৭৬টি ডেল্টা প্লাস কেস মহারাষ্ট্র জুড়ে, টিকাকরণের পরও মৃত্যু আতঙ্ক বাড়ালো দ্বিগুণ
মহারাষ্ট্র জুড়ে ডেল্টা প্লাস করোনা ভাইরাসের কেস ক্রমশঃ বাড়ছে। সোমবার স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ডেল্টা প্লাস কেসের সংখ্যা বেড়ে ৭৬ হয়ে গিয়েছে এ রাজ্যে। এর পাশাপাশি এখনও পর্যন্ত এই মারাত্মক ভ্যারিয়ান্টে মারা গিয়েছেন পাঁচ জন।

৭৬টি ডেল্টা প্লাস কেস
মহারাষ্ট্র জুড়ে যে ৭৬টি রোগী সনাক্ত হয়েছে তার মধ্যে ১৩ জন হলেন জলগাঁওয়ের, ১৫ জন রত্নাগিরির, ১১ জন মুম্বইয়ের, ১৭ জন কোলাপুরের, থানে ও পুনে থেকে ৬ জন করে, পালঘর ও রায়গড় থেকে ৩ জন করে, নান্দেদ, গোন্ডিয়া ও সিন্ধুদুর্গ থেকে ২ জন করে এবং চন্দ্রপুর, আকোলা, সাঙ্গলি, ঔরঙ্গাবাদ ও বিড থেকে একজন করে ডেল্টা প্লাস রোগী সনাক্ত হয়েছে। রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগের রিপোর্ট অনুযায়ী পাঁচ জন মৃতের মধ্যে তিনজন পুরুষ এবং ২ জন মহিলা। যার মধ্যে রত্নাগিরি থেকে ২ জন এবং একজন করে মারা গিয়েছে বিড, মুম্বই ও রায়গড় থেকে।
সম্পূর্ণ টিকাকরণের পরও ২ জনের মৃত্যু
মৃতদের মধ্যে সকলেই ৬৫ ঊর্ধ্ব এবং গুরুতর রোগে আক্রান্ত ছিলেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য বিভাগ। এরমধ্যে আবার ২ জন কোভিড–১৯ ভ্যাকসিনের দু’টি ডোজই নিয়েছিলেন, অন্যদিকে বাকি তিনজন কোভিড ভ্যাকসিন নেননি। এছাড়াও রিপোর্ট অনুযায়ী, ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়ান্টের তিনটে উপ–বংশ (এওয়াই ১, এওয়াই ২, এওয়াই ৩) গোটা মহারাষ্ট্র জুড়ে দেখা গিয়েছে। এর আগে মহারাষ্ট্রে যে ৬৬টি ডেল্টা প্লাস কেস ধরা পড়েছিল তার মধ্যে ৩১টি কেস এওয়াই ১–এর, ২০টি কেস এওয়াই ৩–এর এবং ১০টি কেস এওয়াই ২–এর। এপ্রিল থেকে এওয়াই কেস সিক্যুয়েন্স নমুনাতে পাওয়া গিয়েছে। অন্যদিকে মার্চ থেকে এওয়াই ২ ও জুন মাস থেকে এওয়াই ৩ কেসের দেখা মিলছে।
কোভিড বিধি মানতে হবে
মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে রবিবার জানিয়েছেন যে করোনা কেস বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার নতুন করে রাজ্যে লকডাউন কার্যকর করতে চলেছে। রবিবার স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে মন্ত্রণালয়ে পতাকা উত্তোলনের পর মুখ্যমন্ত্রী মহারাষ্ট্রবাসীকে কঠোরভাবে কোভিড নিয়ম মেনে চলার আহ্বান জানান। যদিও রাজ্য সরকার সম্পূর্ণভাবে টিকা দেওয়া মানুষদের মুম্বই লোকাল ট্রেনে যাতায়াত এবং দোকানগুলি রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকার অনুমতি দিয়ে তৃতীয় পর্যায়ের বিধিনিষেধ শিথিল করেছিল।
অক্সিজেনের প্রয়োজনীয়তার ওপর লকডাউন জারি
ঠাকরে বলেন, 'যদি পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে এগোয় তবে রাজ্যে পুনরায় লকডাউন কার্যকর করতে হবে।’ ব্রেক দ্য চেইন আদেশের পরিবর্তনের কযেকদিন পরই মুখ্যমন্ত্রী সতর্কতা জারি করে বলেছিলেন যে কোভিড রোগীদের জন্য দৈনিক অক্সিজেনের প্রয়োজনীয়তা লকডাউন ঘো,ণা করার কারণ হতে পারে। যদি লকডাউনের প্রয়োজনীয়তা ৭০০ মেট্রিক টনে পৌঁছায় তবে পুনরায় লকডাউন ঘোষণা হতে পারে।












Click it and Unblock the Notifications