ইডেনে রঞ্জি অভিষেক, শেষ ম্যাচও! বাংলার ইনিংসে ভাঙন ধরানো সিদ্ধার্থর অকাল প্রয়াণ
রঞ্জি ট্রফির ম্যাচ খেলতে গিয়েছিলেন ভদোদরায়। তখনই অসুস্থ বোধ করেন। ভর্তি করানো হয়েছিল হাসপাতালে। যদিও তাতে শেষরক্ষা হলো না। সপ্তাহ দুয়েকের কাছাকাছি চিকিৎসাধীন থাকার পর মাত্র ২৮ বছর বয়সে জীবনাবসান হলো হিমাচল প্রদেশের পেসার সিদ্ধার্থ শর্মার।
हिमाचल की विजय हजारे ट्रॉफी विजेता क्रिकेट टीम के सदस्य रहे और प्रदेश के स्टार तेज गेंदबाज सिद्धार्थ शर्मा के निधन की अति दुःखद खबर है।
— Sukhvinder Singh Sukhu (@SukhuSukhvinder) January 13, 2023
मैं भगवान से प्रार्थना करता हूं कि वह दिवंगत आत्मा को शांति प्रदान करें व
प्रियजनों को इस दारुण दुख सहने की शक्ति प्रदान करें । pic.twitter.com/31rwMswXQX

সিদ্ধার্থর প্রয়াণ, শোকাহত মুখ্যমন্ত্রী
আজ পাঞ্জাবের নাঙ্গালে সিদ্ধার্থের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর প্রয়াণে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখু। হিমাচলের উনার বাসিন্দা ছিলেন সিদ্ধার্থ। গত মাসে তিনি শেষ রঞ্জি খেলে গিয়েছেন ইডেন গার্ডেন্সে, বাংলার বিরুদ্ধে। ২০১৭ সালে তাঁর রঞ্জি অভিষেকও হয়েছিল বাংলার বিরুদ্ধে ইডেনেই।
ছবি- সুখবিন্দর সিং সুখু টুইটার

রঞ্জি খেলতে গিয়ে অসুস্থ
জানুয়ারির ৩ থেকে ৬ তারিখ অবধি রঞ্জি ম্যাচ খেলতে সিদ্ধার্থ দলের সঙ্গেই ভদোদরায় গিয়েছিলেন। ৩১ ডিসেম্বর অনুশীলনের সময় তিনি জানান শ্বাস-প্রশ্বাসে অসুবিধা গচ্ছে। সেদিনই সিদ্ধার্থকে ভদোদরার হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। হিমাচলের বাঁহাতি স্পিনার ময়াঙ্ক ডাগার জানিয়েছিলেন, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালীনই তাঁকে ভেন্টিলেটর সাপোর্ট দিতে হচ্ছিল।

হাসপাতালে ভর্তির পর ভেন্টিলেশনে
হিমাচল প্রদেশ আজ নাদাউনে ওডিশাকে হারিয়ে দিয়েছে ৩ উইকেটে। ৫ ম্যাচে ১৭ পয়েন্ট নিয়ে তারা এলিট এ গ্রুপে রয়েছে বাংলা ও উত্তরাখণ্ডের পরেই। ডাগার জানিয়েছেন, বরোদার বিরুদ্ধে আমরা ম্যাচ খেলছিলাম। কিন্তু সকলেরই ফোকাস ছিল সিদ্ধার্থর শারীরিক অবস্থার দিকে। আমরা নিয়মিত হাসপাতালে যেতাম। কিন্তু বরোদা ম্যাচ শেষ হওয়ার পর ওডিশার মুখোমুখি হতে হতো। সে কারণে সিদ্ধার্থকে ভদোদরার হাসপাতালে রেখেই আমাদের নাদাউনে চলে যেতে হয়। হাসপাতালে ভর্তির পরও শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা তো কমেইনি, বরং আরও অবনতি হতে থাকে। এরপর তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখতে হয়েছিল।

শোকের ছায়া
স্বাভাবিকভাবেই সিদ্ধার্থর অকাল প্রয়াণের খবরে শোকের আবহ হিমাচল প্রদেশ দলে। দলের তিনি একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্যই ছিলেন না, সকলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল দারুণ। প্রথম শ্রেণির ৬টি ম্যাচ খেলেছেন সিদ্ধার্থ। লিস্ট এ ম্য়াচ খেলেছেন ৬টি, একটি টি ২০ ম্যাচও খেলেন। ২০২১-২২ মরশুমে তিনি বিজয় হাজারে ট্রফিজয়ী হিমাচল প্রদেশ দলের সদস্য ছিলেন। তামিলনাড়ুর বিরুদ্ধে ফাইনাল-সহ তিনটি ম্যাচ খেলেছিলেন। ফাইনালে ১০ ওভারে ৩৪ রান দিয়ে নেন ১ উইকেট।

ইডেনে শেষ ম্যাচ
ইডেনে নিজের শেষ রঞ্জি ম্যাচে বাংলার প্রথম ইনিংসে ভাঙন ধরিয়েছিলেন। ১৯ ওভারে ২টি মেডেন-সহ ৬৯ রানে নেন ৫ উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে ১টি মেডেন-সহ ১৬ ওভারে ৫৩ রান খরচ করে ২টি উইকেট দখল করেন। ম্যাচটি ড্র হয়েছিল, প্রথম ইনিংসে লিড নেওয়ায় বাংলা তিন পয়েন্ট সংগ্রহ করে।
(ছবি- সিএবি মিডিয়া)












Click it and Unblock the Notifications