ন্যাটওয়েস্ট থেকে বিশ্বকাপ জয়, জীবনের সেরা মুহূর্ত স্মরণ করলেন যুবরাজ

২০০০ থেকে ২০১৯। এই ১৯ বছরে পাল্টে গিয়েছে দেশের অনেক চালচিত্র।

২০০০ থেকে ২০১৯। এই ১৯ বছরে পাল্টে গিয়েছে দেশের অনেক চালচিত্র। ম্যাচ ফিক্সিংয়ে জর্জরিত ভারত ক্রিকেটকে নতুন দিশা দেখানোর যে লড়াই সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় শুরু করেছিলেন, সেই যুদ্ধে প্রধান যোদ্ধা হিসেবে যাঁকে পেয়েছিলেন তিনি যুবরাজ সিং। প্রথম জন ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন অনেক বছর আগে। এবার নিজের বিদায়বেলায় ফেলে আসা জীবনের সেরা মুহূর্তগুলোকে স্মরণ করলেন যুবরাজ।

২০০০-এ ভারতীয় দলে অন্তর্ভূক্তি

২০০০-এ ভারতীয় দলে অন্তর্ভূক্তি

৭ অক্টোবর ২০০০। কেনিয়ার নাইরোবিতে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দ্বিতীয় এডিশনের কোয়ার্টার ফাইনালে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন প্রতিশ্রুতিমান ভারত। ম্যাচের কোয়ার্টার ফাইনালের প্লেয়িং ইলেভেনে ভারতের অধিনায়ক সৌরভ যখন মাত্র ১৮ বছরের যুবরাজ সিংয়ের নাম অন্তর্ভূক্ত করেছিলেন, তখন সবাই অবাক হয়েছিলেন। কিন্তু সেই তরুণই গ্লেন ম্যাকগ্রা, ব্রেট লি, জেসন গিলিসপি-দের মতো বিশ্বত্রাস বোলারদের তুলোধোনা করে অনবদ্য ৮০ বলে ৮৪ রান করেন। ভারতীয় ক্রিকেটে তারুণ্যের জয়গান শুরু হয়েছিল সেদিন থেকেই।

২০০২-র ন্যাটওয়েস্ট ট্রফির ফাইনাল

২০০২-র ন্যাটওয়েস্ট ট্রফির ফাইনাল

১৩ জুলাই ২০০২। দিনটা ভারতীয় ক্রিকেট ফ্যানদের কাছে ভোলার নয়। মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ড অল-রাউন্ডার অ্যান্ড্রু ফ্লিন্টফের দেখানো দম্ভের জবাব লর্ডসের ব্যালকনিতে জার্সি উড়িয়ে দিয়েছিলেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের তৎকালীন অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। কারণ, সেই ম্যাচে পাহাড়প্রমাণ ৩২৫ রান তাড়া করতে নেমে ২ উইকেটে জিতেছিল টিম ইন্ডিয়া। সেই ঐতিহাসিক ম্যাচ জয়ের অন্যতম কারিগর ছিলেন যুবরাজ সিং। মহম্মদ কাইফের সঙ্গে জুটি বেঁধে ৬৯ রানের ম্যাচ উইনিং ইনিংস খেলেছিলেন যুবি। স্মৃতিচারণায় সেই মুহূর্তের কথাই সবার আগে উল্লেখ করেন যুবরাজ।

২০০৭-র টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

২০০৭-র টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

ভারতীয় ক্রিকেটে নতুন যুগের সূচনা হয় ওই বছরই। মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বাধীন তরুণ ভারতীয় দল দক্ষিণ আফ্রিকায় আয়োজিত প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছিল। সেই টুর্নামেন্টেই ইংল্যান্ডের অল-রাউন্ডার অ্যান্ড্রু ফ্লিন্টফের স্লেজে অতিষ্ট হয়ে জবাব স্বরূপ তরুণ স্টুয়ার্ট ব্রডের ওভারে ৬ বলে ৬টা ছয় মেরে রেকর্ড গড়েছিলেন যুবরাজ সিং। অবসরের সময় এই দুই মুহূর্তকে জীবনের অন্যতম সেরা বলে আখ্যা দিয়েছেন যুবি।

২০১১-র বিশ্বকাপ

২০১১-র বিশ্বকাপ

২ এপ্রিল ২০১১। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের ফাইনালে যখন উইনিং ছয় হাঁকিয়েছিলেন টিম ইন্ডিয়ার অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি, ক্রিজের অন্যদিকে তখন দাঁড়িয়েছিলেন যুবরাজ সিং। ওই ম্যাচ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল তাঁর। ওই বিশ্বকাপে প্লেয়ার অফ দ্য টুর্নামেন্টও হয়েছিলেন যুবি। ৫০ ওভারের বিশ্বকাপ জয়ের এই মুহূর্তকেই জীবনের সেরা বলে দাবি করেছেন যুবরাজ।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+