FIFA World Cup 2022: ফাইনালে স্পেনের কোন কীর্তি স্পর্শের মুখে আর্জেন্তিনা? মেসি দেখালেন টার্নিং পয়েন্ট
লিওনেল মেসির আর্জেন্তিনা গতবারের রানার-আপ ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে পৌঁছে গিয়েছে বিশ্বকাপ ফাইনালে। আজ ফ্রান্স বনাম মরক্কো ম্যাচে জয়ী দলের বিরুদ্ধে রবিবার ফাইনাল খেলবে দিয়েগো মারাদোনার দেশ। গোল করে, গোল করিয়ে দলকে ফাইনালে তুলতে পেরে অনেকটাই স্বস্তিতে লিওনেল মেসি। খোলসা করলেন ফাইনালে ওঠার ক্ষেত্রে কোন বিষয়টি সহায়কের ভূমিকা পালন করেছে।

লুসাইল স্টেডিয়াম থেকেই ফাইনালের টিকিট কনফার্ম করল আর্জেন্তিনা। অথচ গ্রুপ পর্বের ম্যাচে এখানেই প্রথম ম্যাচে পরাস্ত হয়েছিল মেসির নেতৃত্বাধীন দল। এগিয়ে থাকার পরেও শেষ অবধি বিশ্বের ৫১ নম্বর দল সৌদি আরবের কাছে ১-২ গোলে অপ্রত্যাশিতভাবে হারতে হয়েছিল আর্জেন্তিনাকে। তবে এরপর আর ফিরে তাকাতে হয়নি। যেভাবে দল ঘুরে দাঁড়িয়েছে তাতে খুশি মেসি। অ্যাসিড টেস্টে উত্তীর্ণ হয়ে ফাইনালে পৌঁছে যাওয়া দলের ঘুরে দাঁড়ানোর প্রশংসা করেছেন চলতি বিশ্বকাপে পাঁচটি গোল করা এলএম টেন।
একমাত্র স্পেনই ২০১০ সালে গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে হেরে যাওয়ার পরও বিশ্বকাপ জিতেছিল। সেই নজির এবার লিওনেল মেসির দল ছুঁতে পারবে কিনা তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। ইতিমধ্যেই আর্জেন্তিনার হয়ে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল করার নজির গড়েছেন মেসি। ১১টি গোল করে টপকেছেন গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতাকে। ফাইনাল খেলতে নামলে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ২৬টি ম্যাচ খেলার বিশ্বরেকর্ড গড়বেন লিও। তিনি ক্রোট-বধ সেরে বলেছেন, ৩৬টি ম্য়াচে অপরাজেয় থাকার পর প্রথম ম্য়াচে হেরে যাওয়াটা আমাদের সকলকেই বড় ধাক্কা দিয়েছিল। বিশ্বকাপে এমন শুরু সত্যিই বড় ধাক্কা ছিল। আমরা ভাবিনি সৌদি আরবের কাছে হেরে যাব। এরপর অ্যাসিড টেস্টে উত্তীর্ণ হয়ে আমাদের দল দেখিয়ে দিয়েছে আমরা কতটা শক্তিশালী।
মেসির কথায়, ওই পরাজয়ের আমরা পরের ম্যাচগুলি জিতেছি। কিন্তু সেটা কঠিন ছিল, কারণ আমাদের কাছে তখন সব ম্যাচই ছিল ফাইনাল। আমরা সকলেই বুঝতে পেরেছিলাম, যদি না জিততে পারি তাহলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে যাবে। এই ভাবনা মানসিক চাপও তৈরি করে। ফলে আমরা এবারের বিশ্বকাপে পাঁচটি ফাইনাল জিতেছি, এই ধারা বিশ্বকাপের শেষ ম্যাচেও ধরে রাখতে পারব বলে আশা রাখি। দলে আমাদের সকলেরই বিশ্বাস ছিল, আমরা ফাইনালে পৌঁছে যেতে পারব। আমরা কী করতে পারি সে সম্পর্কে সকলেই ওয়াকিবহাল ছিলেন। প্রথম ম্য়াচে হার আমাদের শক্তিশালী করে তোলে। মেসি চাইছেন এই মুহূর্তটা উপভোগ করতে। দেশে সকলে যেভাবে আনন্দে-উচ্ছ্বাসে মাতোয়ারা, তাতেও আনন্দিত মেসি। ফাইনালে নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দেওয়ার প্রত্যয়ের সঙ্গেই যা অর্জন করেছে গোটা দল, সেই বিষয়টিকেও গুরুত্ব দিচ্ছেন মেসি। ম্যাচের সেরা মেসির মুখে শোনা গিয়েছে আলভারেজের প্রশংসা। তিনি যেভাবে সকলের চেয়ে বেশি দৌড়েছেন, জোড়া গোল করেছেন, গোলের সুযোগ তৈরি করেছেন, সেই সবেরই প্রশংসা করেছেন মেসি।












Click it and Unblock the Notifications