অবিলম্বে চালু করা হোক ক্ষুদ্র ব্যবসা, প্রধানমন্ত্রীকে আর্জি ফ্রাইয়ের
অবিলম্বে চালু করা হোক ক্ষুদ্র ব্যবসা, প্রধানমন্ত্রীকে আর্জি ফ্রাইয়ের
করোনা ভাইরাসের জন্য লকডাউন গোটা দেশ। চৈত্র সেলের মুখে ছোট ছোট ব্যবসাগুলিকে লোকসানের মুখোমুখি হতে হয়েছে। এরকম পরিস্থিতিতে ফেডারেশন অফ রিটেলার অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া (ফ্রাই) সোমবার সরকারকে অনুরোধ করেছে যে ছোট দোকানগুলি অবিলম্বে চালু করে দেওয়া হোক, কারণ লকডাউন হওয়ার পর থেকে ক্ষুদ্র খুচরা বিক্রেতাদের দৈনিক আয়ের ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে এবং তাদের আয়ের ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ চেয়েছে ফ্রাই।

সমস্যায় চার কোটি ক্ষুদ্র, মাঝারি ও ছোট ব্যবসা
৩৪টি খুচরো পাইকারি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে দেশের প্রায় চার কোটি ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি খুচরো ব্যবসায়ীরা। ফ্রাই জানিয়েছে, লকডাউনের ফলে ছোট ব্যবসায়ীদের সব মূলধন আটকে রয়েছে স্টকে থাকা বিক্রি না হওয়া পণ্যের মধ্যে। পরিবারের মুখে অন্ন তুলে দিয়ে তাঁদের যে সামান্য সঞ্চয় ছিল তা দিয়েই তাঁরা খাবার বিক্রি করছেন। ফ্রাইয়ের সভাপতি রাম আসরে মিশ্র প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে আবেদন জানিয়েছেন যে তাঁদের সংগঠনের সদস্যরা যে কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন একটু সহানুভূতির নজরে তাঁদের দেখা হোক এবং দ্রুত তাঁদের দোকান খোলার অনুমতি দেওয়া হোক।

আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণার আর্জি
তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী গরীব কল্যাণ যোজনার অন্তর্গত খুচরো ব্যবসায়ীদের জন্য আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করারও আর্জি জানিয়েছি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে।' মিশ্র খুব অবাক হয়ে বলেন, ‘যেখানে বড় বড় মুদির দোকানগুলি প্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি করছে এই লকডাউনের সময়, তাহলে কেন আমাদের ছোট ব্যবসায়ী ভাইরা তাদের দোকান খুলতে পারবে না, তাঁরাও মানুষের দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য জিনিস বিক্রি করে অথচ তাঁরা তাঁদের জীবিকা নির্বাহ করতে পারছেন না।' ফ্রাই জানিয়েছে যে লকডাউনের কারণে যে ছোট, ক্ষুদ্র ও মাঝারি দোকানগুলি বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে তাদের প্রতিদিনের আয়ও বন্ধ রয়েছে।

মার্চ–জুন মাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ মাস ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে মার্চ থেকে জুন মাস ক্ষুদ্র পাইকারিদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাস, কারণ এই মাসগুলিতেই তারা অতিরিক্ত উপার্জনের সুযোগ পান এবং সঞ্চয় করতে পারেন এই সময়টাতেই। ফ্রাই বলে, ‘দুর্ভাগ্যবশত এই লকডাউন এমন সময় হল সেই সময়টাই এই ব্যবসায়ীদের সেরা সময় উপার্জন করার, কিন্তু তাঁরা এই মরশুমে সেই আশা ছেড়ে দিয়েছেন। এখন অসহায় মানুষগুলি ও তাঁদের পরিবার দরিদ্রতা ও বেঁচে থাকার চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে।'












Click it and Unblock the Notifications