টুইটারের পর আইএমএফ, আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষে আরও এক ভারতীয়

বিশ্বের নামীদামী সংস্থার শীর্ষে জয়জয়কার ভারতীয়দের। কিছুদিন আগেই টুইটারের সিইও হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন পরাগ আগরওয়াল। এবার ইন্টারন্যাশনাল মনিটারি ফান্ডের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টরের পদে বসতে চলেছেন আরও এক ভারতীয়।

বিশ্বের নামীদামী সংস্থার শীর্ষে জয়জয়কার ভারতীয়দের। কিছুদিন আগেই টুইটারের সিইও হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন পরাগ আগরওয়াল। এবার ইন্টারন্যাশনাল মনিটারি ফান্ডের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টরের পদে বসতে চলেছেন আরও এক ভারতীয়। আইএমএফের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গীতা গোপিনাথ সংস্থার প্রথম মহিলা ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর হতে চলেছেন।

এর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন গীতা!

এর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন গীতা!

এর আগে প্রথম ভারতীয় হিসেবে আন্তর্জাতিক এই সংস্থাটির প্রধান অর্থনীতিবিদের দায়িত্ব সামলেছেন গীতা। এবার ফের বিশ্বের দরবারে ভারতের নামোজ্জ্বল করতে চলেছেন তিনি। জানা গিয়েছে, আগামী বছরের শুরুতেই আইএমএফ ছাড়তে চলেছেন ডেপুটি ম্যানেজার জিওফ্রে ওকামোটো। সেই পদেই বসতে চলেছেন গীতা। আইএমএফের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ক্রিস্টালিনা জিওর্জিভা বলেন, ' সহকর্মী হিসেবে জিওফ্রে এবং গীতা দু'জনেই অসাধারণ। জিওফ্রে চলে যাচ্ছে দেখে আমার মন ভারাক্রান্ত। কিন্তু একইসঙ্গে আমি খুশি যে গীতা থেকে যাওয়ার এবং নতুন দায়িত্ব নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।'

শৈশব অন্যরকম ছিল গীতার!

শৈশব অন্যরকম ছিল গীতার!

ছোটবেলা থেকেই যে গীতা মেধাবি, স্কুলের প্রথম সারির ছাত্রী, এমনটা নয়। সপ্তম শ্রেনী অবধি তাঁর মা-বাবা যথেষ্ট চিন্তিত ছিলেন পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর নিয়ে। কিন্তু এরপরেই সবটুকু বদলে যায়। যে মেয়ে ৪৫ শতাংশ নম্বর পেত, সে ৯০ শতাংশ পেতে শুরু করে। সংবাদমাধ্যমকে তাঁর বাবা গোপীনাথ বলেন, 'আমি আমার মেয়েকে কোনওদিন পড়াশোনার জন্য চাপ দিইনি। ওর বন্ধুরা বাড়িতে এসেছে, খেলাধুলো করেছে। তবে এমনিতে আমার দুই মেয়েই সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার সময় ঘুমোতে চলে যেত। সকালে খুব তাড়াতাড়ি উঠে পড়ত। স্কুল শেষে মহীশূরের মহাজন পিইউ কলেজে বিজ্ঞান নিয়ে পড়তে শুরু করে। সেই সময় যে নম্বর পেয়েছিল, তা ইঞ্জিনিয়ারিং কিংবা মেডিক্যাল পড়ার জন্য যথেষ্ট ছিল। কিন্তু ও অর্থনীতি নিয়ে স্নাতকস্তরে পড়ার সিদ্ধান্ত নেয়

ছোটবেলা থেকেই প্রতিভাবান গীতা!

ছোটবেলা থেকেই প্রতিভাবান গীতা!

তবে শুধুই পড়াশোনা নয়, গিটার শিখে র‍্যাম্পেও উঠেছিলেন গীতা। তবে সেখানে বিশেষ সাফল্য না মেলায় সমস্ত মনোযোগ দিয়েছেন পড়াশোনায়। পোস্ট গ্র‍্যাজুয়েশনের সময়তেই তাঁর স্বামী ইকবালের সঙ্গেও প্রেম জমে ওঠে তাঁর৷ দু'জনের একটি ১৮ বছর বয়সী সন্তানও আছে। ২০০১ সালে আইএএস আধিকারিক হওয়ার স্বপ্ন ত্যাগ করেন গীতা। পিএইচডি করতে চলে যান ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ে৷ তবে সেখান থেকে সম্পূর্ণরূপে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করতে পারেননি তিনি৷ প্রিন্সেটন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পূর্ণ করেন। পরে শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনাও করেছেন গীতা।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+