Santosh Trophy: সন্তোষ ফাইনালের নায়কের চ্যালেঞ্জ আর্থিক প্রতিকূলতা, রবির চাকরি নিয়ে উদ্যোগী আইএফএ সচিব
রবি কিরণে উদ্ভাসিত বঙ্গ ফুটবল। বাংলার সন্তোষ ট্রফির জয়ের অন্যতম নায়ক রবি হাঁসদা। সন্তোষের শুরু থেকেই গোল করাটা অভ্যাসে পরিণত করেছিলেন রবি। ফাইনালে ম্যাচে তাঁরই গোলে কেরলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলা। কিন্তু ফুটবল মাঠে রবির যতটা কিরণ ততই অন্ধকার ব্যক্তিগত জীবনে। আর্থিক অনটনের সঙ্গে লড়াই করেই তাঁকে ফুটবল খেলতে হচ্ছে। সন্তোষ ফাইনালের নায়কের যে ভীষণ প্রয়োজন একটা চারকির।
বড় কোনও ক্লাবে এখনও সুযোগ পাননি। গড়ের মাঠে ফুটবল কত আয় করা যেতে পারে সেটা সবাই জানে। পেটের টানে রবির ভরসা ছিলে খেপের ফুটবল। ২০২৩ সালে হাঁটুতে গুরুতর চোট পাওয়ার পর খেপ খেলাও বন্ধ করে দিতে হয়েছিল। তখন থেকেই রবির জীবনে শুধুই অন্ধকার।এরপর বাবার আকস্মিক মৃত্যু যেন তাঁকে আরও বিপর্যস্ত করে তোলে।

বুধবার সন্ধ্যায় ওয়ান ইন্ডিয়াকে ফোনে আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত বলেন, রবির প্রতিভা দক্ষতা নিয়ে কোনও প্রশ্নই নেই। কিন্তু ওর একটা চাকরির ভীষণ প্রয়োজন। কারণ টাকার চিন্তা মাথায় নিয়ে ভালো ফুটবল খেলা কঠিন। আমি ক্রীড়ামন্ত্রী সহ অনেকের সঙ্গেই কথা বলেছি। আশা করছি ওর একটা সরকারি চাকরি হবে। শুধু রবির নয় বাংলা দলের অনেকেরই চাকরি হয়ে যাবে আশা করছি।
দুর্গাপুরের মোহনবাগান অ্যাকাডেমি থেকে উঠে আসা রবিরও মূল লক্ষ্য একটা চাকরি। সেইসঙ্গে বড় ক্লাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করা। সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে আরও সাফল্য চান রবি। এরজন্য প্রয়োজন বড় ক্লাবের একটা মঞ্চ।
সন্তোষ জয়ী বাংলা দলকে রাজ্য সরকারের পাশাপাশি আইএএফএ-র পক্ষ থেকেও মোটা অঙ্কের আর্থিক পুরস্কার দেওয়া হবে। তবে এখনও কোনও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করতে পারেনি আইএফএ। আপাতত ফুটবলাররা পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাবেন।
এদিকে সঞ্জয় সেনকে নিয়েও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার চিন্তা ভাবনা করছে আইএফএ। এই বিষেয় আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত বলেন, শুধু আমাদের ইচ্ছে থাকলেই তো হবে না, একইসঙ্গে দেখতে হবে সঞ্জয় সেনের অন্য কোনও পরিকল্পনা আছে কিনা, এটা বসে আলোচনা করে ঠিক করতে হবে।












Click it and Unblock the Notifications