ওমিক্রন ঠেকাতে কার্যকর জনসন অ্যান্ড জনসনের বুস্টার ডোজ
ওমিক্রন ঠেকাতে কার্যকর জনসন অ্যান্ড জনসনের বুস্টার ডোজ
দ্রুতগতিতে বিশ্বের একাধিক দেশে ছড়িয়ে পড়ছে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট। ভারতও তার ব্যতিক্রম নয়। আর বিশ্ব জুড়ে এই পরিস্থিতিতে এবার আশার আলো দেখাচ্ছে প্রায় শতাব্দীপ্রাচীন ওষুধ নির্মাণকারী সংস্থা জনসন অ্যান্ড জনসন। ওমিক্রন প্রতিরোধ করতে কার্যকর হচ্ছে জনসন অ্যান্ড জনসনের বুস্টার ডোজ। বৃহস্পতিবার দক্ষিণ আফ্রিকার একটি সমীক্ষায় উঠে এসেছে এমনই কিছু। সমীক্ষায় জানানো হয়েছে, জনসন অ্যান্ড জনসন এর বুস্টার ডোজটি হাসপাতলে ভর্তি হওয়া ৮৫ শতাংশ এর উপর প্রভাব পড়ছে। দক্ষিণ আফ্রিকার মেডিক্যাল রিসার্চ কাউন্সিল স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর পরীক্ষা করে দেখেছে। ৬৯ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী দুটি ডোজ নিয়েছেন। যারা টিকা পাননি, তাদের সঙ্গে তুলনা করে দেখেছেন তারা।

কতটা কার্যকর এই বুস্টার ডোজ?
১৫ নভেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই সমীক্ষাটি করা হয়েছে। সমীক্ষাটি যে সময় করা হয়েছে, সেই সময়ে ওমিক্রন পুরোমাত্রায় ছড়িয়ে পড়েছে গোটা বিশ্বে। আর এই মুহূর্তে করোনা ৮২ শতাংশ থেকে ৯৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে দুনিয়া জুড়ে। এর আগেই দাবি করা হয়েছিল যে, যে জনসন অ্যান্ড জনসনের সিঙ্গল ডোজ ভ্যাকসিন ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে কার্যকরী। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, সিঙ্গল ডোজ ভ্যাকসিন যে কোনও ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সক্ষম।করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ৮৫ শতাংশ কার্যকরী।

সমীক্ষায় প্রকাশিত তথ্য
নেদারল্যান্ডসের একটি সমীক্ষায় জানা গিয়েছে,কোভিড টিকাকরণের ফলে শরীরে যে সমস্ত টি-সেল তৈরি হয়েছিল সেটাই রক্ষা করছে ওমিক্রনের প্রভাব থেকে। খুব বেশি বাড়াবাড়ি পর্যায়ে পৌঁছতে পারছে না।যাঁরা সদ্য কোভিড থেকে সেরে উঠেছেন, ফাইজার বা জনসনের টিকা নিয়েছেন, তাঁদের শরীরের উপর সমীক্ষা চালিয়েই দেখা গিয়েছে টি-সেলগুলি ৭০-৮০ শতাংশ ওমিক্রনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সক্ষম।

অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা
সম্প্রতি টিকা প্রস্তুতকারী সংস্থা অ্যাস্ট্রাজেনেকার দাবি করেছিল, তাদের তৈরি টিকার তিন ডোজের কোর্স কোভিড-১৯-এর নতুন রূপ ওমিক্রনের বিরুদ্ধে যথেষ্ট কার্যকর। অ্যাস্ট্রাজেনেকা অক্সফোর্ডের সঙ্গে মিলিত ভাবে এই নয়া ভ্যাকসিন ভ্যাক্সজেভরিয়া তৈরি করছে। এই ভ্যাকসিনটি ওমিক্রণ এর বিরুদ্ধে শরীরে অ্যান্টিবডি বৃদ্ধি করার কাজ করবে। ভারতে তৈরি অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন কোভিশিল্ড, দক্ষিণ কোরিয়ায় তৈরি ভ্যাক্সজেভেরিয়া বাজারজাত করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, ডেল্টার থেকেও দ্রুত গতিতে ছড়াচ্ছে ওমিক্রন। হুড়মুড়িয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। দুদিনের মধ্যেই সংখ্যাটা দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে। নতুন এই ভ্যারিয়েন্টে উপসর্গ সেভাবে ধরা পড়ছে না। এতে আরও বাড়ছে বিপদ।












Click it and Unblock the Notifications