Sourav Ganguly: দিল্লি ক্যাপিটালসের হেড কোচের দায়িত্ব সৌরভকেই নিতে হচ্ছে? বুমরাহর কেরিয়ারে শামির অবদান কতটা?
Sourav Ganguly: দিল্লি ক্যাপিটালসের হেড কোচের দায়িত্ব শেষ অবধি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কেই নিতে হচ্ছে? এই চর্চার মধ্যে বিরাট আভাস দিলেন সৌরভ-ঘরণী ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়।
আজ ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের তরফে ভারত গৌরব সম্মান পেলেন মহারাজ। আর সেই মঞ্চেই রিকি পন্টিংয়ের উত্তরসূরী নিয়ে মুখ খুললেন সৌরভ।

সৌরভ জানান, আজ তাঁর শহরের বাইরে থাকার কথা ছিল। কিন্তু তিন বছর ধরে তাঁকে ইস্টবেঙ্গলের কর্তা দেবব্রত সরকার ভারত গৌরব সম্মান দেওয়ার কথা বললেও তিনি সময় দিতে পারছিলেন না। তাই আজ সফরসূচি বাতিল করে তিনি এই সম্মান গ্রহণ করলেন।
এরপরই সৌরভকে বলা হয় রিকি পন্টিংকে হেড কোচের পদ থেকে সরানোর পর তিনিই সেই পদে বসছেন কিনা। সৌরভ সেই সম্ভাবনা না উড়িয়ে বলেন, আমি জানি না। কাল দিল্লি ক্যাপিটালসের বৈঠক রয়েছে। সেই বৈঠকের পরই চিত্রটা স্পষ্ট হবে।
যদিও দর্শকাসনে থাকা ডোনা গঙ্গোপাধ্যায় ইশারা করে বলেন, এটা পুরো উত্তর হলো না। যদিও সৌরভ বলেন, এটাই সঠিক উত্তর। উল্লেখ্য, পন্টিংকে সরানোর পর থেকেই সৌরভের দিল্লি ক্যাপিটালসের হেড কোচ হওয়ার জল্পনা রয়েছে।
যদিও সৌরভ লন্ডন থেকে ওয়ানইন্ডিয়া বাংলাকে জানিয়েছিলেন, তিনি এই দায়িত্ব নেবেন না। যদিও সূত্র মারফত জানা গিয়েছিল, দিল্লি ক্যাপিটালসের কর্তারা সৌরভকেই কোচ করতে চাইছেন। সেই ইচ্ছা উপেক্ষা করা সৌরভের পক্ষে সহজ হবে না। উল্লেখ্য, দিল্লি ক্যাপিটালসের ডিরেক্টর অব ক্রিকেট পদে আছেন মহারাজ।
সৌরভ এদিনের অনুষ্ঠানে বলেন, সব সময় সঠিক পরিকল্পনা করলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সাফল্য লাভের সম্ভাবনা থাকে। আমি বিসিসিআই সভাপতি থাকাকালীন একা নই, অন্যান্য আধিকারিকদের সঙ্গে মিলে রাহুল দ্রাবিড়কে হেড কোচ ও রোহিত শর্মাকে অধিনায়ক করার সিদ্ধান্ত তেমনই এক সঠিক পদক্ষেপ। উল্লেখ্য, ভারত ৫০ ওভারের বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলে, টি২০ বিশ্বকাপ জেতে।
মহম্মদ শামিকে ইস্টবেঙ্গল দিল বাংলার গৌরব সম্মান। সৌরভ বলেন, শামিকে ২০০৭ সালে দেখেই লক্ষ্মীরতন শুক্লাকে বলেছিলাম শামি প্রতিভাবান, গিফ্টেড ক্রিকেটার। তবে প্রতিভাকে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে পরিণত করা সহজ নয়। শামি সেটা করে দেখিয়েছেন।
সৌরভ বলেন, জসপ্রীত বুমরাহ সেরা হয়েছেন শামির জন্যই। কেন না, অপর প্রান্ত থেকে লাগাতার ব্যাটারের উপর চাপ বজায় রাখেন। তবে ২০১৩ সালে ওডিআই অভিষেকের পর আজ অবধি শামি ১০১টি ওডিআই খেলায় কিছুটা অবাক সৌরভ। বলেন, আরও বেশি খেলা উচিত ছিল।
এদিনও সৌরভের কথায় উঠে আসে ভারতের ফুটবল বিশ্বকাপ খেলার কথা। তিনি বলেন, আলকারাজ যদি জকোভিচকে হারাতে পারেন তাহলে ভারতের ফুটবল বিশ্বকাপ খেলা অসম্ভব নয়। দরকার অ্যাটিটিউড আর ইচ্ছাশক্তি। আমি ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান, মহমেডানকে আলাদা ভাবি না। সব ক্লাব মিলে ফুটবলকে প্রতিষ্ঠান ভাবতে হবে।
সৌরভের কথায়, সমর্থকদেরও দায়িত্ব থাকে। আমি শীতে বিলেত যাওয়ার কারণ আমি ঘুরে ঘুরে ফুটবল ম্যাচ দেখি, হসপিটালিটি বক্সে নয়, গ্যালারিতে বসে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের খেলা দেখতে গিয়ে দেখেছি, যখন নিজেদের অর্ধে ওরা বল পাঠায়, তখন ৮০ হাজার দর্শক উঠে দাঁড়িয়ে আক্রমণে যেতে বলে। এভাবেই জেতার জন্য উজ্জীবিত করে। ফলে মাঠে গিয়ে খেলা দেখলেই হবে না, ফুটবলের মান নিয়ে সচেতন থেকে ফুটবলারদের থেকে দাবি আদায়ের পরামর্শ দেন সৌরভ।
সৌরভ এদিন পুরস্কার গ্রহণের সময় ইস্টবেঙ্গলের একঝাঁক প্রাক্তনীকে মঞ্চে ডেকে নেন। জানান, তিনি এঁদের খেলা দেখতেন, নিয়মিত ফলো করতেন। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের জার্সির রংই আসল শক্তি বলে বর্ণনা করেন। ইস্টবেঙ্গল দলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে সৌরভ মজা করে বলেন, আমি কার্লেস কুয়াদ্রাতের খেলা বা কোচিং দেখিনি। মোহনবাগানে হাবাসের কোচিং দেখে ভালো লেগেছিল। নীতুদাকে বলব, টিমের থেকে দূরে থাকতে। তিনি খুব আবেগপ্রবণ। ফলে কোচ দলকে খোলা মনে খেলাক।












Click it and Unblock the Notifications