East Bengal: বিগত চার বছরে কোচ বদলের ধারা অব্যাহত ইস্টবেঙ্গলের, সাফল্য দিলেও বেশি সময় পেলেন না কুয়াদ্রাত
প্রয়াত মোহনবাগান সচিব অঞ্জন মিত্রের একটা কথা ময়দানে মিথ হয়ে গিয়েছে ময়দানে কোনও কিছুই স্থায়ী নয়। সাফল্য পেলে কোচ ভগবান, আর দল ব্যর্থ হলেই প্রথমে ছাঁটাই হবেন কোচ। এটাই পৃথিবীর খেলাধুলার নিয়ম। কোচ বদল কলকাতা ময়দানে নতুন কোনও বিষয় নয়, আগে কোচদের ছাঁটাই করা হত হাতে মিষ্টির প্যাকট ধরিয়ে। ময়দানে লেগেছে কর্পোরেট হওয়া। এখন তাঁকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
বিগত ১ মরশুমের মধ্যেই লাল হলুদ জনতার নয়নের মণি হয়ে উঠেছিলেন কার্লেস কুয়াদ্রাত। তাঁকে সমর্থকরা ম্যাজিক ম্যান বা প্রফেসার বলেও ডাকতে থাকেন। কিন্তু সেই ভালোবাসা ফিকে হতে শুরু করে গত কয়েক সপ্তাহে। তারই চূড়ান্ত পরিণতি সোমবার সকালে লাল হলুদের প্রেস বিবৃতি। তাতে লেখা ইস্টবেঙ্গল হেড কোচের পদ থেকে সরে যাচ্ছেন কুয়াদ্রাত। গত ৪ বছরে এই নিয়ে ছয়বার কোচ বদল লাল হলুদের।

দিয়াজে মোহভঙ্গ হলে মাঝে কয়েক সপ্তাহ রেনেডি সিংকে অন্তবর্তীকালীন কোচ করা হয়। তাঁর কোচিংয়ে ইস্টবেঙ্গল তিনটি ম্যাচে খেলে তার মধ্যে দুটি ড্র করে একটি হারে। এরপর লাল হলুদের হাল ধরেন মারিও রিভেরা। তাঁর কোচিংয়ে ইস্টবেঙ্গল দল ৯ ম্যাচ খেলে এরমধ্যে ১টিতে জয় পায়, দুটি ম্যাচ ড্র করে ছয় ম্যাচে হারের মুখ দেখতে হয়।
২০২২-২৩ মরশুমে লাল হলুদের নতুন ইনভেস্টর হয় ইমামি গ্রুপ। তাঁরা কোচ করে আনে স্টিফেন কনস্ট্যানটাইনকে। কিন্তু ভারতীয় দলের প্রাক্তন কোচও ইস্টবেঙ্গলকে কোনও সাফল্য এনে দিতে পারেননি। তাঁর কোচিংয়ে ২৭ ম্যাচ খেলে মাত্র সাতটিতে জয় পায় লাল হলুদ। ৬ ম্যাচ ড্র করে ১৪ ম্যাচ হারে। কোনও ট্রফি জেতাতে পারেননি তিনি।
২০২৩-২৪ মরশুমে লাল হলুদের কোচ হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে ছিলেন সার্জিও লোবেরা। কিন্তু তিনি ওডিশা এফফিতে যোগ দেওয়ায় বেঙ্গালুরু এফসির প্রাক্তনী কার্লেস কুয়াদ্রাতকে কোচ করা হয়। প্রথম টুর্নামেন্টে ডুরান্ড কাপে রানার্স করেন। এরপর সুপার কাপ জিতিয়ে লাল হলুদ জনতার বস হয়ে উঠেন কুয়াদ্রাত।
কিন্তু চলতি মরশুমে শুরু থেকেই তাঁর কোচিং নিয়ে প্রশ্ন উঠে। শেষ পর্যন্ত তিনিও প্রাক্তন হলেন। তাঁর কোচিংয়ে ৪০ ম্যাচের মধ্যে ১৬টি ম্যাচে জয় পায় লাল হলুদ, ১৬ ম্যাচেই হারে। ৮ ম্যাচে ড্র করে। শেষ চার বছরে তিনিই সব থেকে সফল কোচ।












Click it and Unblock the Notifications