পাওয়ারের সমর্থনে ৩০ বিরোধী বিধায়ক বিজেপির সঙ্গে হাত মেলাচ্ছেন! ফের জল্পনা মহারাষ্ট্রে
ফের কি বিরোধী শিবিরে ভাঙন নেবে আসবে মহারাষ্ট্রে? মহারাষ্ট্রে অজিত পাওয়ারের সমর্থনে ৩০ বিরোধী বিধায়ক বিজেপির সঙ্গে হাত মেলাতে চলেছেন বলে জল্পনা শুরু হয়েছে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে। এনসিপির অজিত পাওয়ারের সমর্থনে তাঁরা জোট বাঁধছেন বলে সূত্রের খবর।
মহারাষ্ট্রে শিবসেনার আড়াআড়ি বিভাজন ঘটিয়ে বিজেপি ফের ক্ষমতার অলিন্দে ঢুকে পড়েছে আগেই। এবার তারা এনসিপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়ে মহাজোটে ভাঙন ধরাতে চাইছে। সে জন্য ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি বা এনসিপি নেতা অজিত পাওয়ারের মাধ্যমে বিধায়কদের সমর্থন আদায় করার চেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি।

সূত্রের খবর, মঙ্গলবার বিধায়কদের একটি বৈঠক ডেকেছেন অজিত পাওয়ার। তিনি নিজে এই খবর অস্বীকার করেছেন। তবে সূত্র জানিয়েছে, ৫৩ জন বিরোধী বিধায়কের মধ্যে ৩৪ জন বিজেপি-শিবসেনা সরকারের অংশ হওয়ার জন্য অজিত পাওয়ার যে পরিকল্পনা করেছেন তাকে সমর্থন জানিয়েছেন।
মহারাষ্ট্রে এক সপ্তাহব্যাপী রাজনৈতিক অস্থিরতার অবসান ঘটিয়ে বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে বিদ্রোহী শিবসেনা নেতা একনাথ শিন্ডে মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন। তার এক বছরের মধ্যেই ফের এনসিপি-সহ বিরোধী শিবিরে ভাঙন ধরতে চলছে। আর এই কাজে শিখণ্ডী বানানো হয়েছে অজিত পাওয়ারকে।
অজিত পাওয়ারের সঙ্গে বিজেপির সম্পর্ক নিয়ে জল্পনা বাড়ছে। বিজেপিতে তার যোগদান আরেকটি অশান্তির ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই জল্পনা। উদ্ধব গোষ্ঠীর শিবসেনা নেতা সঞ্জয় রাউত রবিবার এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ারের মন্তব্য তুলে ধরে আশ্বস্ত করেছেন।

সঞ্জয় রাউথ বলেন, সম্প্রতি এনসিপি প্রধান শারদ পাওয়ার উদ্ধব ঠাকরেকে বলেছেন যে, তাঁর দল কখনই বিজেপির সঙ্গে হাত মেলাবে না। শরদ পাওয়ারের ভাইপো অজিত পাওয়ার এ ব্যাপারে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ। এনসিপি-র বিধায়করা জানিয়েছে, তাঁরা তাদের নেতা অজিত পাওয়ারের প্রতি অনুগত থাকবেন।
এরই মধ্যে মহারাষ্ট্র থেকে বিজেপির দুই শীর্ষ নেতার দিল্লিতে ছুটে আসার সঙ্গে এনসিপিতে ভাঙনের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে। বিরোধী বিধায়কদের মধ্যে গুঞ্জন, বিধানসভার বিরোধী দলনেতা তথা চারবারের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার রাজ্যের ক্ষমতাসীন বিজেপির সাথে হাত মেলাতে দল ভাঙতে পারেন।

অজিত পাওয়ার সোমবার মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন বিষয়টি। কিন্তু তাতে জল্পনা থেমে যায়নি। মঙ্গলবার বিধায়কদের তিনি বৈঠক ডেকেছিলেন। তারপর আবার তাঁর টুইটার বায়ো থেকে এনসিপি কথাটি উড়িয়ে দিয়েছেন বলেও জল্পনা রটেছিল। তা অবশ্য সছিক নয়, এখনও এনসিপি নেতা হিসেবে তাঁর উল্লেখ রয়েছে টুইটারে।












Click it and Unblock the Notifications