রাহুল গান্ধীর সঙ্গে যোগ দিলেন আদিত্য ঠাকরে, মহারাষ্ট্রে ভারত জোড়ো যাত্রায় জোট-বার্তা
রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ভারত জোড়ো যাত্রায় যোগ দিলেন শিবসেনা উদ্ধব শিবিরের বিধায়ক আদিত্য ঠাকরে। রাহুল গান্ধীর পরিক্রমা মহারাষ্ট্রে প্রবেশ করতেই ভারত জোড়ো যাত্রা অন্য মাত্রা পেল।
রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ভারত জোড়ো যাত্রায় যোগ দিলেন শিবসেনা উদ্ধব শিবিরের বিধায়ক আদিত্য ঠাকরে। রাহুল গান্ধীর পরিক্রমা মহারাষ্ট্রে প্রবেশ করতেই ভারত জোড়ো যাত্রা অন্য মাত্রা পেল। রাহুলের ভারত পরিক্রমায় আদিত্য ঠাকরের পা মেলানো যে আদতে বিজেপির বিরুদ্ধে মহাজোট-বার্তা, তা প্রকট হল এদিন।

রাহুল গান্ধী তামিলনাড়ুর কন্যা কুমারী থেকে যে ভারত জোড়ো যাত্রায় বেরিয়েছিলেন, তা তামিলনাড়ু, কেরল, কর্নাটক, তেলেঙ্গানা হয়ে মহারাষ্ট্রে প্রবেশ করেছে। মহারাষ্ট্রে রাহুল গান্ধীর ভারত জোড়ো যাত্রা প্রবেশ করলেই সেখানে শিবসেনার উদ্ধব শিবির ও এনসিপি যোগ দেবে বলে পূর্বঘোষিত ছিল। রাহুলকে অভ্যর্থনা জানানো হবে দুই জোট শরিকের পক্ষ থেকে। এমনকী রাহুলের সঙ্গে মহারাষ্ট্রে শিবসেনা সুপ্রিমো উদ্ধব ঠাকরে ও এনসিপি প্রধান শারদ পাওয়ার পা মেলাতে পারেন বলেও জানা গিয়েছে।
এদিন শিবসেনা বিধায়ক উদ্ধব-তনয় আদিত্য ঠাকরে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে কংগ্রেসের ভারত জোড়ো যাত্রায় পা মেলান। শুক্রবার মহারাষ্ট্রে হিঙ্গোলির কালামনুরিতে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে ভারত জোড়ো যাত্রায় যোগ দিয়েছিলেন। পথের দু'ধারে সারিবদ্ধ জনতার উদ্দেশে হাত নে়ড়ে পাশাপাশি হেঁটেছেন দুই দলের দুই তরুণ তুর্কি নেতা। রাহুলের ভারত জোড়ো যাত্রা রাজনীতির থেকে অনেক বেশি গুরুত্বশীল, কারণ এটি অখণ্ড ভারতের ধারণা দেয়। রাহুল গান্ধী ও আদিত্য ঠাকরে এদিন একসঙ্গে দু-ঘণ্টারও বেশি হেঁটেছেন। এই যাত্রাপথে যোগ দেন প্রাক্তন বিধায়ক শচীন আহিরও।
রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন পদযাত্রায় এ পর্যন্ত বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট নেতা অংশ নিয়েছেন। কংগ্রেস এই যাত্রায় ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এক এক নেতাকে শামিল করছেন। সারা দেশের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় সংহতির প্রকাশ করছেন। আর আদিত্য ঠাকরে ও রাহুল গান্ধীর এই ভারত জোড়ো যাত্রায় অংশ নেওয়া সেই সংহতির পরিচায়ক।
सब साथ आएंगे, देश बचाएंगे।
— Bharat Jodo (@bharatjodo) November 11, 2022
आज भारत जोड़ो यात्रा से जुड़े शिवसेना नेता आदित्य ठाकरे। @AUThackeray#BharatJodoYatra pic.twitter.com/OugUigv5p9
আদিত্য ঠাকরে ও রাহুল গান্ধী এমন এক সময়ে একত্রিত হয়েছেন, যখন শিবসেনা বিভক্ত হয়ে রাজ্যে মহাবিকাশ আগাড়ি সরকারের পতন ঘটেছে এবং বিজেপি নেতৃত্বাধীন একটি নতুন সরকার চলছে। এবং শিবসেনায় বিভাজনের পর সামনেই বৃহন্মুম্বই পুরসভার নির্বাচন। সেই নির্বাচনে যে উদ্ধব শিবিরের সঙ্গে কংগ্রেস জোট করেই লড়বে, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন এদিনের যাত্রা।
মহারাষ্রেেনর মুখ্যমন্ত্রী একনাশ শিন্ডে যখন বিদ্রোহ করেছিলেন তখন তিনি তাঁর অভিযোগে কংগ্রেস ও এনসিপিকে নিয়ে শিবসেনার সরকার গড়ার বিরোধিতা করেছিলেন। সেই বিরোধিতা সত্ত্বেও এদিন আদিত্য ঠাকরে কংগ্রেসের ভারত জোড়ো যাত্রায় হেঁটে পুনরায় বুঝিয়ে দিয়েছেন, তাঁরা তাঁদের অবস্থান থেকে সরছেন না।












Click it and Unblock the Notifications