সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাড়বাড়ন্ত বেশ উদ্বেগের কারণ, বিজেপি নেতা দিলেন এনআরসির বার্তা
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সংঙ্ঘবদ্ধতা ক্রমেই উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠছে। বিজেপির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক বি এল সন্তোষ শনিবার ভ্রমরের বাসার সঙ্গে তুলনা করেন এই সংখ্যালঘু একাগ্রতাকে।
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সংঙ্ঘবদ্ধতা ক্রমেই যেন আরও উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠছে। বিজেপির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক বি এল সন্তোষ শনিবার ভ্রমরের বাসার সঙ্গে তুলনা করেন এই সংখ্যালঘু একাগ্রতাকে।

সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাড়বাড়ন্ত
তিনি আরও যোগ করেন, সম্প্রদায়গুলি সমানভাবে ছড়িয়ে নেই দেশে। কোনও কোনও জায়গায় তারা সঙ্ঘবদ্ধ হচ্ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় সরকার ব্যবস্থা নেবে। তবে সরকার কী পদক্ষেপ নিতে পারে, তা স্পষ্ট করেননি তিনি। প্রবীণ নেতা বলেন, দক্ষিণ ভারতে খ্রিস্টান জনসংখ্যার ৫০ শতাংশ আর এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলে এটি ৩৭ শতাংশ বেড়েছে।

সংখ্যালঘুদের ঐক্যবদ্ধতায় উদ্বেগ
তিনি বলেন, কিছু কিছু অঞ্চলে সংখ্যালঘুদের ঐক্যবদ্ধতা উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। এই সমস্যার সমাধান করতে হবে। কেরালার মালাবার জেলা এই সমস্যার একটা উদাহরণ। এখানে মুসলিম জনসংখ্যার উচ্চ ঘনত্ব রয়েছে। এখন তারা পৃথক উত্তর মালবার রাজ্যের দাবি জানিয়েছে।

ধর্মীয় ভিত্তিতে এনআরসি নয়
কর্ণাটকেও এই দুটি সম্প্রদায়ের ঘনত্ব বেশি। এই অবস্থায় এনআরসি জরুরি। ন্যাশনাল রেজিস্টার অফ সিটিজেন তথা এনআরসি ধর্মীয় ভিত্তিতে মানুষকে টার্গেট করার হাতিয়ার নয়, বরং মানবিক ভিত্তিতে করা হচ্ছে এনআরসি। বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানে যে হিন্দুরা নির্যাতনের শিকার হয়েছিল, তারা এখানে আশ্রয় নিয়েছিল। এই লোকদেরই নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। ধর্মের সঙ্গে এর কোনও যোগসূত্র নেই।












Click it and Unblock the Notifications