বাংলার ফুটবলের বাজে বিজ্ঞাপন, মোহন তাঁবুতে ইস্ট সমর্থকদের তান্ডব, লজ্জায় মুখ ঢাকল ফুটবল
কলকাতা লিগে মাঠে দুরন্ত পারফরম্যান্স করে মন জিতে নিলেন ইস্টবেঙ্গল ফুটবলাররা, কিন্তু লালহলুদ সমর্থকরা কলকাতা ফুটবলকে এনে দিলেন লজ্জা
এরকমটা কিন্তু হওয়ার কথা ছিল না। কিন্তু মঙ্গলবার দিন ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা ম্যাচের পর যা করলেন তাতে লজ্জিত হল বাংলার ফুটবল তথা ভারতীয় ফুটবল। যুব বিশ্বকাপের আর এক মাসও বাকি নেই, সেখানে বিশ্বের কাছে লালহলুদ সমর্থকরা যে বেনজির ঘটনা করলেন তাতে বিশ্ব মঞ্চে কলঙ্কিত হল ভারত।

যুব বিশ্বকাপের ডোরবেল বাজছে, কলকাতা লিগের অনামী ম্যাচেও নজর রাখছে ফিফা। কারণ দিন কয়েক আগেই রেনবো বনাম টালিগঞ্জ অগ্রগামী ম্যাচে গড়াপেটার অভিযোগ জানিয়ে চিঠি দিয়েছিল ফিফা। ফলে মঙ্গলবার ম্যাচ জেতার আনন্দে যেভাবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান ক্লাবে ভাঙচুর চালালেন ইস্টবেঙ্গল ফ্যানরা তা যদি ফিফার কানে পৌঁছয় তাহলে খুবই দুঃখজনক বিষয় হবে।

ডার্বির আগে এদিন টালিগঞ্জ অগ্রগামীকে ৫-০ হারিয়ে দারুণ চনমনে হয়ে উঠেছিল ইস্টবেঙ্গল। মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ডার্বিতে ড্র করলেই টানা আটবার আই লিগ ঘরে ঢোকা নিশ্চত হয়ে গিয়েছিল লালহলুদ ক্লাব তাঁবুতে। এ অবস্থায় ম্যাচের শেষে মোহনবাগান ক্লাব তাঁবুতে গিয়ে ভাঙচুর চালায় বেশ কিছু ইস্টবেঙ্গল সমর্থক। মোহনবাগান ক্লাবে সেইসময় একটা কর্মসূচি থাকায় হাজি ছিলেন মোহনবাগান ক্লাবের সমর্থকদের গ্রুপ। ফলে বেশি ক্ষতি করতে পারেননি লালহলুদের মুষ্টিমেয় সমর্থক।

এদিকে এই ঘটনার পর মোহনবাগান ক্লাবের পক্ষে মাঠ সচিব স্বপন বন্দোপাধ্যায় ময়দান থানায় ডায়রি করেছেন। ঠিক কী কারণে এই ভাঙচুর চালানো হয় তার কারণ অবশ্য মোহনবাগান -ইস্টবেঙ্গল কোনও ক্লাব কর্তৃপক্ষের কাছেই পরিষ্কার নয়। তবে দুপক্ষই এটাকে বাংলার ফুটবলের বাজে বিজ্ঞাপন হিসেবেই বর্ণনা করেছেন।












Click it and Unblock the Notifications