খাতৌলি মডেলে ভয়! যোগী রাজ্যে ২০২৪-এর লোকসভায় ১৪ আসনে ২০১৪-র অবস্থা ফেরাতে পরিকল্পনা বিজেপির
২০২৪-এ ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে লড়াই। উত্তর প্রদেশে প্রত্যেকটি আসন চাই বিজেপির। তার মধ্যে রয়েছে পশ্চিম উত্তর প্রদেশের আসনগুলিও।
২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির লক্ষ্য হল ৮০ টির মধ্যে সবকটিতেই জয়। সেই অনুযায়ী পরিকল্পনায় নেমে পড়েছে গেরুয়া শিবির। সরকারের উন্নয়নমূলক পরিকল্পনার পাশাপাশি চলছে সাংগঠনিক নানা কাজ। ২০২৪-এর লক্ষ্যে ২০১৯-এর ফল ছাড়াও বিধানসভা উপনির্বাচনের ফলও গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করছে গেরুয়া শিবির।

নজর পশ্চিম উত্তর প্রদেশে
উত্তর প্রদেশে ৮০-র মধ্যে ৮০ পেতে বিজেপি রাজনৈতিক সমীকরণ অনুযায়ী কাজ শুরু করেছে। এব্যাপারে তাদের নজর পশ্চিম উত্তর প্রদেশে। ২০১৪-র নির্বাচনে সেখানকার ১৪ আসনে তারা জয় পেলেও, ২০১৯-এর নির্বাচনে তা হয়নি। মুসলিম অধ্যুষিত সাহারানপুর, সম্ভল, রামপুর ছাড়াো দলিত অধ্যুষিক বিজনোর এবং নাগিনাতেও হেরেছিল বিজেপি।

জাঠ-মুসলিম সমীকরণ কোনওভাবেই নয়
বর্তমান পরিস্থিতিতে বিজেপি পশ্চিম উত্তর প্রদেশে জাঠ ও মুসলিম সমীকরণকে কোনওভাবেই শক্তিশালী হতে দিতে চায় না। মুসলিমদের টানতে বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চ মুজফফরনগরে স্নেহ মিলন সম্মেলনের আয়োজন করেছে। তবে পরবর্তী সময়ে শুধু মুজফফরনগরেই নয়, পশ্চিম উত্তর প্রদেশের বিভিন্ন লোকসভা এলাকায় এইধরনের সম্মেলনের আয়োজন করতে চলেছে তারা। লক্ষ মানুষের সামনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বড় বড় নেতাদের সঙ্গে মঞ্চ ভাগ করে নেবেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা এবং মন্ত্রীরা।

খাতৌলি মডেলে ভয়
২০২২-এ উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে ফের ক্ষমতায় ফেরেন যোগী আদিত্যনাথ। বিধানসভা নির্বাচনের সময় পশ্চিম উত্তর প্রদেশে জাঠ-মুসলিম জোট ব্যর্থ হলেও খাতৌলি উপনির্বাচনে জাঠ-মুসলিম জোটের কাছে পরাজয় থেকে শিক্ষা নেয় বিজেপি। উল্লেখ করা প্রয়োজন, ২০২২-এ খাতৌলিতে সেই উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী আরএলডির কাছে পরাজিত হয়। সেই উপনির্বাচনে জাঠ, মুসলিম ছাড়াও দলিত, গুর্জর ভোট পেয়ে বড় ব্যবধান তৈরি করেছিলেন আরএলডির জয়ন্ত সিং। সেই কারণে বিজেপি সেই খাতৌলি মডেলকে আর কোনও ভাবেই সফল হতে দিতে রাজি নয়।

২০২৪-এর লক্ষ্যে কীভাবে লড়াই
২০২৪-এর লক্ষ্যে বিজেপি নতুন জনসংযোগের কৌশল নিয়েছে। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, তারা বুথের দায়িত্ব সাংসদ ও বিধায়কদের হাতে তুলে দিয়েছে। এক্ষেত্রে একজন সাংসদকে ১০০ টি বুথ আর একজন বিধায়ককে ২৫ টি বুথের দায়িত্ব দিয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ নিজে পশ্চিম উত্তর প্রদেশে দায়িত্ব নিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। তিনি সরাসরি সুবিধাভোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করছেন। সেখানে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের ব্যাপারে নজর দেওয়া হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা উন্নতির কথা তুলে ধরে প্রত্যেকটি গ্রামে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা যাতে পৌঁছে যায়, তা জন্য নজর দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের অভ্যন্তরে আংশিক পরিবর্তনের ইঙ্গিতও মিলেছে।












Click it and Unblock the Notifications