পিয়ারলেসকে হারিয়ে ডার্বির আগে সুবিধাজনক জায়গায় মোহনবাগান
পয়েন্ট নষ্ট করলেই শিলিগুড়ি ডার্বিতে বাড়তি সুবিধা পেয়ে যাবে সবুজ-মেরুন শিবির। পিয়ারলেসের বিরুদ্ধে এই জয়ে তাই মানসিক দিক থেকে অনেকটাই এগিয়ে গেল শঙ্করলাল ব্রিগেড।
পিয়ারলেসকে হারিয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গলের উপর পাল্টা চাপ তৈরি করল মোহনবাগান। মহালয়ার দিন ডার্বির আগে শেষ ম্যাচে শক্তিশালী টালিগঞ্জ অগ্রগামীর বিরুদ্ধে জিততেই হবে ইস্টবেঙ্গলকে। পয়েন্ট নষ্ট করলেই শিলিগুড়ি ডার্বিতে বাড়তি সুবিধা পেয়ে যাবে সবুজ-মেরুন শিবির। সোমবার পিয়ারলেসের বিরুদ্ধে এই জয়ে তাই মানসিক দিক থেকে অনেকটাই এগিয়ে গেল শঙ্করলাল ব্রিগেড।

প্রথমার্ধে এগিয়ে গিয়েও লিড ধরে রাখতে পারেনি মোহনবাগান। গোল করার ছয় মিনিটের মধ্যেই পিয়ারলেস সমতা ফিরিয়ে আনে। ফুজাতোপের ছেলেরা সমানে সমানে পাল্লা দিয়ে খেলতে শুরু করে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে। আর যত সময় গড়াতে থাকে, ততই স্টেডিয়ামজুড়ে হা-হুতাশ। পিয়ারলেসের কাছে পয়েন্ট নষ্ট মানেই পচা শামুকে পা কাটা।
দ্বিতীয়ার্ধে পেনাল্টি থেকে ক্রোমার গোলের পরই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন মোহনপ্রেমীরা। ৬২ মিনিটে বক্সের ভিতরে আজহারউদ্দিনকে ফাউল করে পিয়ারলেসের এক ডিফেন্ডার। রেফারি সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির নির্দেশ দেন। সেই পেনাল্টি থেকে গোল করতে ভুল করেননি। ক্রোমার পেনাল্টি গোলেই জয়ের কড়ি জোগাড় করে নিতে সক্ষম হয় মোহনবাগান।
দীর্ঘদিন ঘরোয়া লিগ পায়নি মোহনবাগান। এই অবস্থায় ডার্বির আগে শেষ ম্যাচ খেলতে নামে মোহনবাগান। ম্যাচের শুরু থেকেই চেনা ছন্দে আক্রমণ শানাতে থাকেন ক্রোমা-কামোরা। ৩১ মিনিটে নিখিল কদমের গোলে এগিয়ে যায় সবুজ-মেরুন শিবির। কিন্তু সেই অগ্রগমন বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ছয় মিনিট পরেই গোল শোধ করেন ডোডোজ।
প্রথমার্ধের শেষ খেলার ফল ছিল ১-১। দ্বিতীয়ার্ধে তাই আক্রমণে ঝড় তোলেন ক্রোমা-কামো-আজহারউদ্দিনরা। বাগানের আক্রমণের ঢেউ আছড়ে পড়তে থাকে পিয়ারলেসের পেনাল্টি বক্সে। ৬২ মিনিটের মাথায় আজহারকে ফাউল করায় পেনাল্টি পায় মোহনবাগান। এই জয়ের ফলে স্বস্তি পেল মোহনবাগান। চাপ বাড়াল ইস্টবেঙ্গলের।












Click it and Unblock the Notifications