এশিয়ান সেঞ্চুরি নিয়ে জয়শঙ্করকে সমর্থন চিনের, সীমান্ত সমস্যার সমাধান কোন পথে
ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের পর্যবেক্ষণের সঙ্গে সহমত পোষণ করল চিন। এর ফলে কি সীমান্ত সমস্যার আশু সমাধান হবে, সেটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন। সমস্যার সমাদান কোন পথে সম্ভব, সেই বার্তাও দিয়েছিলেন জয়শঙ্কর।
ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের পর্যবেক্ষণের সঙ্গে সহমত পোষণ করল চিন। এর ফলে কি সীমান্ত সমস্যার আশু সমাধান হবে, সেটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন। সমস্যার সমাদান কোন পথে সম্ভব, সেই বার্তাও দিয়েছিলেন জয়শঙ্কর। তাঁর প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করে চিন এখন সেই পথ অনুসরণ করে কি না, সেটাই দেখার।

কী বলেছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী? যার সঙ্গে সহমত পোষণ করল চিন। জয়শঙ্কর বলেছিলেন, ভারত ও চিন হাত না মেলালে এশিয়ান সেঞ্চুরি ঘটতে পারে না। তিনি বলেছিলেন, পূর্ব লাদাখ সীমান্তে অচলাবস্থা কাটাতে দুই দেশকে আলোচনার টেবিলে বসতে হবে। সম্প্রতি ব্যাঙ্ককে একটি সেমিনারে অংশ নিয়ে চিনের উদ্দেশে বিশেষ বার্তা দিয়েছিলেন জয়শঙ্কর।
'ইন্ডিয়াজ ভিশন অফ দ্য ইন্দো-প্যাসিফিক' বিষয়ক আলোচনা সভায় বক্তৃতা দেওয়ার পর একাধিক প্রশ্নের উত্তরে জয়শঙ্কর বলেছিলে বেজিংয়ের পর ভারত ও চিনের মধ্যে সম্পর্ক একটি অত্যন্ত কঠিন পর্যায়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দুই প্রতিবেশী দেশ হাত না মেলাতে পারলে এশিয়ান সেঞ্চুরি ঘটবে না।
পূর্ব লাদাখে চিনা ও ভারতীয় সেনারা দীর্শ সময় ধরে সংঘর্ষে লিপ্ত রয়েছে। প্যাংগং হ্রদ এলাকায় হিংসাত্মক সংঘর্ষের পরে ৫ মে শুরু হওয়া অচলাবস্থা সমাধানের জন্য উভয় পক্ষ ১৬ দফা কর্পস কমান্ডার স্তরের আলোচনা করছে। জয়শঙ্করের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে চিনের পরারাষ্ট্র মন্ত্রকের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন বলেন, একজন চিনা নেতা একবার বলেছিলেন, চিন এ ভারত যদি সঠিক উন্নয়ন না করতে পারে, তবে এশিয়ান সেঞ্চুরি ঘটতে পারে না। এবার সেই কথা বললেন ভারতের বিদেশমন্ত্রীও। এদিন চিনা মুখপাত্রের কথায় উঠে এল জয়শঙ্করের কথার সমর্থন।
চিনা মুখপাত্র বলেন, একটি সত্যিকারের এশিয়া প্যাসিফিক সেঞ্চুরি বা এশিয়ান সেঞ্চুরি তখনই ঘটতে পারে যখন চিন এবং ভারত অন্যান্য দেশগুলি সঠিক উন্নয়ন অর্জন করতে পারে। চিন এবং ভারত দুটি প্রাচীন সভ্যতা, দুটি উদীয়ান অর্থনীতি এবং দুটি বড়ো প্রতিবেশী দেশ। তাই এই দুই দেশের হাত মেলানো জরুরি।
ওয়াং বলেন, চিন ও ভারতের মধ্যে পার্থক্যের থেকে অনেক বেশি সাধারণ স্বার্থ রয়েছে। দুই প্রতিবেশী একে অপরকে হুমকি দেওয়ার থেকে একে অপরকে শক্তিশালী করার বুদ্ধি ও পরামর্শ দেওয়া জরুরি। আর তারা যদি হাতে হাত রেখে চলে, তবে স্থিতিশীল উন্নয়নের পথে অনেক এগিয়ে যাবে দুই দেশ।












Click it and Unblock the Notifications