দিল্লির কোচিং সেন্টারে IAS পরীক্ষার্থীদের মৃত্যু, তদন্তের দায়িত্ব CBI-কে দিল হাইকোর্ট
দিল্লিতে আইএএস কোচিং সেন্টারের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তভার সিবিআইকে দিল দিল্লি হাইকোর্ট। দুই বিচারপতির বেঞ্চ শুক্রবার এই নির্দেশ দেয় বলে জানা গিয়েছে। গত সপ্তাহে দিল্লির রাজেন্দ্র নগরে আইএএস কোচিং সেন্টারে মর্মান্তির মৃত্যু হয় তিন আইএএস পরীক্ষার্থীর।
শুক্রবার দিল্লি হাইকোর্টে ছিল মামলার শুনানি। বিচারপতি মনমোহন এবং বিচারপতি তুষার রাওয়ের বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে। দুর্ঘটনার গতি প্রকৃতি কি ছিল তা নিয়ে তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট। দিল্লি পুলিশের হাত থেকে তদন্তভার সিবিআইকে দেওয়া হয়েছে।

সেই সঙ্গে সিবিআই তদন্তে কীভাবে চলছে সেটা খতিয়ে দেখার জন্য সেন্ট্রাল ভিজিলেন্স কমিশন তৈরি করা হয়েছে। তারা এই দিকটি নজরে রাখবে। ইতিমধ্যেই পুলিশ কোচিং সেন্টারের মালিক এবং ডিরেক্টরকে গ্রেফতার করেছে। কোচিং সেন্টারের বেসমেন্টে জল ঢুকে যে ভাবে তিন পড়ুয়ার মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে সেটা কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না।
গত ২৩ জুলাই দিল্লিতে প্রবল বর্ষণ চলছিল। সেসময় কোচিং সেন্টারের বেসমেন্টে হুড়মুড়়িয়ে জল ঢুকে পড়ে। সেই জলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিন জন পড়ুয়ার মৃত্যু হয়। সকলেই আইএএস পরীক্ষা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। সেই কোচিং সেন্টারে সেজন্য প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন তাঁরা। ঘটনার পর দিল্লি পুরসভার সামনে গিয়ে বিক্ষোভ দেখান পড়ুয়ারা। পুরসভার নিয়ম না মেনেই এই সব কোচিং সেন্টারগুলি দিল্লিতে কাজ করছে বলে অভিযোগ করেছিলেন পড়ুয়ারা।
এই দুর্ঘটনার জন্য আম আদমি পার্টি সরকারকে দায়ী করেছিলেন দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর। তিনি সরাসরি ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন। পুলিশ তদন্তে নেমে কোচিং সেন্টারের মালিক এবং ডিরেক্টরকে গ্রেফতার করে। দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষের করার কথা বলেছিল পুলিশ।
কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও আইএএস পড়ুয়াদের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছিলেন। তিনি অভিযোগ করেছিলেন এই ভাবে দিনের পর দিন দিল্লিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনা বা়ড়ছে এটা মেনে নেওয়া যায় না বলে আক্রমণ শানিয়েছিলেন কংগ্রেস নেতা।












Click it and Unblock the Notifications