যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেনকে প্রিমিয়ার লিগের সাফল্য উৎসর্গ করল ম্যানচেস্টার সিটির সাফল্যের অন্যতম প্রধান কাণ্ডারী
যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেনকে প্রিমিয়ার লিগের সাফল্য উৎসর্গ করল ম্যানচেস্টার সিটির সাফল্যের অন্যতম প্রধান কাণ্ডারী
প্রিমিয়ার লিগের সাফল্য নিজের দেশ যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেনকে উৎসর্গ করলেন ম্যানচেস্টার সিটির এই সাফল্যের অন্যতম কাণ্ডারী ওলেক্সান্ডার জিনচেঙ্কো। ইউরোপীয় ফুটবলের সেরা লিগের খেতাব অর্জনের লক্ষ্যে রবিবার মাঠে নেমেছিল ম্যানচেস্টার সিটি। খেতাব জিততে হলে এই ম্যাচে জিততেই হতো ম্যান সিটিকে। অ্যাস্টন ভিলার কাছে ০-২ গোলে পিছিয়ে থাকা লিগের শীর্ষ স্থানে থাকা দল যে ভাবে প্রত্যাবর্তন করে খেতাব জিতেছে তার জন্য কোনও প্রচেষ্টাই যথেষ্ট নয়।

৭৫ মিনিট ০-২ গোলে পিছিয়ে থাকার পর পাঁচ মিনিটের ঝড়ে ৮১ ম্নিটের মধ্য়ে ৩-২ গোলে এগিয়ে যায় ম্যান সিটি এবং এই স্কোরলাইন ধরে রেখে তারা খেতাব জিতে নেয়। লিগ জয়ের ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে পরিবর্তন হিসেবে নামা লেফট ব্যাক জিনচেঙ্কো ম্যান সিটির জয়ের নেপথ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। পোস্ট ম্যাচ সেলিব্রেশনে নিজেদর যুদ্ধ বিধ্বস্ত মাতৃভূমির কথা ভেবে চোখে জল চলে আসে জিনচেঙ্কোর। কোনও ভাবে চোখের জল সামলে হলুদ-নীল পতাকায় তিনি মুড়ে ফেলেন ট্রফি।
এই সাফল্যের অন্যতম কাণ্ডারী জিনচেঙ্কো বলেন, "এক ইউক্রেনীয় নাগরিক হিসেবে আমি গর্বিত। আমি চাইবো এক দিন এই খেতাব ইউক্রেনে নিয়ে যেতে কারণ তাঁরা প্রত্যেকে এটার প্রাপ্য।"
ইউক্রেনের উপর রাশিয়ার এই হামলার বিরুদ্ধে ম্যানচেস্টারে শাস্তিপূর্ণ বিদ্রোহে অংশ নিয়েছিলেন জিনচেঙ্কো এবং রাশিয়ার এই আগ্রসনের বিরুদ্ধে জনসমক্ষে মুখ খুলেছিলেন তিনি। তিনি জানিয়েছেন পাঁচ মরসুমের মধ্যে চতুর্থবার এই খেতাব জয়ের ফলে দলের বস পেপ গুয়ার্দিওয়ালা, তাঁর সতীর্থরা এবং সমর্থকেরা যে ভরসা তাঁর উপর রেখেছে তার সঠিক দাম দিতে তিনি সক্ষম হয়েছেন। তাঁর কথা, "একটা সময়ে বিশেষ করে প্রথমের দিকে আমি ফুটবল নিয়ে ভাবতেও পারতাম না, কারণ আমার দেশে যা হচ্ছে সেই দিক নজর রেখে একই সময়ে ফুটবল নিয়ে ভাবা সম্ভব ছিল না। যে সমর্থন আমি পেয়েছি, তাই সব ছিল আমার কাছে। আমি যে সমর্থন পেয়েছি তাতে তাঁদের জন্য আমি মরতেও পারি। আমি জীবনের কঠিন সময়ে তাঁরা যে ভাবে পাশে থেকেছেন তা অকল্পনীয়। আমি নিজের জীবনে কখনও এই কথা ভুলবো না, কখনওই না।"












Click it and Unblock the Notifications