Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

জলপথে চিন-পাকিস্তানকে উত্তর দিতে প্রস্তুত ভারত, সফলভাবে উৎক্ষেপণ হল অরিহন্তের ব্যালিস্টিক মিসাইল

ভারত আজকে সফলভাবে ব্যালিস্টিক সাবমেরিন মিসাইল অরিহন্ত আজ সফলভাবে উৎক্ষেপণ করেছে। এটা ভারতের জন্য একটা বড় মাইল ফলক কারন আগে স্থির জলের নিচ থেকে এই মিসাইল পরীক্ষা করা হত। এবার সাবমেরিন নিজেই ক্ষেপনাস্ত্র প্রয়োগ করেছে।

জলপথে চিন-পাকিস্তানকে উত্তর দিতে প্রস্তুত ভারত, সফলভাবে উৎক্ষেপণ হল আরিয়াহান্তের ব্যালিস্টিক মিসাইল

সাবমেরিন থেকে ক্ষেপনাস্ত্র ভারতেকে নৌ পারমাণবিক ক্ষেত্রে লড়াই করতে সাহায্য করবে। জলের নীচে থেকে পাকিস্তান ও চিনকে টক্কর দিতে পারবে। এটা প্রমান করে যে এই অরিয়াহন্ত শ্রেণীর ক্ষেপণাস্ত্র সব দিক থেকে যোগ্য। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বলেছে সব কিছু দেখে সব বিবেচনা করে এই ক্ষেপনাস্ত্র প্রয়োগ করা হয়েছে। অপারেশনাল ক্ষ্মমতা এবং প্রযুক্তিগত বিষয়গুলি দেখে নেওয়া হয়েছে।

এটি আগেও পরীক্ষা করা হয়েছিল, এবং এটা বঙ্গোপসাগরে যে টার্গেট করা হয়েছিল, তাতে বড় প্রভাব ফেলেছিল। ব্যালস্টিক মিসাইলহল সেই সব ক্ষেপণাস্ত্র, যা সাধারণত একটি রকেট-চালিত স্ব-নির্দেশিত কৌশলগত-অস্ত্র ব্যবস্থা এবং যা একটি নিক্ষেপী গতিপথ অনুসরণ করে উৎক্ষেপণ স্থান থেকে পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্যে বিস্ফোরক সরবরাহ করে। নিক্ষেপী ক্ষেপণাস্ত্র প্রচলিত উচ্চমাত্রার বিস্ফোরকের পাশাপাশি রাসায়নিক, জৈবিক বা পারমাণবিক অস্ত্র বহন করতে পারে। এগুলি ভূগর্ভস্থ নিক্ষেপ-কক্ষ (সাইলো) এবং ভ্রাম্যমাণ নিক্ষেপমঞ্চ ছাড়াও বিমান, জাহাজ এবং ডুবোজাহাজ থেকে উৎক্ষেপণ করা যেতে পারে।

প্রথম দিককার নিক্ষেপী ক্ষেপণাস্ত্রগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল এ-৪ (A-4), যা ভি-২ (V-2) নামেও পরিচিত। নাৎসি জার্মানি ১৯৩০ ও ১৯৪০-এর দশকে ভি-২ (V-2) ক্ষেপণাস্ত্রের আধুনিকায়নে ভূমিকা রাখে, যাতে এতে পরিচালকের ভূমিকায় ছিলেন জার্মানির বায়বাকাশ প্রকৌশলী ও মহাকাশ স্থপতি ভের্নহার ফন ব্রাউন। ১৯৪২ সালের ৩রা অক্টোবর তারিখে ভি-২ (V-2) সফলভাবে উৎক্ষেপণ করা হয়। ১৯৪৪ সালের ৬ই অক্টোবর প্যারিসে এটি নিক্ষেপ করা হয়। এর দুই দিন পর আরেকটি ভি-২ ক্ষেপণাস্ত্র লন্ডনে নিক্ষেপ করা হয়।

ক্ষেপণাস্ত্রের প্রথম রূপ ১৩তম শতাব্দীর রকেটের ব্যবহারের সাথে সম্পর্কিত। চতুর্দশ শতাব্দীতে, মিং চীনা নৌবাহিনী শত্রু জাহাজের বিরুদ্ধে নৌযুদ্ধে হু লং চু শুই নামে একটি নিক্ষেপী ক্ষেপণাস্ত্রের প্রাথমিক রূপ ব্যবহার করেছিল। তবে আধুনিক অগ্রণী নিক্ষেপী ক্ষেপণাস্ত্র ছিল এ-ফোর , আর-সেভেন সেম্যর্কা ছিল প্রথম আন্তঃমহাদেশীয় নিক্ষেপী ক্ষেপণাস্ত্র। এ পর্যন্ত মোট ৩০টি দেশ কর্মক্ষম নিক্ষেপী মিসাইল মোতায়েন করেছে। ২০০৭ সালে প্রায় ১০০ নিক্ষেপী ক্ষেপণাস্ত্র উড্ডয়ন পরীক্ষার মাধ্যমে উন্নয়ন অব্যাহত রয়েছে (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া) বেশিরভাগই গণপ্রজাতন্ত্রী চীন, ইরান এবং রাশিয়ান ফেডারেশনের দ্বারা। ২০১০ সালে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রুশ সরকার আন্তঃমহাদেশীয় নিক্ষেপী ক্ষেপণাস্ত্রগুলির সাত বছরের মেয়াদে ১৫৫০ ইউনিট পর্যন্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+