উত্তরপ্রদেশ নির্বাচন ২০২২ঃ বিজেপির 'সেকেন্ড ম্যান' এবার আদিত্যনাথ! কী বলছে জনমত?

উত্তরপ্রদেশ নির্বাচন ২০২২ঃ বিজেপির 'সেকেন্ড ম্যান' এবার আদিত্যনাথ! কী বলছে জনমত?

হাজার জল্পনায় জল ঢেলে শেষ পর্যন্ত ডবল ইঞ্জিন সরকারে ভরসা রাখল উত্তরপ্রদেশ। উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে ফের দেখা গেল মোদী ম্যাজিক। দ্বিতীয় বার সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে দেশের 'ডিসিশন মেকার' রাজ্যে সরকার গঠন করতে চলেছে বিজেপি। আর সেখনেই সংখ্যা গরিষ্ঠ জনমত বলছে যোগী আদিত্যনাথ নাকি বিজেপির দ্বিতীয় সত্যিকারের জননেতা! তাহলে এবার কি পদ্ম শিবিরে মোদীর পর সেকেন্ড ইন কম্যান্ডের জায়গা নিতে চলেছেন যোগী আদিত্যনাথ? জল্পনা শুরু হয়েছে দেশের রাজনৈতিক মহলে।

বাহঃ যোগীজি

বাহঃ যোগীজি

উত্তরপ্রদেশের যোগী ফ্যাক্টর ভালো কাজ করেছে। মোদী ছাড়া বিজেপিতে এখন যোগী আদিত্যনাথ এমন একজন মুখ হিসেবে রয়েছেন যাকে গণনেতা হিসেবে ধরা যেতে পারে। যদিও যোগীর মেয়াদ কাল নিয়ে বিতর্ক রয়েছে বিস্তর। কট্টর হিন্দুত্ব ছাড়াও, ক্ষমতার অতি-কেন্দ্রীকরণ, পুলিশকে ব্যাপক ব্যবহার, নিজ দলের নেতাদের উপেক্ষা করার কাজ করেছেন বলে একাধিকবার অভিযোগের তীর বর্ষণ করেছেন বিরোধীরা। তিনি অত্যন্ত নির্মমভাবে সিএএ-বিরোধী আন্দোলন এবং ভিন্নমতের অন্যান্য ঘঠনার মোকাবিলা করেছিলেন বলেও খুব তোলপাড় হয়েছিল রাজনৈতিক মহল। কিন্তু সবকিছু ছাপিয়ে নিন্দুকদের চুপ করিয়ে দিলেন যোগী। এইবার আশ্চর্য রকম ভাবে শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণ হয়েছে এই রাজ্যে। আর ছাপ্পা ছাড়া শান্তিপূর্ণ ভাবেও যে জেতা যায় তা প্রমান করার ক্ষেত্রে দশে দশ পেয়েছেন যোগী আদিত্যনাথ, অভিমত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।

 হাতে ভরসা নেই

হাতে ভরসা নেই

পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনে শোচনীয় ফল হয়েছে কংগ্রেসের। আসনের নিরিখে দেখলে উত্তরপ্রদেশে চতুর্থ স্থানে অবস্থান করছে হাত শিবির। পাঞ্জাবেও আপের কাছে হার স্বীকার করতে হয়েছে। বাকি তিন রাজ্যের কোথাও বৃহত্তম দল হিসেবে স্বীকৃতি পায়নি তারা। এমনকি রাহুল ছেড়ে কোথাও না কোথাও প্রিয়াঙ্কার উপর আস্থা রেখে উত্তরপ্রদেশ জয়ের পথে এগোনোর চেষ্টা করেছিল কংগ্রেস। কিন্তু মাথায় আশীর্বাদের হাতের বদলে সব আশায় জল ঢেলে দিয়েছেন বাবা বিশ্বনাথ! পাশাপাশি একা প্রিয়াঙ্কাকে সামনে রেখে প্রদেশ জয়ের ভাবনা যে আখেরে লাভের লাভ কিছুই দিলনা, এই কথাই কার্যত প্রমান হয়ে গেল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

কংগ্রেসের ভুল স্ট্র্যাটেজি?

কংগ্রেসের ভুল স্ট্র্যাটেজি?

নির্বাচনের দুই মাস আগে নভজ্যোত সিধু পাঞ্জাবে দলের সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন। সেইসময় তাঁর পদত্যাগ গ্রহণ করা অত্যন্ত ভুল সিদ্ধান্ত বলে মনে করেছিল রাজনৈতিক মহল। পাশাপাশি তাঁকে পাঞ্জাবের প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি পদে বসানো নিয়েও কথা উঠেছিল। এই বিধানসভা নির্বাচনে তার ফল ভোগ করতে হচ্ছে কংগ্রেসকে, এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। পাঞ্জাবের কংগ্রেস নেতৃত্ব ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং কে সরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসিয়েছিল চরণ জিৎ সিং চান্নিকে। দলের সভাপতি পদে বসানো হয়েছিল নভজ্যোত সিং সিধু কে। দলের মধ্যে সভাপতি পদে আসীন হলেও তিনি একজন খেলোয়াড়। সেটি একটি নেতিবাচক দিক হিসেবে প্রমানিত হয়েছে এক্ষেত্রে।

 গো গোয়া গেরুয়া

গো গোয়া গেরুয়া

গোয়ায় শাসকদল এখন বিজেপি। প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস। কংগ্রেসের পাশাপাশি এবার সেখানে লড়াই করেছে তৃণমূলও। বিজেপির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য একটি গোয়ার বিধানসভা নির্বাচন একটি বড় ফ্যাক্টর ছিল। কিন্তু তার কোনো প্রভাব পড়েনি। বিজেপি তাদের নেতৃত্ব মনোহর পারিকরকে হারিয়েছে। গোয়াতে বিজেপির প্রচার সেভাবে দেখা যায়নি। পাশাপাশি ওয়াকিবহাল মহলের মতে, কংগ্রেসের আগ্রাসী এবং উদ্যোগী মনোভাব চোখে পড়েনি। বিজেপির পক্ষে জয় পাওয়া কঠিন হবে মনে করা হলেও, কংগ্রেস সেই জয়ের পথ সহজ করে দিয়েছে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+