প্রশ্নফাঁসের কথা পরীক্ষা শুরুর আগেই জেনেছিল সিবিএসই, তাও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তদন্তে উঠে এল আসল তথ্য
সিবিএসই তদন্তে উল্লেখযোগ্য মোড়। দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির অঙ্ক ও অর্থনীতির প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়ে সিবিএসই-র কাছে খবর ছিল।
সিবিএসই তদন্তে উল্লেখযোগ্য মোড়। দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির অঙ্ক ও অর্থনীতির প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়ে সিবিএসই-র কাছে খবর ছিল। তবে জেনেশুনেও কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। প্রাথমিক তদন্তে এমন তথ্যই সামনে এসেছে। আগে থেকে জেনেও কোনও ব্যবস্থা নেয়নি সরকার বা সিবিএসই কর্তৃপক্ষ। এর দায় কার? উঠছে প্রশ্ন।

আগেই আগে মেল
জানা গিয়েছে, পরীক্ষা শুরুর প্রায় ৯ ঘণ্টা আগে ২৭ তারিখ রাত ১টা ৪০ মিনিট নাগাদ (কার্যত ২৮ মার্চ) সিবিএসই কর্তৃপক্ষ ১২টি ছবির ইমেল পান। সেখানে দশম শ্রেণির অঙ্ক পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের ছবি ছিল। পুরোটাই হাতে লেখা। সব জেনেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা হয়েছে।

৩০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ
এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত পুলিশ ৩০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। যার মধ্যে ১১জন স্কুল পড়ুয়া ও সাতজন কলেজের প্রথম বর্ষের পড়ুয়া রয়েছে। এছাড়া সিবিএসই পরীক্ষার ইনচার্জকেও জেরা করা হয়েছে।

প্রশ্ন ফাঁসের তদন্ত
কন্ট্রোলার অব দ্য এক্সামিনেশনকে প্রশ্ন করা হয় পরীক্ষার সময় প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা কেমন ছিল সেটাই ক্রাইম ব্রাঞ্চের অফিসাররা জনতে চেয়েছেন। যাতে কীভাবে প্রশ্ন ফাঁস হল তা বের করা যায়।

অভিভাবকদের জেরা
পুলিশ কিছু অভিভাবককেও জেরা করেছে। যাদের কাছে আগে থেকে প্রশ্নপত্রের খবর পৌঁছে গিয়েছিল ও যারা প্রশ্নপত্র টাকা দিয়ে কিনেছিলেন।

দাম ৩৫ হাজার
প্রথমে বেরনোর পরে প্রশ্নপত্রের দাম ছিল ৩৫ হাজার টাকা। পরে অভিভাবকেরাই সেই প্রশ্ন বেচতে শুরু করলে দাম কমে ৫ হাজারে নেমে যায়।

পড়ুয়াদের কথা ভেবে পরীক্ষা
পুলিশের বক্তব্য, দিল্লিতে অন্তত ১ হাজার পড়ুয়া ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র আগে থেকে হাতে পেয়ে গিয়েছিল। তারপরই পরীক্ষা বাতিল হয়ে যায়। অঙ্ক ও অর্থনীতির পরীক্ষার দিন পরে ঘোষণা করা হবে। সিবিএসই প্রধান অনিতা কারওয়াল জানিয়েছেন, ছাত্রছাত্রীদের সুবিধার কথা ভেবেই ফের পরীক্ষা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

স্যোশাল মিডিয়ায় প্রশ্ন
এফআইআরে বলা হয়েছে, মার্চের ২৩ তারিখ অর্থাৎ দ্বাদশ শ্রেণির অর্থনীতির পরীক্ষার দুদিন আগে স্যোশাল মিডিয়া হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্নফাঁস হয়ে ঘুরছিল।












Click it and Unblock the Notifications