মোদী সরকারের ভ্যাকসিন নীতিতে 'সুপ্রিম' সমালোচনার পরই রদবদল! একনজরে ঘটনা পরম্পরা
কিছুদিন আগেই সুপ্রিম কোর্ট মোদী সরকারের ভ্যাকসিন নীতির সমালোচনা করে। কেন ১৮-৪৪ বছরের বয়সসীমার নাগরিককে 'পেইড ভ্যাকসিন' নিতে হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে সুপ্রিম কোর্ট। এদিকে ততদিনে কেরল সহ একাধিক রাজ্য মোদী সরকারকে ১৮-৪৪ বছরের নাগরিকদের জন্য বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেওয়ার দাবিতে সরব হয়। এরপরই আসে নয়া ঘোষণা। দেখা যাক ৭ জুনের এই ঘোষণার আগে কী কী ঘটেছে?

সুপ্রিম কোর্ট কী বলেছে?
ভ্যাকসিনেশনের প্রথম দুটি দফায় বিনামূল্যে ভ্যাকসিন, আর তারপর ১৮-৪৪ বছরের নাগরিকদের জন্য অর্থের বিনিময়ে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে ভ্যাকসিন দেওয়ার প্রক্রিয়া কার্যত 'খামখেয়ালি' ও 'অযৌক্তিক'। ঠিক এই ভাষাতেই কেন্দ্রের ভ্যাকসিন নীতিকে গত ৩ জুন আক্রমণ করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। সেখানে সাফ বিনামূল্যে সকলকে ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

কেন্দ্রের অবস্থান জানতে চায় সুপ্রিম কোর্ট
গত ৩ জুন ভ্যাকসিন নীতি নিয়ে কেন্দ্রের অবস্থান কী তা জানতে চায় সুপ্রিম কোর্ট। তার আগে কোর্টকে কেন্দ্র জানিয়ে দেয় যে, রাজ্যগুলি নিজে থেকেই ভ্যাকসিন দেওয়ার পথে হাঁটতে চেয়েছিল। আর সেকারণেই এই দায়িত্ব তাদের দেওয়া হয়। তার প্রেক্ষিতেই সুপ্রিম কোর্ট জানায়, বিনামূল্যে দেশবাসীকে ভ্যাকসিন দেওয়া নিয়ে কেন্দ্রের অবস্থান কী, তা একটি হলফনামায় শীর্ষ আদালতকে জানাতে হবে। এই ঘটনা গত ৩ রা জুনের। এরপরই আজ ৭ জুন বড় ঘোষণা করেন মোদী।

ফান্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলে কোর্ট!
এর আগে সুপ্রিম কোর্ট সাফ প্রশ্ন করে কেন্দ্রকে, যে ৩৫০০০ কোটি টাকা দিয়ে ভ্যাকসিন কেনার উদ্যোগ নিচ্ছে কেন্দ্র, সেই টাকার ফান্ড কীভাবে ব্যবহার হচ্ছে? কেন সেই টাকা থেকে ১৮ থেকে ৪৪ বছয় বয়সীদের ভ্যাকসিন দেওয়া যাচ্ছে না? এরপরই এদিন কেন্দ্র জানিয়েছে যে দেশ প্রস্তুত ভ্যাকসিনের ৭৫ শতাংশ তারা কিনে নেবে। আর তার থেকেই তৃতীয় পর্বের ভ্যাকসিনেশনে রাজ্যগুলিকে ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হবে।

মমতা সহ একাধিক মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা
এদিকে, সুপ্রিম কোর্টের সমালোচনার আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন সকলেই কেন্দ্রের উপর চাপ সৃষ্টি করেন বিনামূল্যে ভ্যাকসিনেশনের জন্য। তারপরই ৭ জুন নরেন্দ্র মোদী ভ্যাকসিন নীতি নিয়ে বড় ঘোষণা সামনে আনে ।












Click it and Unblock the Notifications