আন্দোলকারী কৃষকদের 'হিংস্র পাগল' বলে আখ্যা, দশম শ্রেণীর পরীক্ষাপত্র ঘিরে বিতর্ক
২৬ জানুয়ারি কৃষক আন্দোলন ঘিরে অরাজক পরিস্থিতি দেখা দিয়েছিল দিল্লিতে। সেই ইস্যুতেই ইংরেজি বিষয়ের পরীক্ষায় একটি 'সম্পাদকের উদ্দেশে চিঠি' লিখতে বলা হয়েছিল ছাত্রদের। সেখানেই প্রশ্নপত্রে 'হিংস্র পাগল' বলে আখ্যা দেওয়া হয় কৃষকদের। পাশাপাশি সেই ঘটনাকে 'বহিরাগতদের উস্কানিতে হিংসাত্মক কার্যকলাপ' বলেও উল্লেখ করা হয়। শুধু তাই নয়, চিঠিতে এ ধরনের তাণ্ডব রুখতে কী ধরনের পদক্ষেপ করা উচিত সে সম্পর্কেও দু'এক কথা লিখতে বলা হয়েছে।

কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন মহাত্মা গান্ধীর নাতনি
এদিকে এর আগে বিক্ষোভস্থলে গিয়ে কৃষকদের সঙ্গে দেখা করে আসেন অহিংশার প্রতীক মহাত্মা গান্ধীর নাতনি তারা গান্ধী ভট্টাচার্য। ১৩ ফেব্রুয়ারি দিল্লি-উত্তরপ্রদেশ সীমানার গাজিপুরে গিয়ে আন্দোলনরত কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দেন তিনি। কৃষকদের সঙ্গে দেখা করে ১৮৫৭ সালের ব্রিটিশ শাসনের কথা স্মরণ করেন ৮৪ বছরের তারা গান্ধী ভট্টাচার্য। তাঁর কথায়, স্বাধীনতার দাবিতে প্রথম সেই আন্দোলন শুরু হয়েছিল পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের মেরঠ থেকে।

শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার জন্য কৃষকদের কাছে আর্জি
জাতীয় গান্ধী মিউজিয়ামের চেয়ারপার্সন তারা গান্ধী ভট্টাচার্য শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার জন্য কৃষকদের কাছে আর্জি জানিয়েছেন। কৃষক সম্প্রদায়ের দাবিদাওয়ার প্রতি যত্নবান হওয়ার জন্য কেন্দ্রের কাছেও আবেদন করেছেন তিনি। তাঁর সঙ্গে গাজিপুরে গিয়েছিলেন গান্ধী স্মারক নিধির চেয়ারম্যান রামচন্দ্র রাহী, অল ইন্ডিয়া সর্ব সেবা সংঘের ম্যানেজিং ট্রাস্টি অশোক শরণ, গান্ধী স্মারক নিধির অধিকর্তা সঞ্জয় সিংহ ও জাতীয় গান্ধী মিউজিয়ামের অধিকর্তা এ আন্নামালাই।

'কোনও রাজনৈতিক দলের কর্মসুচি নিয়ে আসিনি'
'আমরা কোনও রাজনৈতিক দলের কর্মসুচি নিয়ে এখানে আসিনি। আমরা কৃষকদের জন্য এসেছি। যাঁরা সারা জীবন ধরে আমাদের খাওয়াচ্ছেন। আপনাদের জন্যই আমরা আছি। কৃষকদের স্বার্থ সুরক্ষিত হলে আমাদের সবার ও গোটা দেশের স্বার্থ সুরক্ষিত হবে।' গান্ধী-পৌত্রী এ কথাই বলেছেন বলে দাবি করেছে ভারতীয় কিষান ইউনিয়ন (বিকেইউ)।












Click it and Unblock the Notifications