অসমের বড়োভূমিতে জঙ্গী হানায় ৩৬ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩২ জনের, কারফিউ বহাল

অসমের বড়োভূমির কোকরাঝড়,বক্সা, চিরঙ্গ এই জেলা এবং এর পার্শ্ববর্তী সংযুক্ত জেলাগুলিতে কারফিউয়ে রুদ্ধ গোটা জনজীবন। 'শুট অন সাইট' অর্থাৎ দেখলেই গুলি করে দেওয়ার নির্দেশ জারি করা হয়েছে বাক্সা ও কোকরাঝাড়ে। বাক্সা ও কোকরাঝাড়ের কিছু অংশে রাতে ফ্ল্যাগ মার্চ করেছে সেনাবাহিনী।
রাজ্য সরকারের তরফে অভিযোগ তোলা হয়েছে এই নাশকতার পিছনে সংবিজিতের নেতৃত্বে এনডিএফবি-র একটি বড় অংশ রয়েছএ। এবং এখনও তারা সক্রিয় পথে রয়েছে বলে পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে। পীড়িত সকলেই অনুপ্রবেশকারী মুসলিম।
যদিও লোকসভা ভোটের সঙ্গে এই নাশকতার কোনও রকম যোগ থাকতে পারে বলে অস্বীকার করেছে রাজ্য সরকার। যদিও ২৪ এপ্রিল নির্বাচনী কার্যে অংশগ্রহণকারী কোকরাঝাড়ের এক পুলিশ কনস্টেবলকে জঙ্গীরা হত্যা করেছে বৃহস্পতিবার। এদিনই সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ দুই মহিলা ও এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করে জঙ্গীরা। এঁরা হলেন ৫৫ বছরের সম্পা বেওয়া,বছর ৩৫-এর সোনা মিঞা এবং বছর ৩২-এর রামিসা খাতুন।
এর প্রায় ঘন্টা পাঁচেক পরে রাত সাড়ে বারোটা-একটার মধ্যে জনা চারেক জঙ্গী কমপক্ষে ২টি একে সিরিজের রাইফেল সহ কোকরাঝাড়ের বালাপাড়া গ্রামে তীব্রমাত্রায় গুলি ছুঁড়তে শুরু করে জঙ্গীরা। এই হামলায় ৪ মহিলা, এক ব্যক্তি ও ৩ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এরা প্রত্যেকেই মুসলিম ছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় নারায়ণগুড়ি ও খাগড়া বাড়ি গ্রাম ও তার সংলগ্ন এলাকা থেকে ১২টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। অসমের স্বরাষ্ট্র সচিব জিডি ত্রিপাঠি জানিয়েছেন, ১০ জল আহত হয়েছেন। তামুলপুরেও দুষ্কৃতীদের গুলিতে জখম হন এক জন। বাক্সা-কোকরাঝাড় সীমানায় একটি যাত্রীবাহী গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় জঙ্গিরা। পুলিশ জানায়, ওই ঘটনায় ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ৩৬টি বাড়িতে আগুনও ধরিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা।
ত্রিপাঠী জানিয়েছেন, ধুবড়ি, বারপেটা,বনগাইগাও,নলবাড়ি,দারাঙ্গ এবং সন্তিপুর জেলা বড়োভূমির কোকরাঝাড়,বাক্সা, চিরাঙ্গ এবং উদালগিরির সঙ্গে অনেকাংশে সংযুক্ত। বাক্সা জেলায় অ-উপজাতি সম্প্রদায় আরও বড় হামলা হতে পারে বলে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। এডিজি (স্পেশ্যাল ব্রাঞ্চ) পল্লব ভট্টাচার্য জানিয়েছেন,নির্দিষ্ট একটি সম্প্রদায় আতঙ্কের জেরে নিরাপত্তার তাগিদে গ্রাম ছেড়ে পার্শ্ববর্তী গ্রামে গিয়ে ঠাঁই নিচ্ছেন।
এই পরিস্থিতি যাতে আরও বেশি ভয়ঙ্কর না হয়ে উঠতে পারে তার জন্য যথপোযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈ। শুক্রবার জার্মানি যাওয়ার জন্য দিল্লি যাওয়ার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। অসমের এই পরিস্থিতির কারণে তিনি নিজের সফর বাতিল করেন। যদিও এই নাশকতার জন্য রাজ্য সরকারকেই দায়ী করেছেন বিরোধীরা।
-
অধীর চৌধুরীর প্রচারে উত্তেজনা বহরমপুরে, কংগ্রেস-তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ -
মমতার হেলিকপ্টারের সামনে উড়ল রহস্যময় ড্রোন, মালদহে উত্তেজনা -
শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন ঘিরে অশান্তির ঘটনায় ৩৮ জনকে তলব পুলিশের -
ভোটারদের সুবিধার্থে রাজ্যজুড়ে ৪,৬৬০টি নতুন বুথ তৈরির সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের -
ভবানীপুরে অশান্তির জেরে চার পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড নির্বাচন কমিশনের -
'বাংলাকে বৃদ্ধাশ্রম বানাতে দেব না', বাংলার ক্রীড়া পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলে উন্নয়নের ডাক লিয়েন্ডার পেজের -
ইরান যুদ্ধের মাঝেই মাথায় হাত শাহবাজ শরিফের, এপ্রিলেই আমিরশাহীকে ৩৫০ কোটি ডলার ঋণ শোধ দিচ্ছে পাকিস্তান -
খড়্গপুর সদরের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিলীপ ঘোষের, সঙ্গী শুভেন্দু অধিকারী -
জ্বালানি সংকট! বাংলাদেশে অফিস ও দোকানের সময় কমানোর পাশাপাশি বিয়ের আলোকসজ্জাতেও বিধিনিষেধ -
বামফ্রন্টের ইস্তেহার প্রকাশ! বিনামূল্যে বিদ্যুৎ, প্রতি পরিবারে স্থায়ী চাকরি সহ একাধিক প্রতিশ্রুতির ঘোষণা বিমান বসুর -
অসম বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: এনডিএ-র বিরাট জয়ের ইঙ্গিত নতুন জনমত সমীক্ষায় -
পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ! পানিহাটির সেক্টর অফিসার অতনু চক্রবর্তীকে সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন











Click it and Unblock the Notifications