদি হাত ধরাধরি করে চলে, তবে কোনও পার্টির শীর্ষ নেতৃত্ব আপত্তি করবে না। আফত্তি আসতে পারে রাজ্যস্তর থেকে। সেইসঙ্গে কংগ্রেস ও সিপিএম পাকাপাকিভাবে জোট করার আগে ভাবছে, তারা জোট করলে কতখানি ফায়দা হবে। সেইসঙ্গে এই অঙ্কও তারা কষছে বিজেপিকে হারাতে আর কাজদের শামিল করা জরুরি। কংগ্রেস এখন টিপ্রাকে নিয়েও ভাবছে।












Click it and Unblock the Notifications