Chandrayaan 3: হঠাৎ কোনও অঘটন ঘটলে কী হবে? কোন ব্যাকআপ প্ল্যান তৈরি রেখেছে ISRO
Chandrayaan 3: পর পর দুটি চাঁদ অভিযান ভেস্তে গিয়েছে শেষ বেলায়। বিশেষ করে চন্দ্রযান-২য়েরক অঘটন সকলেরই মনে আছে। তাই অতি সাবধানী ইসরো এবার তৈরি করে রেখেছে ব্যাকআপ প্ল্যান। চন্দ্রযান-৩র চাঁদে অবতরণের সময় যদি কোনও অঘটন ঘটে তাহলে কী করা হবে সেসব ছকে রেখেছেন বিজ্ঞানীরা।
আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। িবকেল সাড়ে ৫টা থেকে শুরু হবে ইসরোর চাঁদে অবতরণের প্রক্রিয়া। সবচেয়ে কঠিন এবং বিপজ্জনক সময় শুরু হবে চাঁদের মাটি ছোঁয়ার ১৫ মিনিট আগে থেকে। কারণ চাঁদে অবতরণের শেষ ৩০ কিলোমিটার পথ সবচেয়ে বিপজ্জনক বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। কারণ। চন্দ্রযান-২র ক্ষেত্রে এই ৩০ কিলোমিচার পথের মধ্যেই ঘটেছিল অঘটন।

এবার সফট ল্যান্ডিংয়ের পথ বেছে নিয়েছে ইসরো। ঠিক সন্ধে ৬টা ৪ মিনিটে চাঁদের মাটি ছোঁয়ার কথা চন্দ্রযান-৩র। সেকারণে এখন প্রায় যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে কাজ হচ্ছে ইসরোর কন্ট্রোল রুমে। গোটা বিশ্ব এখন তাকিয়ে রয়েছে ভারতের দিকে। একচুল ভুল হলেই সব গেল। বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিট থেকে শুরু হবে সফট ল্যান্ডিং প্রক্রিয়া।
ইসরোর স্পেস অ্যাপলায়েন্সের ডিরেক্টর নীলেশ দেশাই জানিয়েছেন, যদি অবতরণের প্রক্রিয়া চলাকালীন চন্দ্রযান-৩র মধ্যে কোনও কিছু অস্বাভাবিক বলে মনে হয় বিজ্ঞানীদের সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা ল্যান্ডিং পিছিয়ে দেবেন। সেক্ষেত্রে ২৭ অগাস্ট ল্যান্ডিং করানো হবে চন্দ্রযান-৩কে। কারণ এবার আর তাঁরা কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। পর্যাপ্ত পরিমানে জ্বালানি রয়েছে চন্দ্রযান-৩তে। গতবার বিক্রম প্রচণ্ড গতির কারণে আছড়ে পড়েছিল চাঁদের মাটিতে যার জেরে ছিটকে বেরিয়ে গিয়েছিল চন্দ্রযান-২। এবার তাই বারবার সফট ল্যান্ডিংয়ের উপরেই জোর দিয়েছেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা।
ধাপে ধাপে সাজিয়ে রাখা হয়েছে পুরো প্রক্রিয়া। চাঁদ থেকে ৬.৮ কিলোমিটার দূরে চন্দ্রযান-৩র উপরে নজর রাখবেন দুই বিজ্ঞানী। তারপরের পর্যায়ের নজরদারি চালাবেন আরও ২ বিজ্ঞানী। চাঁদের মাটি থেকে ১৫০-১০০ মিটার দূরে যখন থাকবে চন্দ্রযান-৩ তখন ল্যান্ডারের সেন্সার ক্যামেরা কাজ করতে শুরু করবে। সেই সেন্সার ক্যামেরাই চাঁদের মাটি এবং আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ করে আগাম আঁচ নিয়ে রাখবে। সেখানে কোনও বাধা বা প্রতিকূল পরিস্থিতি রয়েছে কিনা সেটা খতিয়ে দেখার পর শুরু হবে সফট ল্যান্ডিং প্রক্রিয়া।












Click it and Unblock the Notifications