Sourav Ganguly: অলিম্পিক্সে পদক জিততে পারলে ভারতের ফুটবল বিশ্বকাপ খেলাও সম্ভব, মন্তব্য সৌরভের
Sourav Ganguly: প্যারিস অলিম্পিক্সে শ্যুটিংয়ে ভারতকে ১০ মিটার এয়ার পিস্তলে ব্রোঞ্জ জিতিয়েছেন মনু ভাকের। সে কথা তুলে ধরে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় বললেন, অলিম্পিক্সে পদক জিততে পারলে ভারতের বিশ্বকাপ খেলাও সম্ভব।
আজ মোহনবাগান ক্লাবে মোহনবাগান রত্ন পুরস্কার দেওয়া হলো প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক তথা বিসিসিআইয়ের প্রাক্তন সভাপতিকে। এই পুরস্কার অত্যন্ত গর্বের, জানালেন মহারাজ।

মোহনবাগান রত্নের পর ১ অগাস্ট ইস্টবেঙ্গলের ভারত গৌরব সম্মানও পাবেন সৌরভ। একই বছরে দুই প্রধানের সেরা দুই পুরস্কার। সৌরভের কথায়, দুটোই আমার ক্লাব। দুই ক্লাবেই দীর্ঘদিন খেলেছি। মোহনবাগানে খেলেছি ভারতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার আগেই।
কলকাতা ময়দানকে ক্রীড়াক্ষেত্রের হার্টবিট বলে উল্লেখ করলেন সৌরভ। ১৯১১ সালে ২৯ জুলাই ঐতিহাসিক শিল্ড জয়ের দিনটিকে মোহনবাগান দিবস বলে পালন করা হয়। ক্লাবের প্রথমে নাম ছিল মোহনবাগান স্পোর্টিং ক্লাব, পরে অ্যাথলেটিক ক্লাব হয়।
মোহনবাগান ক্লাবের প্রতিষ্ঠা দিবস ১৫ অগাস্ট, সেই দিনটিকেও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করার পরামর্শ দেন সৌরভ। ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের বক্তব্যে উঠে আসে, বাংলার দীর্ঘদিন ধরে সন্তোষ ট্রফি বা ক্রিকেটে রঞ্জি ট্রফি জিততে না পারার ঘটনা। ভিনরাজ্যের খেলোয়াড়ের বাড়বাড়ন্ত বাংলার প্রতিভা বিকাশের অন্তরায় বলেও উল্লেখ করেন অরূপ।
সৌরভ বলেন, স্কিল, ক্যালিবারের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ মানসিকতা, সাহস। উপরে ওঠার বিষয়টি নির্ভরশীল খেলোয়াড়দেরই হাতে। অনেকে টাকা-পয়সা, ফেসিলিটির অভাবের কথা বলে থাকেন। কিন্তু তা ঠিক নয়। অর্থ প্লেয়ার তৈরি করলে গাভাসকর, কপিল দেব, তেন্ডুলকর থেকে তারকা ফুটবলারদের আমরা পেতাম না।
খেলার প্রতি সততা বজায় রেখে, পরিশ্রম চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন মহারাজ। সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, একটা জয়ে সন্তুষ্ট হবেন না। খেলার মান বেশি গুরুত্বপূর্ণ। খেলার মান পড়লে বিষয়টি কর্মকর্তাদের নজরে আনবেন। ফুটবলার, অফিসিয়ালদের মতো সমর্থকরাও গুরুত্বপূর্ণ।
সৌরভ আরও বলেন, আমি স্কুলে পড়ার সময় থেকে বাবার মেম্বারশিপ কার্ড নিয়ে মোহনবাগান মাঠে খেলা দেখতাম। সব প্লেয়ারদের নাম আমার মুখস্থ। বর্তমানে তিন বড় ক্লাবকে তখন অনেক ক্লাব ভালো টক্কর দিতো, তারাও তখন বড় ক্লাব ছিল। ফলে ফুটবলের সামগ্রিক উন্নতিতে সকলকেই এগিয়ে আসতে হবে।
সৌরভের কথায়, অনেকে বলতে পারেন আমি বেশি বলি। কিন্তু আমি আশাবাদী, জীবদ্দশায় ভারতকে বিশ্বকাপে খেলতে দেখতে পারব। যদি আমরা অলিম্পিক্সে পদক জিততে পারি, তাহলে বিশ্বকাপেও খেলতে পারব। ১৪০ কোটির দেশে দরকার ৫০ জন ফুটবলার, যাঁরা নিরলস অনুশীলন চালাবেন। ১৬ বছরের ইয়ামাল স্পেনের হয়ে ইউরো কাপ ফাইনাল খেললে আমরাও পারব, এই বিশ্বাস রাখতে হবে।
সৌরভ এদিন মোহনবাগান রত্ন পুরস্কারের পুরো অর্থ ক্লাবের ইউথ ডেভেলপমেন্টে দান করলেন। সৌরভ বলেন, এই ক্লাবে বহু বছর কাটিয়েছি। অনেক স্মৃতি। তখন একটাই পিচ ছিল। স্কুলের পর সেই পিচেই অনুশীলন করতাম। ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়েছি। সৌরভ সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জানান, দিল্লি ক্যাপিটালসের নতুন হেড কোচ নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি।












Click it and Unblock the Notifications