Jay Shah: আইসিসি ও বিসিসিআইয়ের পদে একসঙ্গে থাকতে পারবেন জয় শাহ? সম্ভাব্য বোর্ড সচিবের তালিকা দীর্ঘায়িত হচ্ছে
Jay Shah: আইসিসির পরবর্তী 'চেয়ার' হওয়ার দৌড়ে ফেভারিট জয় শাহ। ২৭ অগাস্টের মধ্যে মনোনয়ন জমা দিতে হবে। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তিনি ওই পদে বসতে পারবেন কিনা সেটাই দেখার।
তবে ভোটাভুটি হলেও জয়ের জয় নিশ্চিত বলেই মনে করা হচ্ছে। সবচেয়ে কম বয়সে আইসিসির শীর্ষপদে বসার নজির গড়ে ফেলতে পারবেন অমিত শাহ-র পুত্র।

এর আগে, এন শ্রীনিবাসন আইসিসি ও বিসিসিআইয়ের শীর্ষপদে বহাল থেকেছেন। আইসিসির প্রথম স্বাধীন চেয়ার নির্বাচিত হওয়ার আগে শশাঙ্ক মনোহর বোর্ড সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন। ২০১৬ থেকে আইসিসির যা নিয়ম রয়েছে তাতে আইসিসির চেয়ার যিনি হন তিনি অন্য পদে আসীন থাকতে পারেন না।
তবে আইসিসি এই নিয়মে বদল আনে কিনা সেটা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে বর্তমান নিয়মে জয়কে বিসিসিআই সচিবের পদ ছাড়তে হবে আইসিসিতে নয়া ইনিংস খেলার আগে। আইসিসির চেয়ার পদের নিয়মেও বদল আনার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে কেউ দুই বছর করে তিনটি টার্মে আইসিসি চেয়ারম্যান হতে পারেন। সেটা পরিবর্তন করে তিন বছরের দুটি টার্ম করা হতে পারে।
বিসিসিআই সচিব পদে জয় শাহ-র মেয়াদ ফুরানোর কথা আগামী বছরের সেপ্টেম্বরে। তারপর তাঁকে বোর্ডে তিন বছরের বাধ্যতামূলক কুলিং অফে যেতে হবে। তবে এখন যদি জয় আইসিসিতে যান, সেখানে মেয়াদ পূর্ণ করে তাঁর বিসিসিআইয়ে ফেরার পথ খোলা থাকছেই।
জয় শাহ-র জায়গায় কারা বিসিসিআই সচিব হতে পারেন তা নিয়ে জল্পনা চলছে। বোর্ডের সহ সভাপতি রাজীব শুক্লা, কোষাধ্যক্ষ আশিস শেলার ও আইপিএল চেয়ারম্যান অরুণ ধুমলের নাম এগিয়ে। রাজীব কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ। আশিস মহারাষ্ট্রের বিজেপি নেতা। বিজেপি সাংসদ অনুরাগ সিংয়ের ভাই অরুণ।
বিসিসিআইয়ে নানা পদ থাকলেও সভাপতি, সচিব ও কোষাধ্যক্ষই মূল পদ বলে ধরা হয়। সেক্ষেত্রে যদি আশিস সচিব হন, তাহলে কোষাধ্যক্ষ পদ খালি হবে। জল্পনায় ভাসছে বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া, দিল্লি ও ডিস্ট্রিক্ট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রোহন জেটলির নাম।
আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য তথা সিএবির প্রাক্তন সভাপতি অভিষেক ডালমিয়ার নামও চর্চায় রয়েছে। অভিষেকের কোনও রাজনৈতিক যোগ নেই। বিসিসিআই ও বিভিন্ন রাজ্য ক্রিকেট সংস্থার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো। প্রবাদপ্রতিম ক্রিকেট প্রশাসক জগমোহন ডালমিয়ার সঙ্গে থেকে দীর্ঘদিন কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে পুত্রের।
এ ছাড়াও পাঞ্জাবের দিলশের খান্না, গোয়ার বিপুল ফাড়কে এবং ছত্তিশগড়ের প্রভতেজ ভাটিয়া (আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের প্রাক্তন সদস্য)-র নাম নিয়েও চর্চা রয়েছে। যেহেতু কয়েক মিনিটের মধ্যে নাটকীয় পালাবদল ঘটে বোর্ডের পদ দখলের ক্ষেত্রে, ফলে ডিসেম্বরের আগে যেহেতু নতুন বোর্ড সচিবের দরকার পড়বে না, ফলে সকলেই পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন। তবে বোর্ডের সংবিধান অনুযায়ী যেহেতু প্রাক্তন বিসিসিআই সভাপতিরা সচিব হতে পারেন না, সেক্ষেত্রে অনুরাগ ঠাকুর বা সৌরভ গঙ্গোপাধ্য়ায়ের আপাতত বোর্ডে ফেরার সম্ভাবনা নেই।












Click it and Unblock the Notifications