ইডেনে অস্ট্রেলিয়া বধের আগে জানা গেল ধোনির নয়া শখ, যা দেখে ঘাবড়ে যেতে পারেন
ইডেনে ম্যাচের আগে পিস্তল হাতে ধোনি। আর এই ছবি দেখে অবাক সোশ্যাল মিডিয়া। আসলে বুধবার কলকাতা পুলিশ ট্রেনিং স্কুলে গিয়েছিলেন মাহি। আর সেখানেই অংশ নেন পিস্তল শ্যুটিং-এ।
এমএস মানেই ধামাকা, এমএস মানেই চমক। এ কথা একবাক্যে মানেন ধোনি ভক্তরা। ক্রিকেটের ২২ গজে ধামাকা দেওয়া ছাড়াও যে মোটরবাইকের দুরন্ত গতিতে ধোনির আলাদা নেশা আছে তাও সকলেরই জানা হয়ে গিয়েছে। এমনকী, কার রেসিং-এও ধোনির সমান আগ্রহ।

আসলে ধোনি হল একটা গতি-র নাম। যে দুরন্তভাবে ছুটতে ভালবাসে। আর এই ছোটার পথে সে তৈরি করে একের পর এক রোমাঞ্চকর কাহিনি। এটাই 'ব্র্যান্ড' ধোনির বৈশিষ্ট্য। যেমন, সদ্য অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে প্রথম ম্য়াচে ধোনির রঙবাজি ফের প্রত্যক্ষ করা গিয়েছে। পুজোর আগে এই মুহূর্তে ধোনি কলকাতা শহরে। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ইডেনে দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে তাঁর কাছে একটা ধামাকা চাইছে ভক্তকুল।
ম্যাচে কী হবে তার নিশ্চিত ভবিষ্যৎবাণী করাটা এই মুহূর্তে সত্যি কঠিন। কিন্তু, কলকাতায় ধামাকা দিতে বাকি রাখলেন না এমএস। ব্যাট বা মোটরবাইক নিয়ে নয় ধোনি চমকে দিলেন পিস্তল হাতে। দেখালেন শ্যুটার হিসাবে তাঁর কারিকুরি। এক্কেবারে পাক্কা এলেমদার শ্যুটারের মতোই নিশানা করলেন।
আসলে বুধবার ধোনি গিয়েছিলেন কলকাতা পুলিশে ট্রেনিং স্কুলে। আর সেখানেই নেমে পড়েছিলেন শ্যুটিং রেঞ্জে নিজের নিশানা পরখ করতে। পিস্তল হাতে ধোনির নিশানা দেখে চমকেও যান কলকাতা পুলিশের তাবড় তাবড় শার্প শ্যুটাররা। তাহলে কি ক্রিকেটার না হয়ে শ্যুটার হলেও কি অলিম্পিক থেকে পদক আনতেন ধোনি! এর উত্তর পাওয়া যায়নি।
তবে, পিস্তল হাতে শ্যুটিং রেঞ্জে নিজের একের পর এক নিশানা নিয়ে যে ধোনি তৃপ্তি পেয়েছেন, তা তাঁর চোখ-মুখ থেকে যেন ঠিকরে বের হচ্ছিল। জানা গিয়েছে, দু'ধরনের পিস্তলে ধোনি নিজের নিশানা অভ্যাস করেন।
ভারতীয় ক্রিকেটের জীবন্ত কিংবদন্তি প্রাক্তন অধিনায়ককে এদিন নিজেদের মধ্যে পেয়ে কার্যত আপ্লুত ছিলেন কলকাতা পুলিশ ট্রেনিং স্কুলের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে পুলিশ কর্তারা। পরে ধোনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একটি অনুষ্ঠানেও অংশ নেন। সেখানে জানান, যে কোনও প্রতিকূল পরিস্থিতিতে তিনি কীভাবে নিজেকে অনুপ্রাণিত করেন তার কাহিনি।
ধোনির শ্যুটিং-এর ছবি পরে নিজেদের ওয়েবসাইটেও আপলোড করে কলকাতা পুলিশ। সেখানে নানা বিশেষণেও ভরিয়ে দেওয়া হয় ভারতীয় ক্রিকেটের মাহিকে। আসলে নিজের মতো করে লোকজনকে জয় করে নেওয়াটা ধোনির জাত। আর তাই তিনি 'ব্র্যান্ড ধোনি'! এ নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নিশ্চয় দরকার নেই।












Click it and Unblock the Notifications