NITI Aayog Meet: বাজেটে ঢেলে অনুদান বিহারকে, তারপরেও নীতি আয়োগের বৈঠকে যোগ দিলেন না নীতীশ
বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার যোগ দিলেন না নীতী আয়োগের বৈঠকে। এই নিয়ে তো একটু কানা ঘুসো শুরু হয়ে গিয়েছে। কারণ এবারের বাজেটে বিহারকে ঢেলে ঢেলে অনুদান দিয়েছে মোদী সরকার। তারপরেও কেন নীতি আয়োগের বৈঠকে যোগ দিলেন না তা নিয়ে চোখ চাওয়া চাইই শুরু হয়ে গিয়েছে।
তৃতীয় মোদী সরকারের প্রথম নীতি আয়োগের বৈঠক ছিল শনিবার। রাষ্ট্রপতি ভবনে সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়েছিল বৈঠকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া অবিজেপি রাজ্যের কোনও মুখ্যমন্ত্রী যোগ দেননি এই বৈঠকে। সকলেই বাজেটে বঞ্চনার অভিযোগে বৈঠক বয়কট করেছিলেন।

এদিকে নীতি আয়োগের বৈঠকে নীতীশের অনুপস্থিতি অনেকেরই নজরে পড়েছে। এতোকিছু পাওয়ার পরেও কেন নীতীশ নিজে এলেন না। ডেপুটিকে পাঠিয়ে দিলেন বৈঠকের জন্য। বিহারের দুই উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী এবং বিজয় কুমার সিনহা বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন। জানা গিয়েছে নীতি আয়োগের বৈঠকে নাকি মূল এজেন্ডা ছিল পণ্ডিচেরীর বাজেট নির্ধারণ করা। সেটা জানার পরেই নাকি বৈঠকে যোগ দিতে যেতে চাননি নীতীশ কুমার। তাঁর মনে হয়ছিল এই বৈঠকে তাঁর যোগ দেওয়ার খুব একটা প্রয়োজন নেই।
তৃতীয়বার মোদী সরকার গঠনে সমর্থন দিয়েছে নীতীশের দল। জেডিইউ এবং টিডিপির সমর্থন নিয়েই একপ্রকার সরকার টিকিয়ে রেখেছে মোদী। নইলে একা বিজেপি সরকার গড়ার মতো সংখ্যা গরিষ্ঠতা পায়নি। বাজেটে তাই দুই শরিককে একেবারে ভরিয়ে দিয়েছে মোদী সরকার। সবচেয়ে বেশি অনুদান পেয়েছে বিহার। বন্যা নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে পর্যটন, সড়ক সব দিক দিয়েই বিহারকে কোটি কোটি টাকা অনুদান দিয়েছে মোদী সরকার।
এদিকে এদিনের বৈঠকে বিরোধী দলের একমাত্র প্রতিনিধি ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর কোনও অবিজেপি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নীতী আয়োগের বৈঠকে যোগ দেননি। সকলেই নীতী আয়োগের বৈঠক বয়কট করছেন। তাঁদের অভিযোগ ছিল অবিজেপি রাজ্যগুলিকে বৈঠকে অবমাননা করা হয়েছে। বৈঠকে যোগ দিয়েও মাঝ পথে ওয়াক আউট করে বেরিয়ে আসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন তাঁর মাইক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। মাত্র ৫ মিনিট তাঁকে বলতে দেওয়া হয়।
যদিও কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ে এই অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছেন। উল্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মিথ্যে বলছেন এবং সাজিয়ে কথা বলছেন বলে অভিযোগ করেছেন। এরকম কোনও ঘটনাই ঘটেনি। তাঁর মাইক বন্ধ করা হয়নি। লাঞ্চের পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বলার কথা ছিল। তিনি সপ্তম বক্তা ছিলেন। কিন্তু তাড়াতাড়ি দিল্লি ছাড়বেন বলে বিশেষ অনুরোধ করেছিলে বলেই তাঁর বলার সময় এগিয়ে আনা হয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications